ফল পাকাতে, মাছ সংরক্ষণে এবং সবজিকে পোকামুক্ত রাখতে অসাধু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগ করেন। এসব রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের কারণে মানুষের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যেমন- কিডনি বিকল।
রেনাল ক্যাপসুল: বৃদ্ধ সম্পূর্ণরূপে এক ধরনের তন্ত্রময় আবরণ দিয়ে বেষ্টিত থাকে, একে রেনাল ক্যাপসুল বলে।
প্রতিটি বৃক্কে এক বিশেষ ধরনের নালিকা থাকে, যাকে ইউরিনিফেরাস নালিকা বলে। প্রতিটি ইউরিনিফেরাস নালিকা নেফ্রন এবং সংগ্রাহক বা - সংগ্রাহী নালিকা এই দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত। নেফ্রন মূত্র তৈরি করে আর সংগ্রাহী নালিকা রেনাল পেলভিসে মূত্র বহন করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গটি হলো বৃক্ক বা কিডনি। নিম্নে এর লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো-
পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হলে আমাদের নির্মল পরিবেশের সাথে সাথে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণও অপরিহার্য। বর্তমানে বাজারে খাদ্যে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর ও অস্বাস্থ্যকর রাসায়নিক দ্রব্য ভেজাল পদার্থ হিসেবে মিশিয়ে বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে মূলত বাণিজ্যিক রং, অ্যান্টিবায়োটিক, কীট ও বালাইনাশক, ফরমালিন, হেভি মেটাল। উল্লেখযোগ্য। যেসব মাছ, গৃহপালিত পশু ও হাঁস-মুরগি ইত্যাদিকে অননুমোদিত দ্রব্য দিয়ে তৈরি খাদ্য খাওয়ানো হয় তা মানবশরীরের জন্য হুমকিস্বরূপ।
বাণিজ্যিক রং যা কাপড় কিংবা রঙের কাজে ব্যবহার করা হয় তা বিভিন্ন খাদ্য যেমন- আইসক্রিম, গোলা আইসক্রিম, লজেন্স, বেগুনি, বড়া ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। এসব খাবার ধীরে ধীরে যকৃতের কার্যকারিতা নষ্ট করে নানাবিধ রোগের কারণ হয়। ফরমালিনে ডুবানো মাছ, ফল ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যে পচন সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে না বলে কয়েকদিন টাটকা দেখা যায়। মাছের ফরমালিন রান্না করা হলেও থেকে যায় এবং মানবদেহে প্রবেশ। করে। এই বিষাক্ত পদার্থ নানা জটিল রোগের উপসর্গসহ ক্যান্সার পর্যন্ত সৃষ্টি করে। মজুদ খাদ্য ও সবজিতে ব্যবহৃত কীটনাশক খাদ্যের সাথে মানবদেহে প্রবেশ করে মানব স্বাস্থ্যে বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করছে। শিশুদের শরীরের বাড়ন্ত কোষে এগুলোর বিষাক্ততা বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এর ফলে শিশুরা নানারকম অসুস্থতার ভোগে এবং তাদের মনের বিকাশ ব্যাহত হয়।
উপরিউক্ত আলোচনায় স্পষ্ট যে, উদ্দীপকে খাদ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থগুলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
