A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘একটি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি🔢 সৃজনশীল নং ১৯🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

একটি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলনীতি হলো “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়”। দেশটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার ৩২তম সদস্য।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

EU (European Union) হলো ইউরোপের একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জাতিসংঘ গঠনের অন্যতম দুটি উদ্দেশ্য হলো—

১. আন্তর্জাতিক শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা ও ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। 

২. আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিশ্বের সকল বিরোধ নিষ্পত্তি করা। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মূলত এ কাজ করে থাকে। এ পরিষদ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করে। এ চেষ্টা ব্যর্থ হলে তারা সামরিক শক্তিও প্রয়োগ করতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের নীতিটি অর্থাৎ ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়' হলো বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি।

এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে আলাপ-আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। আলাপ-আলোচনা যেকোনো বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান দিতে পারে। তাই শত্রুতা নয় বরং মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পারস্পরিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হলে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায়। 

বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূলকথা হলো পৃথিবীর সকল জাতির সাথে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলা। অন্যদিকে নিজেদের অধিকার ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও বাংলাদেশ পুরোপুরি সচেতন । বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ দেশ স্বার্থগত কারণে নানা ধরনের দ্বন্দ্ব-সংঘাতে জড়িত। এসব দেশ যদি শক্তি প্রয়োগ নীতি পরিহার করে বাংলাদেশের মতো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি গ্রহণ করে তবে দেশের ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই একটি উপযুক্ত ও কার্যকর সমাধান পেতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে নির্দেশকৃত আন্তর্জাতিক সংস্থা অর্থাৎ কমনওয়েলথের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ-এর সদস্যপদ লাভ করে। স্বাধীনতার পর থেকেই কমনওয়েলথের সাথে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যমগুলো বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করেছিল। কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশ খাদ্য, বস্ত্র, ঔষধ, আশ্রয় দান করেছিল।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিটেন ছিল বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টির প্রধান কেন্দ্র এবং দেশটি বাংলাদেশের জন্য সাহায্য তহবিল গঠন করেছিল । কমনওয়েলথ ও তার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সহায়তায় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। একনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ এর প্রতিটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে। এর নীতি ও কার্যক্রম বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করে। কলম্বো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য বাংলাদেশ সহযোগিতা করে। 

পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশ কমনওয়েলথের মূলনীতি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘একটি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)”