| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ…’ যশোর বোর্ড ২০২৩ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপাদমস্তক একজন দেশপ্রেমিক। যুগ যুগ ধরে শোষিত নিপীড়িত বাঙালিকে তিনিই মুক্তির স্বাদ নিতে পেরেছিলেন। দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে বহুবার কারাবরণ করেছেন তিনি। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে। অথচ নিজ ঘরের দরজায় পরিচিত কয়েকজনকে হন্তারকের ভূমিকায় দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
সিকানদার আবু জাফর সম্পাদিত সাহিত্য- পত্রিকার নাম সমকাল।
নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পরে, ঘসেটি বেগম চেষ্টা করছিলেন দ্বিতীয় বোন শাহ বেগমের পুত্র শওকত জঙ্গকে সিংহাসনে বসানোর। কিন্তু সিরাজউদ্দৌলা বাংলার ক্ষমতা আরোহণ করতে সমর্থ হন। অবশেষে, তিনি নবাব আলীবর্দী খানের সেনাপতি মীর জাফর, ব্যবসায়ী জগৎ শেঠ এবং উমিচাঁদের সঙ্গে গোপনে ষড়যন্ত্র করেন। পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন এবং ইংরেজরা মীর জাফরকে নবাব বানান।
দেশের জন্যে আত্মত্যাগ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নবাব সিরাজউদ্দৌলার তুলনা নিন্মরুপ।
বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একে অপরের পরিপূরক। বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের স্রষ্টা শেখ মুজিবুর রহমানের পুরো জীবনই সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের রাজনীতি।
নাটকের প্রধান চরিত্র বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলা। তিনি দেশপ্রেমিক বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অদম্য সংগ্রামী মানুষ। কিন্তু তিনি ছিলেন দেশি-বিদেশি লোকদের ষড়যন্ত্রের শিকার। বৈরি পরিস্থিতিতেও তিনি ছিলেন লড়াইরত গণমানুষের প্রেরণার উৎস। উদ্দীপকে আমাদের বাঙালি জাতির নেতা বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম, বাঙালির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশিত। তিনি ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সামনে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। সেটাই ছিলো মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণাপত্র। অন্যদিকে ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পলাশির যুদ্ধে অন্যায়ভাবে পরাজিত নবাব মুর্শিদাবাদে গিয়ে উপস্থিত জনতাকে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে রুখে দেওয়ার জন্য, স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়াইয়ের আহ্বান জানান।
উদ্দীপকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং নাটকের সিরাজউদ্দৌলা উভয়ের মধ্যে রয়েছে অগাধ দেশ প্রেম এবং উভয়ের চরিত্রেই ফুটে ওঠে দেশের জন্য দেশমাতার জন্য আত্মত্যাগ।
দেশের জন্যে আত্মত্যাগ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নবাব সিরাজউদ্দৌলার তুলনা নিন্মরুপ।
বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একে অপরের পরিপূরক। বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের স্রষ্টা শেখ মুজিবুর রহমানের পুরো জীবনই সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের রাজনীতি।
নাটকের প্রধান চরিত্র বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলা। তিনি দেশপ্রেমিক বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অদম্য সংগ্রামী মানুষ। কিন্তু তিনি ছিলেন দেশি-বিদেশি লোকদের ষড়যন্ত্রের শিকার। বৈরি পরিস্থিতিতেও তিনি ছিলেন লড়াইরত গণমানুষের প্রেরণার উৎস। উদ্দীপকে আমাদের বাঙালি জাতির নেতা বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম, বাঙালির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশিত। তিনি ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সামনে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। সেটাই ছিলো মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণাপত্র। অন্যদিকে ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পলাশির যুদ্ধে অন্যায়ভাবে পরাজিত নবাব মুর্শিদাবাদে গিয়ে উপস্থিত জনতাকে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে রুখে দেওয়ার জন্য, স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়াইয়ের আহ্বান জানান।
উদ্দীপকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং নাটকের সিরাজউদ্দৌলা উভয়ের মধ্যে রয়েছে অগাধ দেশ প্রেম এবং উভয়ের চরিত্রেই ফুটে ওঠে দেশের জন্য দেশমাতার জন্য আত্মত্যাগ।