A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ৩৭🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়। তিনি মটরশুঁটি গাছ নিয়ে গবেষণার সময় F2 জনুতে লম্বা ও খাটো গাছের অনুপাত ৩ : ১ পান। কিন্তু পরবর্তীতে এর অনেক ব্যতিক্রম বের হয়। অসম্পূর্ণ প্রকটতা এবং সমপ্রকটতা এরূপ দুটি ব্যতিক্রম, যেখানে আনুপাতিক হার সমান ।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সমসংস্থ ক্রোমোসোম জোড়ের নির্দিষ্ট লোকাসে অবস্থানকারী নির্দিষ্ট জিন জোড়ের একটি হলো অপরটির অ্যালিল।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একটি জিন যখন অন্য একটি নন-অ্যালিলিক জিনের কার্যকারিতা প্রকাশে বাধা দেয় তখন এ প্রক্রিয়াকে এপিস্ট্যাসিস বলে। যে জিনটি অপর জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয় সেই জিনকে এপিস্ট্যাটিক জিন বলে। আর যে জিনটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায় সে জিনটিকে হাইপোস্ট্যাটিক জিন বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত অনুপাতটি (৩ : ১) মেন্ডেলের ১ম সূত্রকে সমর্থন করে। গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির সূত্রাবলী আবিষ্কার করেন। তাঁর একটি বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে আবিষ্কৃত মৌলিক সূত্রটি হলো প্রথম সূত্র বা পৃথকীকরণ সূত্র। নিচে মেন্ডেলের প্রথম সূত্রটি ব্যাখ্যা করা হলো-

সংকর জীবে বিপরীত বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টরগুলো (জিনগুলো) মিশ্রিত বা পরিবর্তিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামেট সৃষ্টির সময় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামেটে প্রবেশ করে।

জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা: ধরা যাক, দীর্ঘ কাণ্ডবিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের জিনকে T এবং খাটো কাণ্ডবিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের জিনকে t ধরা হয় তাহলে মটরশুঁটি উদ্ভিদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের জিনোটাইপ হবে-

◉ বিশুদ্ধ (হোমোজাইগাস) দীর্ঘ কাণ্ডবিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদ = TT
◉ বিশুদ্ধ (হোমোজাইগাস) খাটো কাণ্ডবিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদ = tt
◉ সংকর (হেটারোজাইগাস) দীর্ঘ কাণ্ডবিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদ = Tt

দীর্ঘ কাণ্ডবিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের সাথে এবং খাটো কাণ্ডবিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের ক্রস বা প্রজনন ঘটানো হলে যে ফলাফল পাওয়া যায় তা নিচের ছকে উল্লেখ করা হলো-

ক্রসের ফলাফল :
F2 জনুতে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায় সৃষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের মধ্যে ৭৫% দীর্ঘ কাণ্ডবিশিষ্ট এবং ২৫% খাটো কাণ্ড বিশিষ্ট অর্থাৎ দীর্ঘ ও খাটো কাণ্ডবিশিষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩ : ১। F2 জনুতে সৃষ্ট মটরশুটি উদ্ভিদের জিনোটাইপিক অনুপাত - TT : Tt : tt = ১ : ২ : ১

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যতিক্রম দুটি হলো অসম্পূর্ণ প্রকটতা এবং সমপ্রকটতা যা মেন্ডেলের ১ম সূত্রের ব্যতিক্রম। উভয় ক্ষেত্রেই ফলাফলের আনুপাতিক হার ১ : ২ : ১ হয় তবে প্রকট জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে ভিন্নতা রয়েছে নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে পরস্পর বিপরিতধর্মী দুটি বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিন দুটির কোনোটিই সম্পূর্ণভাবে প্রকট না হয়ে সংকর জীবে হেটারোজাইগাস অবস্থায় উভয় বৈশিষ্ট্যের মাঝামাঝি একটি নতুন বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে। জিনের এ ধরনের বৈশিষ্ট্যের জন্য একে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলা হয়। সন্ধ্যামালতির ক্ষেত্রে এমনটা দেখা যায়। সন্ধ্যামালতির লাল ও সাদা ফুলের মধ্যে ক্রসের ফলে F1 জনুতে দুটি বৈশিষ্ট্যের মাঝামাঝি গোলাপি রঙের ফুল দেখা যায়।

কিন্তু সমপ্রকটতার ক্ষেত্রে দুটি বিপরীতধর্মী জিন সমভাবে কাজ করে। এক্ষেত্রে দুটি বিপরীত বৈশিষ্ট্যই প্রকাশিত হয়। আন্দালুসিয়ান মোরগ-মুরগির ক্ষেত্রে এমনটা দেখা যায়। কালো ও সাদা আন্দালুসিয়ান মোরগ-মুরগির ক্রসে F1 জনুতে কালো বা সাদা রঙের মোরগ-মুরগির পরিবর্তে কালোর মাঝে সাদা রঙের ছোপযুক্ত মোরগ-মুরগি দেখা যায়। এটি বিপরীত দুটি জিন সমভাবে প্রকাশের ফলে হয়ে থাকে।

তাই বলা যায়, অসম্পূর্ণ প্রকটতা ও সমপ্রকটতার ক্ষেত্রে প্রকট জিনের প্রকাশে ভিন্নতা রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”