A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘গোলকচন্দ্র বসু ও…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ৫৪🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপ-চারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষীদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের অংশ প্রজাপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীনমাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীল করকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তীতে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীনমাধব মৃত্যুবরণ করে ।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর নারান সিং।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ। এ উক্তি নবাব সিরাজউদ্দৌলা করেছিলেন যুদ্ধক্ষেত্রে ইংরেজ সৈন্যদের সামনে নিজেদের অবস্থান বিবেচনা করে।

পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের পক্ষে মোট সৈন্য ছিল প্রায় তিন হাজার। তারা অস্ত্র চালনায় সুশিক্ষিত ছিল সেই তুলনায় নবাবের পক্ষে সৈন্য সংখ্যা ছিল ৫০ হাজারের বেশি। ছোট-বড় মিলিয়ে ইংরেজদের কামান ছিল গোটা দশেক আর নবাবের পঞ্চাশটারও বেশি। এত বড় শক্তি নিয়েও ইংরেজদের বিরুদ্ধে পলাশির যুদ্ধে নবাবের মনে আশঙ্কা ও সন্দেহ ছিল। কারণ তাঁর মনে হয়েছে মিরজাফর, রায়দুর্লভ, ইয়ার লুৎফ খাঁ নিজেদের সেনাবাহিনী নিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে না। তাই মিরমদানের সন্ধ্যে যুদ্ধের নকশা নিয়ে পর্যালোচনার সময় তিনি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে নীলকরদের অত্যাচারের সঙ্গে ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত ইংরেজদের অত্যাচারের সাযুজ্য রয়েছে।

 

ইংরেজ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা তাঁর প্রজাদের উপর নানাভাবে অত্যাচার নির্যাতন করত। প্রজারা অল্প মূল্যে কোম্পানীর প্রতিনিধির কাছে লবণ বিক্রি করতো না বলে কোম্পানীর লোকজন তার বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দিত, তাদের সন্তান সম্ভবা স্ত্রীকে অত্যাচার করত, এমনকি হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করেনি।

 

উদ্দীপকে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষীদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি ইত্যাদির কথা বলা হয়েছে যা ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত ইংরেজদের অত্যাচারের সাদৃশ্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

“অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীনমাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাথা।” - উক্তিটি যথার্থ।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। তাঁর এই সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হওয়া পরিবার ও দরবারে অনেকের কাছেই ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা নবাবের বিরুদ্ধে রাজ গভীর চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। শাসনকার্য পরিচালনা করতে গিয়ে পথ নবাব এসব চক্রান্তকারীর অসহযোগিতার শিকার হন। সিরাজদৌল্লা ইংরেজদের সকল অত্যাচারের কথা জানতেন। নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোমল মানবীয় গুণাবলিতে আচ্ছন্ন হয়ে শাসনকার্যে কঠোর হতে পারেননি। তিনি শওকত ও মিরজাফরকে যথার্থ শাস্তি দেননি, ঘসেটি বেগমের প্রতিও ছিলেন স্বভাবজাত দুর্বল। আর তিনি নিজের বিশ্বাসঘাতক অমাত্যদের সরল মনে বিশ্বাস করেছিলেন। তাই 'তাঁর ভাগ্যে জুটেছে করুণ পরিণতি তথা মৃত্যু।

ঠিক তেমনি উদ্দীপকে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষীদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের অংশ প্রজাপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীনমাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীল করকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তীতে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীনমাধব মৃত্যুবরণ করে অর্থাৎ তারও নবাব সিরাজউদ্দৌলার মত করুন পরিণতি বরণ করে নিতে হয়।

তাই বলা যায়, “অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীনমাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাথা।” - উক্তিটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘গোলকচন্দ্র বসু ও…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”