| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
যে সংবহনে রক্ত হৃৎপিন্ডের ডান ভেন্ট্রিকল থেকে ফুসফুসে পৌঁছায় এবং ফুসফুস থেকে বাম অ্যাট্রিয়ামে ফিরে আসে তাই পালমোনারি সংবহন।
বাম নিলয়ের প্রাচীর অপেক্ষাকৃত পুরু। হৃৎপিন্ডের বাম নিলয়ের প্রাচীর ডান নিলয়ের প্রাচীর অপেক্ষা পুরু হওয়ার কারণ-হৃৎপিণ্ডের ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে রক্ত প্রেরিত হয় এবং এটি হৃৎপিন্ডের খুব নিকটে অবস্থিত বলে খুব কম শক্তি প্রয়োগ করা লাগে। অন্যদিকে হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে সমগ্রদেহে রক্ত প্রেরিত হওয়ার কারণে অনেক বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। ফলে সমপরিমাণ রক্ত প্রেরণ করলেও ডান নিলয় থেকে বাম নিলয়ের বেশি কাজ করতে হয়। এ কর্মদক্ষতার তারতম্যের কারণে বাম নিলয়ের প্রাচীরের অঙ্গসংস্থানিক পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ বাম নিলয়ের প্রাচীর ডান নিলয়ের প্রাচীর অপেক্ষা অধিক পুরু হয়।
বাম নিলয়ের প্রাচীর অপেক্ষাকৃত পুরু। হৃৎপিন্ডের বাম নিলয়ের প্রাচীর ডান নিলয়ের প্রাচীর অপেক্ষা পুরু হওয়ার কারণ-হৃৎপিণ্ডের ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে রক্ত প্রেরিত হয় এবং এটি হৃৎপিন্ডের খুব নিকটে অবস্থিত বলে খুব কম শক্তি প্রয়োগ করা লাগে। অন্যদিকে হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে সমগ্রদেহে রক্ত প্রেরিত হওয়ার কারণে অনেক বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। ফলে সমপরিমাণ রক্ত প্রেরণ করলেও ডান নিলয় থেকে বাম নিলয়ের বেশি কাজ করতে হয়। এ কর্মদক্ষতার তারতম্যের কারণে বাম নিলয়ের প্রাচীরের অঙ্গসংস্থানিক পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ বাম নিলয়ের প্রাচীর ডান নিলয়ের প্রাচীর অপেক্ষা অধিক পুরু হয়।
উদ্দীপকে চিত্র M দ্বারা হৃৎপিন্ডের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এনজিওপ্লাস্টি এবং চিত্র-N দ্বারা কৃত্রিম পেসমেকার স্থাপন পদ্ধতিকে বুঝানো হয়েছে। এই পদ্ধতি দুটি যখন যেভাবে ব্যবহার করা হয় তা নিচে ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হলো-
এনজিওপ্লাস্টি : হৃৎপিণ্ডের ধমনি সরু হয়ে গেলে বা চর্বি দ্বারা ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
করোনারি হৃদরোগের অন্যতম প্রধান রোগ সৃষ্টি হয় করোনারি ধমনিতে। ধমনির ভেতর ব্লক সৃষ্টি হলে পর্যাপ্ত সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপেশিতে সংবহিত হতে পারে না। ফলে হার্ট ফেইলিউর ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমন মারাত্মক অবস্থা মোকাবিলায় এনজিওপ্লাস্টি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
এনজিওপ্লাস্টি ধরনের চিকিৎসা লুমেন থেকে ব্লক অপসারণ বা হ্রাস করতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা উপশম হয়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে জীবন রক্ষায় অবদান রাখে। যেহেতু বুক উন্মুক্ত করতে হয় না সেহেতু কষ্ট, সংক্রমণ ও দীর্ঘকালীন সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না। বেলুন ও স্টেস্ট পদ্ধতি একই সাথে ব্যবহার করলে প্লাক এর পুনরাবির্ভাবের সম্ভাবনা কমে যায়। মাত্র এক থেকে কয়েক ঘণ্টায় জীবন রক্ষাকারী এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে এবং কয়েকদিন পর থেকেই হালকা কাজকর্ম করা সম্ভব।
কৃত্রিম পেসমেকার হৃৎপিন্ডে বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিভাবে হৃদস্পন্দন সম্পন্ন হয়। এ প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হলে দেহে কম্পিউটারাইজড বৈদ্যুতিক যন্ত্র তথা কৃত্রিম পেসমেকার স্থাপন করা হয়। অসুস্থ ও দূর্বল হৃৎপিন্ডে বিদ্যুৎ তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্বাভাবিক স্পন্দন হার ফিরিয়ে আনার ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বুকে বা উদরের চামড়ার নিচে পেসমেকার নামক এই ছোট যন্ত্রকে স্থাপন করা হয়। একটি লিথিয়াম ব্যাটারি, কম্পিউটারাইজড জেনারেটর ও শীর্ষে সেন্সরযুক্ত কতগুলো তার নিয়ে একটি পেসমেকার গঠিত হয়। সেন্সরগুলোকে, ইলেকট্রোড' বলে। ব্যাটারি জেনারেটরকে শক্তি সরবরাহ করে। এ দুটি জিনিস একটি পাতলা ধাতব বাক্সে আবৃত থাকে। তারগুলোর সাহায্যে জেনারেটরকে হৃৎপিণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ইলেকট্রোডগুলো হৃৎপিন্ডের বৈদ্যুতিক কর্মকাণ্ড শনাক্ত করে তারের মাধ্যমে জেনারেটরে প্রেরণ করে। যখন পেসমেকারটি হৃদস্পন্দন খুঁজে না পায়, তখন এটি সংক্ষিপ্ত ক্ষুদ্র ভোল্টের স্পন্দন দ্বারা নিলয়কে উত্তেজিত করে গতি সঞ্চার করে। ফলে হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক থাকে।