A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — সুচেতনা🔢 সৃজনশীল নং ১৩🏢 প্রতিষ্ঠান সিলেট এমসি কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লার একটি গ্রামে একজন নারী যুদ্ধে ব্যবহৃত গ্রেনেডের খোলস ব্যবহার করে তা দিয়ে ফুল চাষ করে সাজিয়ে তুলেছেন একটি অনন্য সুন্দর বাগান। এ যেন যুদ্ধের ভয়াবহতার বিরুদ্ধে এক অভিনব প্রতিবাদ। ধ্বংস আর মানবিক বিপর্যয়ের বিপরীতে এ যেন এক স্নিগ্ধ, মানবিক পৃথিবীর অফুরান আহ্বান।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সুচেতনা' কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলই অনন্ত সূর্যোদয়"- বলতে কবি বুঝিয়েছেন- পৃথিবীব্যাপ্ত অন্ধকার অশুভর অন্তরালেই আছে মুক্তির দিশা সূর্য।
'সুচেতনা' কবিতায় কবি সুচেতনা অভিধায় মানুষের প্রার্থিত শুভচেতনাকে আহ্বান করেছেন। তাঁর দৃঢ়বিশ্বাস, পৃথিবীতে সংঘটিত যুদ্ধ, রক্তপাত, হানাহানি মানুষের হিংসা, বিদ্বেষ ও অহংকারের ফল। তবে এই যুদ্ধ তথা রক্তপাত চিরস্থায়ী নয়। দুঃখের শেষে যেমন সুখ, তেমনই, পৃথিবীর এই যুদ্ধ, রক্তপাত ও হানাহানির পরেও রয়েছে আলোকোজ্জ্বল মুক্তি। তিনি বিশ্বাস করেন, পৃথিবীব্যাপ্ত অন্ধকার বা অশুভর আড়ালে সুপ্ত আছে মুক্তির দিশা সূর্য। সুচেতনার বিকাশে অচিরেই তার দেখা মিলবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের নারীর সাথে 'সুচেতনা' কবিতার কবির সাম্য-সুন্দর পৃথিবী রচনার চেতনাগত মিল রয়েছে।
'সুচেতনা' কবিতায় কবির আরাধ্য সুচেতনা মানুষের অমানবিক কর্মকাণ্ডের দরুন বিপর্যস্ত। প্রেম, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়েও পৃথিবীতে অগণিত প্রাণহানি ঘটে। তবে এ দিকটিই পৃথিবীর শেষ সত্য নয়।
উদ্দীপকের নারীর কর্মকাণ্ডে সুস্থ ও মানবিক পৃথিবী গঠনের বার্তা ধ্বনিত হয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনে যুদ্ধে ব্যবহৃত গ্রেনেডের খোলস দিয়ে এ নারী ফুলের বাগান তৈরি করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি পৃথিবীকে যুদ্ধবিরোধী বার্তা দিতে চেয়েছেন। 'সুচেতনা' কবিতায়ও কবি পৃথিবীব্যপ্ত গভীর অসুস্থ বা বিপর্যয় থেকে মুক্তির জন্য সুচেতনার প্রার্থনা করেছেন। ইতিবাচক এ চেতনার আলো প্রজ্বালনের মাধ্যমেই সকল বিপর্যয় থেকে পৃথিবী' ও মানুষের মুক্তি ঘটবে। 'সুচেতনা' কবিতার কবির যুদ্ধবিরোধী চেতনার সাথে উদ্দীপকের নারীর কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'সুচেতনা' কবিতার যুদ্ধবিরোধী সুস্থ জীবনাকাঙ্ক্ষার কামনা ধ্বনিত হওয়ায় "উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার মূলভাবকে গভীরভাবে ধারণ করে"- মন্তব্যটি যথার্থ।
'সুচেতনা' কবিতার কবির বিশ্বাস- সুচেতনা দূরতর দ্বীপসদৃশ একটি ধারণা, যা পৃথিবীর নির্জনতায়, যুদ্ধে, রক্তে নিঃশেষিত নয়। চেতনাগত এই সত্তা বর্তমান পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করে একটি সাম্য ও সুন্দর পৃথিবী রচনা করবে।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার পশ্চিম তীরের অধিবাসী এক নারীর যুদ্ধবিরোধী কর্মকাণ্ড। যুদ্ধে ব্যবহৃত গ্রেনেডের খোলসে ফুল চাষ করে তিনি পৃথিবীকে যুদ্ধবিরোধী সাম্য ও সুন্দর পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। 'সুচেতনা' কবিতায় কবি মানুষের মধ্যে সুচেতনার উদয় কামনা করেছেন। পৃথিবীতে চলমান যুদ্ধ, হানাহানি রক্তপাত মানুষের হিংসা, বিদ্বেষ ও অহংকারেরই চূড়ান্ত রূপ। তাই কবি পৃথিবীতে সুচেতনাকে প্রার্থনা করেছেন।
উদ্দীপকের নারীর গ্রেনেডের খোলসে ফুল চাষের মধ্য দিয়ে শান্তি-সাম্য-সুন্দরের বার্তা ধ্বনিত হয়েছে, যা মানুষের সুচেতনারই ফল। 'সুচেতনা' কবিতায়ও কবির প্রত্যাশা মানুষের চেতনাগত এই সত্তা বর্তমান পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করে একটি সাম্য ও সুন্দর পৃথিবী রচনা করবে। পৃথিবীব্যাপ্ত অন্ধকার তথা অশুভর অন্তরালেই আছে মানবমুক্তির দিশা এই সুচেতনা। এর বিকাশেই আলোকোজ্জ্বল পৃথিবীর দেখা মিলবে, এটি কবির বিশ্বাস। উদ্দীপকের নারীরও বিশ্বাস কবির বিশ্বাসের অনুরূপ। তাই বলা যায় যে, "উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার কবিতার মূলভাবকেই গভীরভাবে ধারণ করে"- মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”