| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে…’ a – বাঙালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।
হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-
তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি
পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ
পরদেশ, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহুদিন সুখ পরিহরি।
………….. …………… ………………..
কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন!
……………. ………………. ……………….
পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে
মাতৃভাষা-রূপে খনি, পূর্ণ মণিজালে।
✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
বাংলা সাহিত্য বাংলার ভরসা।
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
- 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক নব্য লেখকের হাতে প্রমাণ থাকার কথা বলেছেন।
- 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক রচনার বস্তুনিষ্ঠতার ওপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। যে কথার প্রমাণ নেই লেখক তা লিখতে নিষেধ করেছেন। লেখার প্রয়োজনে অনেক কথাই রচনায় আনতে হয়। তবে যুক্তি-প্রমাণহীন কোনো কথাই রচনায় যুক্ত করা ঠিক নয় বলে লেখক মনে করেছেন। আর এ ক্ষেত্রে তিনি প্রমাণ থাকার কথা বলেছেন।
সারকথা: যে বিষয়ে লেখক সাহিত্যে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করবেন তার এ সঠিক প্রমাণ হাতে থাকতে হবে। প্রয়োগ
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
- উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা না করা এবং নিজ ভাষায় সাহিত্য রচনা করার দিকটিকে নির্দেশ করে।
- প্রত্যেক সাহিত্যিকের উচিত মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করা। যাতে তিনি সাহিত্যের মাধ্যমে সাধারণের দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা না করলে তাতে দেশের সাধারণ মানুষ সাহিত্যের রস লাভ থেকে বঞ্চিত থাকে।
- উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখা যায়, কবি তাঁর মাতৃভাষাকে অবহেলা করে অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন। কিন্তু তিনি তাতে খ্যাতি লাভ করতে পারেননি। অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা কবির কাছে ভিক্ষাবৃত্তির মতো মনে হয়েছে। তিনি মনে করেন, নিজ ভাষাকে অবহেলা করে অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করার মানে হলো- ফুল ছেড়ে শৈবাল নিয়ে খেলা করা। মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করার গুরুত্বের দিকটি আলোচা প্রবন্ধেও প্রকাশ পেয়েছে। প্রাবন্ধিকের মতে, বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা ঠিক নয়। তাতে পাঠক বিরক্ত হন এবং রচনা উৎকর্ষ হারায়। তাই মাতৃভাষায় সহজ-সরলভাবে সাহিত্য রচনা করা উচিত। তিনি মনে করেন, অন্যান্য ভাষার কোটেশনও সাহিত্যের মানকে নষ্ট করে দেয়। তাই। বলা যায় যে, উভয় স্থানে বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা না করে মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করার দিকটি নির্দেশিত হয়েছে।
সারকথা: নিজের ভাষায় সাহিত্যসাধনা করা উচিত, বিদ্যা জাহির করার চেষ্টা করা উচিত নয়। উদ্দীপক ও প্রবন্ধে এই কথাই বলা হয়েছে।
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
- "উদ্দীপকের কবিতাংশের ভাব আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে"- উক্তিটি যথার্থ।
- মাতৃভাষার মাধ্যমে মানুষ যথাযথ ও সুন্দরভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। কারণ মাতৃভাষা সর্বসাধারণের বোধগম্য। তাই সবার উচিত মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করা।
- উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে বলা হয়েছে, জোর করে বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা উচিত নয়। মাতৃভাষা ছাড়া অন্যান্য ভাষা সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য হয় না। তাই একজন সাহিত্যিক তখনই সাফল্য লাভ করেন যখন তিনি মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করেন। এই বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নতুন লেখকদের কয়েকটি বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে বলেছেন। যেমন- যশ বা খ্যাতির জন্য না লেখা, অর্থের জন্য না লেখা, মানুষের মঙ্গল হয় এমন সাহিত্য রচনা করা, সাহিত্যে কোনো কিছু জোর করে আরোপ না করা, সহজ-সরল সুন্দর ভাষায় সাহিত্য রচনা করা ইত্যাদি। কিন্তু এই বিষয়গুলো উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।
- উদ্দীপকের কবি পরধন লোভে মত্ত হয়ে অর্থাৎ অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করে খ্যাতি লাভ করতে পারেননি। কিন্তু মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর মাতৃভাষা বাংলার ভান্ডার বিবিধ রত্নে পরিপূর্ণ। এই বিষয়টি আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব নির্দেশ করে। উদ্দীপকে প্রবন্ধের অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত থাকায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
সারকথা: উদ্দীপকে মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনার। । গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে, যা এই প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে।
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।