A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘হউক সে মহাজ্ঞানী…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ৩🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,

অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।

——————————–
হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তম

শত শত দাস তার সেবুক চরণ

করুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।

কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,

স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎ

জানাও সে নরাধমে জানাও সত্বর

অতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম নারাণ সিং।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি দ্বারা নবাব সিরাজউদ্দৌলার অমাত্যবর্গের বিশ্বাসঘাতকতার দিকটি বোঝানো হয়েছে।

ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে রাজ অমাত্যগণ নবাব সিরাজউদ্দৌলার কর্তৃত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করবেন বলে পবিত্র গ্রন্থ নিয়ে শপথ করেছিলেন। কিন্তু নবাবকে পরাজিত করতে গোপনে অনেকেই ষড়যন্ত্র করেছিলেন ইংরেজদের সাথে, যা তাদের কর্মকাণ্ডে প্রকাশ পেয়েছে। অমাত্যবর্গের এই বিশ্বাসঘাতকতার দিকটি প্রশ্নোক্ত মন্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা দেশাত্মবোধে বলীয়ান হওয়ার কারণে উদ্দীপকের মূলভাব তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

আলোচ্য নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন দেশপ্রেমিক বীর। তিনি আমৃত্যু দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় সচেষ্ট ছিলেন। দেশীয় বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হয়েও তিনি তৎপর ছিলেন স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে। আর দেশপ্রেমের এই দৃষ্টান্তের কারণেই নবাব সিরাজউদ্দৌলা সকলের কাছে বরণীয় হয়ে আছেন।

উদ্দীপকের মূলভাব এক চরম সত্যবোধকে উপস্থাপন করেছে। মহাজ্ঞানী ও মহাধনবান কোনো ব্যক্তির মাঝে যদি দেশপ্রেম না থাকে তাহলে তার মতো অধম আর কেউ হতে পারে না। উদ্দীপকের কবির মতে, জন্মভূমির হিত করার ইচ্ছা যার নেই, সে মহা ক্ষমতাশালী হলেও তার মতো নীচ আর কেউ হতে পারে না। আর উদ্দীপকে বর্ণিত এই নরাধমের বিপরীত রূপ পরিগ্রহ করেছে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব। ফলে উদ্দীপকের মূলভাব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের শেষ চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের প্রধান সেনাপতি মিরজাফরকে নির্দেশ করে।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি ছিলেন মিরজাফর। তিনি কূটকৌশল ও চাতুর্যের মাধ্যমে নবাবের অত্যন্ত প্রিয়পাত্র হয়েছিলেন। কিন্তু তার মেধা, বুদ্ধি ও কৌশলের মূলে ছিল ক্ষমতালিপ্সা।

উদ্দীপকে মহাজ্ঞানী, মহাধনবান, মহাগুণী ব্যক্তিকেও বর্জন করার কথা বলা হয়েছে যদি সে দুর্জন হয়। কারণ, জ্ঞানী-গুণী হলেও কর্মে সে নীচ। উদ্দীপকে এরকম ব্যক্তিকে পাষন্ড বর্বর বলা হয়েছে। তার প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা হয়েছে। আর এমন ঘৃণা করা যায় মিরজাফরকেই।

বাংলার ইতিহাসে সেনাপতি মিরজাফর বিশ্বাসঘাতকতাও নিকৃষ্ট মানুষের প্রতীক। তার স্বার্থপরতা আর ষড়যন্ত্রই পলাশির যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের কারণ। নবাব সহানুভূতিশীল হয়ে বার বার তাকে ক্ষমা করেছেন। কিন্তু আসলে সে ঘৃণার পাত্র। স্বজাতির বিরোধিতা করায় সে অসভ্য বর্বরের সমান। আর সেরকম মানুষের প্রতি উদ্দীপকে ঘৃণাই প্রকাশ পেয়েছে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ চরণ আলোচ্য নাটকের প্রধান সেনাপতিকে নির্দেশ করছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘হউক সে মহাজ্ঞানী…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”