A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ১০২🏢 প্রতিষ্ঠান ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যখন দুটি ভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীব ঘনিষ্ঠভাবে সহাবস্থানের ফলে পরস্পরের কাছ থেকে উপকৃত হয় তখন এ ধরনের সাহচর্যই হচ্ছে মিথোজীবিতা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Cnidaria পর্বের প্রাণীদের দেহের কেন্দ্রস্থলে অন্তঃত্বকের কোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত গহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে। একে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর বা পরিপাক সংবহন গহ্বরও বলা হয়ে থাকে। কারণ এ গহ্বরে Hydra-র পরিপাক, শোষণ, আত্তীকরণ কাজ সম্পন্ন হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-P-এর প্রক্রিয়াটি হলো Hydra-র মুকুলোদগম বা কুঁড়ি সৃষ্টি। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো-
এটি Hydra-র একটি সাধারণ প্রজনন পদ্ধতি। খাদ্যের প্রাচুর্যতার কারণে গ্রীষ্মকালে Hydra দেহে মুকুলোদগম ঘটায়। মুকুললোদগম প্রক্রিয়া নিম্নলিখিত ধাপে সংঘটিত হয়-
১. প্রক্রিয়ার শুরুতে দেহের মধ্যাংশ বা নিম্নাংশের কোনো স্থানের এপিডার্মাল ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে একটি ক্ষুদ্র স্ফীতি অংশের সৃষ্টি করে।
২. এটি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ফাঁপা, নলাকার মুকুল বা কুঁড়িতে পরিণত হয়। এতে ক্রমশ এপিডার্মিস, মেসোগ্লিয়া ও গ্যাস্ট্রোডার্মিস গঠিত হয়। মাতৃপ্রাণীর সিলেন্টেরন মুকুলের কেন্দ্রে প্রসারিত হয়।

৩. মুকুলটি মাতৃপ্রাণী হতে পুষ্টি গ্রহণ করে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবং শীর্ষপ্রান্তে মুখছিদ্র, হাইপোস্টোম ও কর্ষিকা গঠন করে।
৪. এসময় মাতৃপ্রাণী ও মুকুলের সংযোগস্থলে একটি বৃত্তাকার 'খাঁজের সৃষ্টি হয়; এ খাঁজটি ক্রমে গভীর হয়ে মুকুল তথা অপত্য হাইড্রাকে মাতৃপ্রাণী হতে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র Q হলো' নোমাটোসিস্ট কোষ এবং চিত্র R হলো হাইড্রার হামাগুড়ি বা লুপিং চলন। হাইড্রার হামাগুড়ি চলন নেমাটোসিস্ট কোষের উপর নির্ভরশীল। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হলো-
পতঙ্গের ক্যাটারপিলার লার্ভার মতো লুপ বা ফাঁস গঠন করে Hydra-র চলনকে লুপিং বা হামাগুড়ি বা শুঁয়াপোকা চলন বলে। এ পদ্ধতির শুরুতে Hydra দেহকে উলম্বভাবে উপরের দিকে সর্বোচ্চ প্রসারিত করে এবং গতিপথের দিকে দেহকে বাঁকিয়ে কর্ষিকা দ্বারা চলনতলকে আঁকড়ে ধরে। এতে একটি ফাঁস বা লুপ গঠিত হয়। কর্ষিকায় বিদ্যমান গ্লুটিন্যান্ট নেমাটোসিস্ট চলনতলকে আঁকড়ে ধরতে সহায়তা করে। এরপর পদচাকতিকে মুক্ত করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে মুখের কাছাকাছি এনে স্থাপন করে এবং কর্ষিকাগুলো বিমুক্ত করে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এ পদ্ধতিতে প্রতিবার চলনে একটি লুপ তৈরি করে Hydra. তার দেহের দৈর্ঘ্যের অর্ধেক দূরত্ব অতিক্রম করে। এভাবে একই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে Hydra লম্বা দূরত্ব অতিক্রম করে।

উল্লেখিত আলোচনা থেকে লক্ষ করা যায় যে কর্ষিকায় বিদ্যমান নেমাটোসিস্ট চলনতলকে আঁকড়ে ধরতে এবং সোজা হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বলা যায় যে, হাইড্রার হামাগুড়ি চলনে নেমাটোসিস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”