| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘’হাজার বছর ধরে’…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৪ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসে বর্ণিত উনি চেরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামীর সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও স্বামী তামাশা করতেই তার বেশি ভালো লাগতো। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংঘারের সুখ তার কপালে জোটেনি।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ২
তানুববি
বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ এখানে মজিদ উক্তিটি করেছেন। মজিদ একজন ধর্ম প্রতারক হলেও এই লালসালু মাজারকে এমন ভাবে উপস্থাপনা করেন যেন মানুষ মনে করেন যে লালসালু মাজারটি সত্য। এজন্য তার লালসালু মাজারের প্রতি বিশ্বাসকে খোদাই করা তুলনা করেছেন।
উদ্দীপকের টুনির সাথে লালসালু উপন্যাসের জমিলার সাদৃস্যপূর্ণ।
লালসালু উপন্যাসে মজিদের বয়স অনেক বেশি কিন্তু জমিলার বয়স অনেক কম । ফলে জমিলা বাচ্চা স্বরূপ আচরণ করত। যেটা মসজিদ অপছন্দ করতো। এটা মূলত বয়সের পার্থক্যের কারণে হয়েছে। ফলে জমিলা মজিদের সাথে অনেক খারাপ খারাপ আচরণ করতো যা মসজিদকে স্বামী ও সংসার শান্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
একইভাবে উদ্দীপকের টুনির বয়সও অল্প কিন্তু স্বামীর বয়স অনেক বেশি। বয়সের ব্যবধানের জন্য টুনি তার স্বামীকে অপছন্দ করতো।ফলে খারাপ আচরণ মধ্য দিয়ে তাদের সংসার সুখী হয়নি। সুতরাং বলা যায় জমিলা এবং উদ্দীপকের টুনি একই চরিত্র বহন করে।
টুনি এবং জমিলা চরিত্র দুটি সামাজিক দৃষ্টিতে কুসংস্কার। কেননা বিবাহ মানুষের মৌলিক অধিকার কিন্তু বয়সের একটা পার্থক্য থাকা দরকার। ক্ষমতা এবং টাকার মোহে বয়সের ব্যবধান করাটা অন্যায়। যেটা জমিলা এবং টুনির ক্ষেত্রে করা হয়েছে। বয়সের ক্ষেত্রে সমতা না হলে সংসারে শান্তি আসবে না। যার প্রতিফলন ঘটেছে জমিলা এবং টুনির চরিত্রের মধ্য দিয়ে। দেখা যায় জমিলা স্বামী মসজিদের সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করত। থুতু মারতো, নামাজ পড়তো না ,আবার কথা শুনতো না।
অন্যদিকে উদ্দীপকের টুনিও বয়স্ক স্বামীর সাথে বাঁচ্চা স্বরূপ আচরণ করতো। তাকে স্বামীর মর্যাদা দিতো না। ফলে সংসার অগোছালো হয়েছে। এদের মূল কারণ বিয়ের ক্ষেত্রে বয়সের পার্থক্য ।
সুতরাং বলা যায় টুনি এবং জমিলা চরিত্র দুটি সামাজিক দৃষ্টিতে কুসংস্কার।