| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘হৃদপেশিতে অক্সিজেন (O2)…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

হৃদপেশিতে অক্সিজেন (O2) সরবরাহ না হলে বুকে তীব্র ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং ঘাম হয় ।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
BMI অর্থাৎ Body Mass Index হলো দেহের উচ্চতা ও ওজনের আনুপাতিক হার ।
লসিকা নালি ও লসিকা গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্রের মাধ্যমে সমগ্র দেহে লসিকা রস প্রবাহিত হয় তাকে লসিকাতন্ত্র বলে। ডেনিস বিজ্ঞানী Olaus Rudbeck এবং Thomas Bartholin, ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম মানুষের লসিকাতন্ত্রের বিবরণ দেন। রক্ত সংবহনতন্ত্র এবং লসিকাতন্ত্র উভয়েই সমগ্র দেহে ফ্লুইড সংবহন করে বলে লসিকাতন্ত্রকে কখনো কখনো দ্বিতীয় সংবহনতন্ত্র বলেও অভিহিত করা হয়। লসিকাতন্ত্র প্রধান দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত, যথা- লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি।
লসিকা নালি ও লসিকা গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্রের মাধ্যমে সমগ্র দেহে লসিকা রস প্রবাহিত হয় তাকে লসিকাতন্ত্র বলে। ডেনিস বিজ্ঞানী Olaus Rudbeck এবং Thomas Bartholin, ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম মানুষের লসিকাতন্ত্রের বিবরণ দেন। রক্ত সংবহনতন্ত্র এবং লসিকাতন্ত্র উভয়েই সমগ্র দেহে ফ্লুইড সংবহন করে বলে লসিকাতন্ত্রকে কখনো কখনো দ্বিতীয় সংবহনতন্ত্র বলেও অভিহিত করা হয়। লসিকাতন্ত্র প্রধান দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত, যথা- লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি।
উদ্দীপকের অ্যানজাইনা রোগ প্রতিরোধের উপায় নিচে বর্ণিত হলো- অ্যানজাইনা রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া এবং তা ধরে রাখাই হচ্ছে অ্যানজাইনা প্রতিরোধের প্রধান উপায়। এজন্য কিছু বিষয় গুরুত্বের সাথে পালন করা উচিত। তবে কিছু বিষয় আছে যার নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নেই, যেমন- বয়স, পিলভেন, হৃদরোগ অ্যানজাইনার পারিবারিক ইতিহাস। যেসব বিষয় আমাদের নাগালের মধ্যে আছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। এ বিষয়গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
২. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৩. রক্তের কোলেস্টেরল মাত্রা সর্বদা সঠিক রাখতে হবে।
৪. দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে হবে। ৫. চর্বি জাতীয় খাবার ত্যাগ করতে হবে।
৬. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে।
৭. দেহের স্থূলতা দূর করতে হবে।
৮. অ্যালকোহল ও মদ্যপান বর্জন করতে হবে।
৯. মানসিক প্রশান্তিতে থাকতে হবে।
১০. বছরে কমপক্ষে একবার সম্পূর্ণ শরীরের চেকআপ করাতে হবে।
উপরিউল্লিখিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে মেনে চললে অ্যানজাইন থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।