A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘হাজী মুহাম্মদ মহসিন…’ মাইলস্টোন কলেজ ২০২৬ – জীবন ও বৃক্ষ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ১৪তম অধ্যায় — জীবন ও বৃক্ষ🔢 সৃজনশীল নং ১০🏢 প্রতিষ্ঠান মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

হাজী মুহাম্মদ মহসিন একজন দানশীল ব্যক্তি ছিলেন। বাংলার সাধারণ মানুষদের মঙ্গল ও কল্যাণ সাধনের জন্য নিজের সমস্ত সম্পত্তি মানবকল্যাণের জন্য ব্যয় করেছেন। দানশীলতার জন্য লোকে তাকে দানবীর বলে। তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত সমাজসেবক ছিলেন তিনি। জনহিতকর নানা কাজে জীবন সমর্পণ করেছিলেন তিনি।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি 'সংস্কৃতি-কথা' গ্রন্থের অন্তর্গত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয় বলে আমাদের বারবার বৃক্ষের দিকে তাকানো প্রয়োজন।
পরার্থে আত্মনিবেদিত, বিবেকবোধসম্পন্ন মানবজীবনের মহত্তম প্রত্যাশা থেকে প্রাবন্ধিক মানুষের জীবন কাঠামোকে বৃক্ষের সাথে তুলনা করেছে। বৃক্ষের বিকাশ পূর্ণতা পায় অপরের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে। বৃক্ষ নীরব সাধনা করে বিকশিত হয়। ফুলে-ফলে পূর্ণতা পায়, সেই ফুল-ফল দিয়ে বৃক্ষ অন্যের সেবায় আত্মনিয়োগ করে। বৃক্ষের সমুদয় অর্জন সে অন্যের কল্যাণে অকপটে দান করে। তাই পরার্থপর, মানবজীবনের প্রত্যাশায় আমাদের বারবার বৃক্ষের দিকে তাকানো প্রয়োজন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের পরার্থপর মনোভাবের দিকটির প্রতিনিধিত্ব করে।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক পরার্থপর মানবজীবনের সঙ্গে বৃক্ষের তুলনা করেছেন। বৃক্ষের বৃদ্ধি ও বিকাশে তার নীরব সাধনার ভূমিকা অপরিসীম। আর তার সমুদয় অর্জনই মানবকল্যাণে নিবেদিত।
উদ্দীপকে বাংলার দানবীর হাজী মুহাম্মদ মহসিনের পরার্থপর মনোভাবের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। মহসিন তাঁর জীবনের সমুদয় উপার্জন মানৱকল্যাণে ব্যয় করে পরার্থপরতার অনিন্দ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও লেখক বৃক্ষের পরার্থপরতার দিকটি গুরুত্বের সাথে বর্ণনা করেছেন। বৃক্ষের নীরব সাধনার সমুদয় অর্জন- ফুল, ফল, ছায়া মানবকল্যাণে অকাতরে অর্পণ করে। যা তার প্রাপ্তি তা-ই তার দান। পরার্থপর মনোভাবের এই দিকটি উদ্দীপকের মহসিনের পরার্থপরতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের হাজী মুহাম্মদ মহসিনের পরার্থপর মনোভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের পরার্থে জীবন উৎসর্গ করার দিকটিকে গুরুত্বারোপ করায় "উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ত্যাগের মহিমাকেই প্রকাশ করেছে" মন্তব্যটি যথার্থ।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের পরার্থপর মনোভাবকে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছেন। কেবল বিকাশেই তার পূর্ণতা নয়, তার সমুদয় অর্জন অন্যের কল্যাণে উজাড় করে দেওয়ার মাঝেই তার জীবনের পূর্ণতা। তাই বৃক্ষের দিকে তাকালে আমরা জীবনের মর্ম উপলব্ধি করতে পারি।
উদ্দীপকের হাজী মুহাম্মদ মহসিনও পরার্থে আত্মনিবেদিত একজন মহৎপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তিনি তাঁর জীবনের সমুদয় অর্জন মানবকল্যাণে উৎসর্গ করার মধ্যেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পেয়েছিলেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও লেখক দেখিয়েছেন বৃক্ষের প্রাপ্তি ও দানে কোনো কার্পণ্য নেই। তার জীবনের সমুদয় অর্জন দিয়ে সে অন্যের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ।

উদ্দীপকের হাজী মুহাম্মদ মহসিনের কর্মকাণ্ডে পরার্থে ত্যাগ স্বীকারের বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও লেখক বৃক্ষের অন্যের জন্য ত্যাগ স্বীকারের বহুমাত্রিক দিক তুলে ধরেছেন। মাটি থেকে রস টেনে বৃক্ষ নীরব সাধনার মাধ্যমে ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়। বৃক্ষ এই সাধনার ধন মানবকল্যাণে ত্যাগ করে। তাই উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ত্যাগের মহিমাকেই প্রকাশ করেছে” মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘হাজী মুহাম্মদ মহসিন…’ মাইলস্টোন কলেজ ২০২৬ – জীবন ও বৃক্ষ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”