A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘একটি প্রাণী তার…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ১৩১🏢 প্রতিষ্ঠান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

একটি প্রাণী তার শক্তিশালী স্যালটাটোরিয়াল পা ব্যবহার করে দেহের তুলনায় অনেকবেশি দূরত্বে লাফ দিতে পারে। এদের উন্নত দর্শন কৌশল এবং বিশেষ চোখ আছে। পাশাপাশি এদের মুক্ত ধরনের রক্ত সংবহনতন্ত্র বিদ্যমান।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

গ্লুটাথিওন হলো প্রাণীর টিস্যুরসে বিদ্যমান এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা Hydra কে উক্ত প্রাণীকে শিকার করতে প্রলুব্ধ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

হাইড্রার দেহ গহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে। সিলেন্টরন খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে এবং বহিঃকোষীয় পরিপাকের জন্য খাদ্য বহন করে, তাই একে পরিপাক-সংবহন গহ্বর বলা হয়। হাইড্রা কোনো শিকার ধরে মুখে প্রবেশ করালে দেহ প্রাচীরের সংকোচন-প্রসারণের ফলে খাদ্য সিলেন্টেরনে এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে খাদ্য পরিপাক সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং। ঘাসফড়িং এর দর্শন অঙ্গ হলো পুঞ্জাক্ষি। পুঞ্জাক্ষির গঠনগত ও কার্যগত একককে বলা হয় ওমাটিডিয়াম। নিচে ওমাটিডিয়ামের গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া হলো ষড়ভুজাকৃতির উত্তল কিউটিকল নির্মিত আবরণ। প্রতিটি কর্নিয়ার নিচে একজোড়া কর্নিয়াজেন কোষ থাকে। কর্নিয়াজেন কোষের নিচের চারটি লম্বাকৃতি ও বৃত্তাকারে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত কোষগুলোই হলো ক্রিস্টালাইন কোন কোষ। ক্রিস্টালাইন কোন হলো ক্রিস্টালাইন কোন কোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি শক্ত স্বচ্ছ আন্তঃকোষীয় গঠন। সাধারণত, দুটি প্রাথমিক রঞ্জক কোষ দিয়ে ক্রিস্টালাইন কোনটি ঘেরা থাকে। আটটি দর্শনকোষ নিয়ে গঠিত রেটিনুলা হলো ওমাটিডিয়ামের ভিত্তি অংশ। র‍্যাবডোম হলো রেটিনুলার কোষসমূহের কেন্দ্রে অবস্থিত একটি অক্ষীয় দণ্ডাকার গঠন। রেটিনুলার আবরণী কোষ হলো আইরিশ আবরণী পর্দার প্রলম্বিত অংশবিশেষ যা ওমাটিডিয়ামগুলোকে পৃথক করে রাখে। ওমাটিডিয়ামগুলো একত্রিতভাবে গুচ্ছাকারে একটি ভিত্তি পর্দার উপরে অবস্থান করে। প্রতিটি ওমাটিডিয়ামের নিচ প্রান্তে ভিত্তি পর্দা ভেদ করে এক গুচ্ছ দর্শন স্নায়ুতন্তু অবস্থিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং। উন্নত দর্শন কৌশল, শক্তিশালী স্যালটাটোরিয়াল পা এবং রক্ত সংবহনতন্ত্র এদেরকে বাস্তুতন্ত্রে টিকে থাকার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী করে তুলেছে।

সংবেদী অবদানের ক্ষেত্রে এদের উন্নত দর্শন কৌশল বা পুঞ্জাক্ষি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষি অসংখ্য ওমাটিডিয়া নিয়ে গঠিত। এই ওমাটিডিয়াগুলো আলোকে এমনভাবে গ্রহণ করে যে প্রাণীটি চারপাশের সব নড়াচড়া খুব দ্রুত এবং স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে এরা 'অ্যাপোজিশন' এবং স্তিমিত আলোতে 'সুপারপজিশন' প্রতিবিম্ব তৈরি করে। এই বিশেষ সংবেদী ক্ষমতার কারণে এরা দিনে ও রাতে দূর থেকেই শত্রুর উপস্থিতি টের পায় এবং দ্রুত সর্তক হতে পারে।
শারীরবৃত্তীয় অবদানের ক্ষেত্রে এদের মুক্ত ধরনের রক্ত সংবহনতন্ত্র উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এদের রক্ত বা হিমোলিম্ফ সরাসরি দেহের গহ্বরে প্রবাহিত হয় এবং প্রতিটি কোষের সংস্পর্শে আসে। এই সংবহনতন্ত্র শরীরের প্রতিটি অঙ্গে দ্রুত পুষ্টি উপাদান ও হরমোন পৌঁছে দেয়। যেহেতু এদের রক্ত সরাসরি কোষের সংস্পর্শে থাকে, তাই এটি বিপাকীয় কাজে খুব দ্রুত সহায়তা করে। এই দক্ষ অভ্যন্তরীণ শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার ফলে ঘাসফড়িং তার শক্তিশালী স্যালটাটোরিয়াল পা ব্যবহারের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিমাণ শক্তি পায়।
ঘাসফড়িংয়ের এই উন্নত দর্শন কৌশল শত্রুকে দ্রুত দেখতে সাহায্য করে এবং দক্ষ অভ্যন্তরীণ সংবহন পদ্ধতি দ্রুত পালিয়ে যেতে শক্তিশালী পা ব্যবহারের জন্য শরীরকে প্রস্তুত রাখে। তাই সংবেদী এবং শারীরবৃত্তীয় অবদান এই প্রাণীদের বাস্তুতন্ত্রে টিকে থাকার জন্য উপযোগী করে তুলেছে- উক্তিটি যথার্থভাবেই সঠিক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘একটি প্রাণী তার…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”