A. Nayanㅤ
A. Nayan
19 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ফিলিস্তিনের মুসলিমদের ওপর…’ নটরডেম কলেজ ২০২৩ – আল, ইসলাম শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ইসলাম শিক্ষা📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ ইসলাম শিক্ষা🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — আল-হাদিস🔢 সৃজনশীল নং ৪০🏢 প্রতিষ্ঠান নটরডেম কলেজ📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ফিলিস্তিনের মুসলিমদের ওপর অত্যাচার করার খবরে পাশের দেশের মুসলিমরা সমবেত হয়ে প্রতিবাদ জানায়। সেখানে বক্তারা বলেন, চার মুসলিমরা একে অপরের ভাই। সে তার ভাইকে সুরক্ষা দেবে এবং প্রয়োজন পূরণ করবে। রসুল (সা.) বলেন, “মুমিনগণ তাদের পারস্পরিক সহানুভূতি প্রদর্শনের ব্যাপারে একই দেহের মতো।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মুত্তাফাকুন আলাইহি অর্থ যার ওপর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বুখারি ও মুসলিম শরিফের সম্মিলিত বর্ণনাকে মুত্তাফাকুন আলাইহি বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

হিংসা গুরুতর পাপ কাজ, যা ইসলামে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু রাসুল (সা.) দুটি উদ্দেশ্যে হিংসা করা যাবে বলে অনুমোদন দিয়েছেন। আর তা হলো-১. এমন ব্যক্তির ব্যাপারে হিংসা করা যাবে, যাকে আল্লাহ তায়ালা ধনসম্পদ দিয়েছেন— আর তিনি তা সৎ পথে ব্যয় করেন। ২. এমন ব্যক্তির ব্যাপারে হিংসা করা যাবে, যাকে আল্লাহ তায়ালা জ্ঞান দিয়েছেন- তিনি তা দ্বারা বিচার করেন এবং লোকদের শিক্ষা দেন। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখলে এ দুটো হিংসা নয় বরং ভালো কাজে অগ্রগামী হওয়ায় তীব্র আকাঙ্ক্ষা হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। এজন্য এ দুধরনের লোকের ব্যাপারে হিংসা তথা ঈর্ষা করা অনুমতি আছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ইসলাম গ্রহণ করার কারণে মুসলিমদের মধ্যে এক আদর্শিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সম্পর্ক হলো ইমানি ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দের 3 সম্পর্ক। তাই মুসলিমরা ভাই ভাই ।

মুসলমানগণ পরস্পর ভাই ভাই। তারা সকলে একই আদর্শে বিশ্বাসী, একই জীবনাদর্শের অনুসারী। ফলে পৃথিবীর যেকোনো স্থানেই 1 মুসলমান থাকুক না কেন সকলেই ইসলামি ভ্রাড়ত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। এতে দেশ, কাল, জাতি, বর্ণ ইত্যাদির কোনো ভেদাভেদ নেই । ধনী- গরিব, সাদা-কালো, আরব-অনারব সকল মুসলমানই পরস্পর ভাই- 7 ] ভাই। সুতরাং এক মুসলমানকে অন্য মুসলমানের প্রতি বেশকিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। যেমন— কোনো মুসলমান ভাইয়ের প্রতি কোনোরূপ অন্যায়-অত্যাচার করা যাবে না ও জুলুম- নির্যাতন করা যাবে না। বরং সর্বাবস্থায় তার সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। তার জান, মাল, ইজ্জত-সম্মান রক্ষা করতে হবে। শত্রুর মোকাবিলায় তাকে সাহায্য করতে হবে। তার শত্রুকে সাহায্য করা যাবে না। ছোট-বড় যেকোনো প্রয়োজনে অপর মুসলমান ভাইকে সাধ্যমতো সাহায্য করতে হবে। সামর্থ্য থাকলে ধন-সম্পদ ব্যয় করে তার সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায়, বুদ্ধি, পরামর্শ ও সৎ উপদেশের মাধ্যমে সাহায্য করতে হবে। এমনকি প্রয়োজনে দৈহিক পরিশ্রমের মাধ্যমেও তাকে সাহায্য করতে হবে।

বস্তুত নিজের সামর্থ্যানুযায়ী আন্তরিকভাবে অপর মুসলমান ভাইয়ের বিপদে এগিয়ে আসতে হবে। এতে আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্ট হন। তিনি স্বয়ং সাহায্যকারীকে সাহায্য করেন। তার সকল প্রয়োজন পূরণ করে দেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ক একই দেহের ন্যায় । ইসলামে সকল মুসলমান ভাই ভাই। মুসলমানগণ বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক, সে কালো হোক বা সাদা। ধনী হোক কিংবা গরিব সকলেই ভাই-ভাই ।

আল্লাহ তায়ালা বলেন- “মুমিনগণতো পরস্পর ভাই ভাই।” (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত ১০) রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “এক মুসলমান

অপর মুসলমানের ভাই।” (বুখারি)

বিশ্বের সকল মুসলমান ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ। তারা পরস্পরের প্রতি ভ্রাতৃত্বসুলভ আচরণ করবে। এটাই ইসলামের শিক্ষা। একটি হাদিসে মহানবি (সা.) মুসলমানদের এ ভ্রাতৃত্বের স্বরূপ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “তুমি মুমিনগণকে পারস্পরিক করুণা প্রদর্শন, সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ব্যাপারে একটি দেহের মতো দেখতে পাবে। যখন দেহের একটি অঙ্গ কষ্ট পায় তখন গোটা দেহই কষ্ট পায়।” (বুখারি ও মুসলিম)

ইসলামি ভ্রাতৃত্বের দাবি হলো একজন মুসলিম অপর মুসলিম ভাইয়ের সুখে সুখী এবং দুঃখে দুঃখী হবে । তার প্রয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতা' করবে। অপর মুসলিম ভাইয়ের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করবে। ঠিক তেমনিভাবে উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই; ফিলিস্তিনের মুসলিমদের ওপর অত্যাচার করার খবরে পাশের দেশের মুসলিমরা সমবেত হয়ে প্রতিবাদ জানায় । এটাই হলো ভ্রাতৃত্বের অন্যতম দাবি।

মুসলমানদের এ পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব হলো ইসলামি ভ্রাতৃত্ব। ফলে দুনিয়ার দূরতম প্রান্তে কোনো মুসলমান কষ্টে পতিত হলে অন্য মুসলমানও তার সমব্যথী হয়, তার সাহায্যে এগিয়ে আসে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ফিলিস্তিনের মুসলিমদের ওপর…’ নটরডেম কলেজ ২০২৩ – আল, ইসলাম শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র (এইচএসসি)”