A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘এমন দিনে মানুষ…’ a – ঋতু বর্ণনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — ঋতু-বর্ণনা🔢 সৃজনশীল নং ৪🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

এমন দিনে মানুষ যে অন্যমনষ্ক হয় তার কারণ তার সকল মন তার চোখ আর কানে এসে ভর করে। আমাদের এই চোখ-পোড়ানো আলোর দেশে বর্ষার আকাশ আমাদের চোখে কী যে অপূর্ব স্নিগখ প্রলেপ মাখিয়ে দেয় তা বাঙালি মাত্রেই জানে। আজকের আকাশ দেখে মনে হয়, ছায়ার রঙের কোনো পাখির পালক দিয়ে বর্ষা তাকে আগাগোড়া মুড়িয়ে দিয়েছে, তাই তার স্পর্শ আমাদের চোষের কাছে এত নরম, এত মোলায়েম।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

চামর হচ্ছে পাখাবিশেষ, গরুর লেজ দিয়ে তৈরি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "বিচিত্র বসন অঙ্গে চন্দন চর্চিত।"- এ কথাটি বসন্ত ঋতু প্রসঙ্গে বলা হয়েছে।

➤ 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় ছয়টি ঋতু বর্ণনা করতে গিয়ে কবি বসন্ত ঋতুকে সর্বাধিক গুরুত্বসহকারে বর্ণনা করেছেন। কবি বলেছেন বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি নতুন রূপে সজ্জিত হয়। নতুন পাতা আর ফল-ফুলে ভরে যায় গাছপালা ও বনভূমি। গাছে গাছে পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয় চারদিকের পরিবেশ। সবকিছু মিলিয়ে মনে হয় যেন বসন্ত নানা রকম ফুলের মালা গলায় দিয়ে সজ্জিত হয়ে আনন্দচিত্তে রয়েছে। বিচিত্র বস্ত্র গায়ে দিয়েছে, আর তার অঙ্গে যেন সুগন্ধি চন্দন দিয়ে লেপন করা হয়েছে। কারণ বসন্তকালে নানা রকম ফুলের ঘ্রাণে চারদিক সুবাসিত হয়। তাই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। 

সারকথা: 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় ছয়টি ঋতু বর্ণনা করতে গিয়ে কবি বসন্ত ঋতুকে সর্বাধিক গুরুত্বসহকারে বর্ণনা করেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপকটি 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বর্ষা ঋতুর বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

➤ প্রকৃতির এক স্নিগ্ধ ঋতু হলো বর্ষা। বর্ষা ঋতু গ্রীষ্মের দাবদাহের পর প্রকৃতিতে নিয়ে আসে স্নিগ্ধতা। অবিরাম বর্ষণে অলস দুপুরে মানবমনে জন্ম নেয় নানা ভাব। প্রকৃতি সেজে ওঠে নতুন রূপ-রস-গন্ধে।

➤ 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় কবি ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে প্রকৃতির বিচিত্র রূপ অভিব্যক্ত হওয়ার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি অন্যান্য ঋতুর মতো বর্ষা ঋতুর বর্ণনাও দিয়েছেন। এ সময় মেঘ ঘন ঘন গর্জন করে। জল যেন নির্ভয়ে অবিরাম ধারায় পড়তে থাকে। এ সময় মনের মধ্যে নানা সুর বাজতে থাকে। মাদি ব্যাঙের ডাক, ময়ূরীর ডাক মানুষকে মুগ্ধ করে। কবিতার এ দিকটি অন্যভাবে উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে। বর্ষার দিনে স্নিগ্ধ জলধারার প্রবাহ এবং বৃষ্টির শব্দে মানুষ অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে। মানবমনে আনন্দের দোলা লাগে। বর্ষার আকাশ আমাদের চোখে অপূর্ব স্নিগ্ধ প্রলেপ লাগিয়ে দেয়। এরূপ বর্ষার বর্ণনা এ কবিতায় কবিও করেছেন। এভাবেই উদ্দীপকটি 'ঋতু বর্ণন' কবিতার বর্ষা ঋতুর বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

সারকথা: 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় যেমন বর্ষার স্নিগ্ধতার কথা বলা হয়েছে, উদ্দীপকেও বর্ষার স্নিন্ধতার কথা বলা হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "উদ্দীপকটি 'ঋতু বর্ণন' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

➤ প্রকৃতি আর মানবমনের রয়েছে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতির যেমন পরিবর্তন হয় তেমনই প্রকৃতি আর মানবমনের চাওয়া-পাওয়ারও পরিবর্তন হয়।

➤ 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় কবি প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্যের সঙ্গে মানবমনের সম্পর্ক ও প্রভাব তুলে ধরেছেন। তিনি ষড়ঋতুর বর্ণনার ভেতর দিয়ে প্রকৃতির রূপ-মাধুরী সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিয়েছেন। ষড়ঋতুর বৈচিত্র্য বাংলার নিসর্গ রূপকে যে কতটা সমৃদ্ধ করেছে তা কবিতা পাঠে অনুধাবন করা ও বোঝা যায়। এদিকে উদ্দীপকে কেবল বর্ষা ঋতুর রূপবৈচিত্র্য পরিলক্ষিত হয়।

➤ উদ্দীপকে বর্ষা ঋতুর স্নিগ্ধ রূপের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি 'ঋতু বর্ণন' কবিতাতেও বিদ্যমান। তবে কবিতায় বর্ষার পাশাপাশি অন্যান্য ঋতু গ্রীষ্ম, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তর বর্ণনা এবং এসব ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে মানবমনের প্রভাবিত হওয়ার দিকটিও রয়েছে, যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সারকথা: উদ্দীপকে কেবল বর্ষা ঋতুর বর্ণনা রয়েছে আর 'ঋতুর বর্ণনা' কবিতায় অন্যান্য ঋতুর বর্ণনা রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘এমন দিনে মানুষ…’ a – ঋতু বর্ণনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”