A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা,…’ সিলেট বোর্ড ২০১৭ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৩🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক

গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নিউক্লিক অ্যাসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণক্ষম সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাই হলো ভিরিয়ন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ডেঙ্গু একটি ফ্ল্যাভিভাইরাস জনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয়। হিমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে দাঁতের মাড়ি, নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ হতে পারে। রক্তে অনুচক্রিকা খুব কমে যায়। যথোপযুক্ত চিকিৎসা না হলে রোগী মারাও যেতে পারে। এসকল কারণে ডেঙ্গু মানুষের জন্য বিপদজনক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত B অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। নিচে একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়া কোষের চিহ্নিত চিত্র অংকন করা হলো-

চিত্র: একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষ

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব হলো ভাইরাস। ভাইরাসের জীবীয় বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হলো সজীব কোষের অভ্যন্তরে এরা বংশবৃদ্ধি করে। যেমন, T₂ ফায ভাইরাস E. coli ব্যাকটেরিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। ভাইরাস তথা T2 ফায এর বংশ বিস্তার বিশ্লেষণ করলে সহজেই বোঝা যায় এরা বংশ বিস্তারের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল। T₂ ফাযের বংশ বিস্তার-

সংক্রমণ পর্যায়: ব্যাকটেরিয়া কোষের সংস্পর্শে আসা হতে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি। স্পর্শক তন্তুর সাহায্যে এটি E.coli ব্যাকটেরিয়ামের গায়ে লেগে যায়। লেগে থাকা স্থানের কোষ প্রাচীর ছিদ্র হয়ে যায় এবং ভাইরাস শুধুমাত্র তার জেনেটিক বস্তু (DNA) ব্যাকটেরিয়াম কোষে অন্তঃক্ষেপ দ্বারা প্রবেশ করিয়ে দেয়।

সংখ্যাবৃদ্ধি পর্যায়: ভাইরাস DNA ও প্রোটিন আবরণ গঠন এবং নতুন ভাইরাস গঠন পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি। অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের এনজাইমকে সংগঠিত করে অনেক নতুন ভাইরাস DNA এবং সেই সাথে প্রোটিন আবরণ তৈরি করে। শেষ পর্যায়ে DNA ও প্রোটিন আবরণ মিলে নতুন ভাইরাস সৃষ্টি করে।

বিগলন পর্যায়: ব্যাকটেরিয়ামের কোষ প্রাচীর ছিন্ন করে নতুন ভাইরাসগুলোর বের হয়ে আসাকে বিগলন পর্যায় বলে। এভাবে মাত্র ৩০ মিনিট সময়ের মধ্যে ৩০০ নতুন ভাইরাস সৃষ্টি হতে পারে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ভাইরাস সর্বদাই অন্যের সহায়তায় অর্থাৎ E. coli ব্যাকটেরিয়ার সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা,…’ সিলেট বোর্ড ২০১৭ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”