A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ফটোবায়োন্ট ও মাইকোবায়োন্ট…’ a – শৈবাল ও ছত্রাক, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — শৈবাল ও ছত্রাক🔢 সৃজনশীল নং ২🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ফটোবায়োন্ট ও মাইকোবায়োন্ট নামক দুটি জীবীয় উপাদান সম্মিলিতভাবে ধূসর বা সাদা অথবা কমলা-হলুদ বর্ণের সমাঙ্গদেহী এমন একটি জীবগোষ্ঠী উৎপন্ন করে যাদেরকে পরিবেশ দূষণ নির্দেশকও বলা হয়।   [চট্টগ্রাম কলেজ ]

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

শৈবালের ভিন্ন দেহে বিপরীত যৌনধর্মী জনন কোষ সৃষ্টি হলে তাকে টোরোথ্যালিক বা ভিন্নবাসী শৈবাল বলে। যেমন-Ulothrix.

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ব্যাসিডিওমাইসিটিস শ্রেণির ছত্রাকের ফ্রুটবডিকে ব্যাসিডিওকার্প বলে। পরিণত ব্যাসিডিওকার্প দুটি অংশে বিভেদিত। যথা- স্টাইপ ও পাইলিয়াস।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে প্রথমোক্ত প্রকৃতির জীবীয় উপাদানটি হলো শৈবাল। নিচে শৈবালের অযৌন জনন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-

শৈবালের স্পোর সৃষ্টির মাধ্যমে অযৌন জনন ঘটে থাকে। অযৌন জননের একক হলো রেণু বা স্পোর। বিভিন্ন ধরনের রেণু তৈরির মাধ্যমে যে জনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে অযৌন জনন বলা হয়। যে কোনো একটি অঙ্গজ কোষ স্পোরাঞ্জিয়াম হিসেবে কাজ করে এবং এক থেকে অসংখ্য স্পোর তৈরি করে। স্পোর ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট ও সচল হলে তাকে চলরেণু বা জুস্পোর বলে। যেমন- Ulothrix। জুস্পোরগুলো সাধারণত ২৪ ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অধিক ফ্ল্যাজেলা থাকতে পারে। স্পোর ফ্ল্যাজেলাবিহীন নিশ্চল হলে তাকে অচলরেণু বা অ্যাপ্ল্যানোস্পোর বলে। যেমন- Microspora। চরম প্রতিকূল পরিবেশে অর্থাৎ দীর্ঘ শুদ্ধ পরিবেশে অ্যাপ্ল্যানোস্পোর পুরু প্রাচীরবেষ্টিত হলে তাকে হিপনোস্পোর বলে। মাতৃকোষের অনুরূপ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অচল রেণুকে অটোম্পোর বলে। যেমন- Chlorella। কতক শৈবালে কোষের পুরো প্রোটোপ্লাস্ট খাদ্য সঞ্চয় করে এবং পুরু প্রাচীর বেষ্টিত হয়, তখন তাকে অ্যাকাইনিটি বলে। অনুকূল পরিবেশে অ্যাকাইনিটি অঙ্কুরিত হয়ে নতুন শৈবালে পরিণত হয়, যেমন- Pithophora, Cladophora। ডায়াটম জাতীয় শৈবালে বিশেষ ধরনের রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটে। এদেরকে অক্সোস্পোর বলে। যেমন- Navicula।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ফটোবায়োন্ট ও মাইকোবায়োন্ট হলো যথাক্রমে শৈবাল ও ছত্রাক। জীব দুটি সম্মিলিতভাবে লাইকেন নামক উদ্ভিদ সৃষ্টি করে। লাইকেন উপকারভিত্তিক সম্পর্ক অর্থাৎ মিথোজীবীতার অনন্য উদাহরণ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

শৈবাল ও ছত্রাকের মিথোজীবিতামূলক সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট স্বয়ংসম্পূর্ণ থ্যালাস হলো লাইকেন। এক্ষেত্রে সহাবস্থানের ফলে উভয়ই কমবেশি উপকৃত হয়। ছত্রাক শৈবালকে ঘিরে রাখে। ফলে শৈবালের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় ও অত্যধিক আলো থেকে রক্ষা পায়। ছত্রাক সদস্যটি কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি বা জলীয় বাষ্প শৈবাল সঙ্গীকে প্রদান করে। শৈবাল এসব পদার্থ সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহার করে শর্করা খাদ্য তৈরি করে। ছত্রাক শৈবালের এ খাদ্যের অংশ বিশেষ শোষণ করে কৃতকার্যতার সাথে বেঁচে থাকে। ছত্রাক পরিবেশ থেকে খনিজ পুষ্টি ও পানি শোষণ করে এবং এর অংশবিশেষ শৈবাল গ্রহণ করে। ফলে উভয়েই উপকৃত হয়। লাইকেনের দেহ গঠনে ও শৈবালের প্রতিরক্ষায় ছত্রাক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। পক্ষান্তরে শৈবাল খাদ্য দিয়ে ছত্রাককে বাঁচিয়ে রাখে। এভাবেই তারা সহাবস্থান সৃষ্টি করে।

উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় লাইকেন শৈবাল ও ছত্রাকের উপকারভিত্তিক সম্পর্ক তথা মিথোজীবিতার অন্য উদাহরণ এবং এরূপ সহাবস্থানের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ লাইকেন প্রকৃতিতে টিকে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ফটোবায়োন্ট ও মাইকোবায়োন্ট…’ a – শৈবাল ও ছত্রাক, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”