| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘ফাহিম সুন্দরবন ভ্রমণে…’ a – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

ফাহিম সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়ে দেখলো সুন্দরবনে তৃণাচ্ছাদিত কোনো ভূমি নেই। কিন্তু গাছের গোড়ায় অসংখ্য শিং আকৃতির উদ্ভিদাংশ বর্তমান। এ ধরনের জিনিস উপস্থিত থাকার কারণে সুন্দরবনের কর্দমাক্ত মাটিতে হাঁটা বেশ কষ্টসাধ্য। [যশোর বোর্ড ২০১৫]
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১২
মূল বাসস্থান তথা প্রাকৃতিক পরিবেশের বিবর্তনীয় গতিশীল ইকোসিস্টেমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পদ্ধতিই হলো ইন-সিটু কনজারভেশন।
বভাজক টিস্যুর দুইটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-
১. ভাজক টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম।
২. ভাজক টিস্যুর নিউক্লিয়াস বৃহদাকার, কোষের কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করে এবং এদের মধ্যে কোনো আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না।
উদ্দীপকে উল্লেখিত সুন্দরবনে পাওয়া যায় এমন তিনটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম লিখা হলো-
| সাধারণ নাম | বৈজ্ঞানিক নাম |
| ১. সুন্দরী | Heritiera fomes |
| ২. গোলপাতা | Nipa fruticans |
| ৩. গেওয়া | Excoecaria agallocha |
উদ্দীপকে উল্লেখিত ফাহিমের দেখা উদ্ভিদগুলোকে বলা হয় ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ। এ উদ্ভিদগুলো যে ধরনের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এ বনে অভিযোজিত হয়েছে নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
১. মাটির গভীরতার সাথে সাথে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়, তাই অধিকাংশ উদ্ভিদের মূলতন্ত্র মাটির খুব গভীরে না গিয়ে মাটির উপরের স্তরেই বিস্তৃত থাকে।
২. অধিক লবণাক্ত পানি শোষণ করতে অসুবিধা হয়, তাই বৃষ্টির সময় লবণাক্ততা কিছুটা কমে আসলে উদ্ভিদ দ্রুত পানি শোষণ করে তাদের প্যারেনকাইমা কোষে সঞ্চয় করে থাকে। এ কারণে এদের কান্ড, পাতা ও মূলকে কিছুটা রসালো দেখায়।
৩. জোয়ার-ভাটার সময় পানির টানকে সহ্য করে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য অনেক উদ্ভিদে স্তম্ভমূল বা ঠেসমূল থাকে।
৪. শ্বাসমূলের ভেতরে বায়ুকুঠুরী থাকে এবং সে কুঠুরীতে বায়ু (O₂) ধরে রাখতে পারে। শ্বাসমূলের কারণে মূল ও বাইরের সাথে গ্যাসের বিনিময় সহজ হয়।
৫. লবণাক্ত মাটিতে এবং জোয়ার-ভাটার স্থানে বীজ এক স্থানে টিকে থাকা কঠিন। তাই বহু উদ্ভিদে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয়।