A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘হুমায়ূন কবির সাহেব…’ নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ – অর্ধাঙ্গী, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ৮ম অধ্যায় — অর্ধাঙ্গী🔢 সৃজনশীল নং ৮🏢 প্রতিষ্ঠান নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

হুমায়ূন কবির সাহেব দুই পুত্র এক কন্যা রেখে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর কয়েক দিনের মাথায় তাঁর দুই পুত্র আলমগীর কবির ও আনসার কবির পিতার দোতলা বাড়ি এবং সহায় সম্পদ সমান দুই ভাগে ভাগ করে নেন। তাদের একমাত্র বোন নুসরাত কবিরকে পৈতৃক সম্পদের কিছুই দেওয়া হয়নি। কেবল দুই ভাই তাকে স্বামী-সন্তানসহ দাওয়াত করে খাইয়েছে এবং কিছু উপহার দিয়েছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৮

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি উদ্ধৃত হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে অপার্থিব সম্পত্তি বলতে সন্তানের প্রতি পিতার স্নেহ, যত্ন ইত্যাদিকে বোঝানো হয়েছে।

➤ লেখক অপার্থিব সম্পত্তির প্রসঙ্গে বলেন, এখানেও পক্ষপাতিত্বের মাত্রা বেশি। পিতার ওই যত্ন, স্নেহ, হিতৈষিতার অর্ধেকও মেয়েরা পায় না। যিনি পুত্রের সুশিক্ষার জন্য চারজন শিক্ষক নিযুক্ত করেন, তিনি কন্যার জন্য দুজন শিক্ষয়িত্রী নিযুক্ত করেন না। যেখানে পুত্রকে তিনটা (বিএ পর্যন্ত) পাশ করান, সেখানে কন্যাকে দেড়টা পাস (এন্ট্রান্স পাশ ও এফ. এ. ফেল) করান না। পুত্রদের বিদ্যালয়ের সংখ্যা অগুণতি, বালিকাদের বিদ্যালয়ের সংখ্যা পাওয়াই যায় না। 

তারকথা: অর্থালী' প্রবন্ধে অপার্থিব সম্পত্তি বলতে সন্তানের প্রতি পিতার রেহ, বয় ইত্যাদিকে বোঝানো হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ নারীকে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের সর্বস্তরে বঞ্চিত করার পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাদৃশ্য রয়েছে।

➤ পুরুষশাসিত সমাজে নারীকে চিন্তা করা হয় পুরুষের ভোগের সামগ্রী বা দাসী হিসেবে। তাই নারীদেরও যে মন আছে, কামনা- বাসনা আছে, তারাও যে জীব, তাদেরও যে ইচ্ছাশক্তি ও অনুভব শক্তি রয়েছে এসব কথা পুরুষরা যেন মানতেই পারে না। আর নারীরাও এই বিধান স্রষ্টার বিধান বলেই বিশ্বাস করে মেনে নেয়।

➤ উদ্দীপকের হুমায়ুন কবির সাহেব দুই পুত্র ও এক কন্যা রেখে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর কয়েক দিনের মাথায় তাঁর দুই পুত্র আলমগীর কবির ও আনসার কবির পিতার দোতলা বাড়ি এবং সহায়-সম্পদ সমান দুই ভাগে ভাগ করে নেন। তাদের একমাত্র বোন নুসরাত কবিরকে পৈতৃক সম্পদের কিছুই দেওয়া হয়নি। কেবল দুই ভাই তাকে স্বামী-সন্তানসহ দাওয়াত করে খাইয়েছে এবং কিছু উপহার দিয়েছে। 'অধাঙ্গী' প্রবন্ধে বেগম রোকেয়া বলেন, 'মহম্মদীয় আইন' অনুসারে পৈতৃক সম্পত্তিতে কন্যা পুত্রের অর্ধেক পাবে। কিন্তু এ নিয়মটি পুস্তকেই সীমাবদ্ধ। যদি একটু পরিশ্রম করে কোনো ধনবান মুসলমানের সম্পত্তি বিভাগ করা দেখা যায়, কিংবা জমিদারি পরিদর্শন করা যায়, তবে দেখা যাবে, কার্যত কন্যার ভাগে শূন্য (০) কিংবা যৎসামান্য পড়েছে। উদ্দীপকের নুসরাত কবিরের ক্ষেত্রে এমনটিই ঘটেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে এই বিষয়ে সাদৃশ্য বিদ্যমান।

সারকথা: নারীকে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে পারিবারিক। ও সামাজিক জীবনের সর্বস্তরে বঞ্চিত করার পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার দিকটি উদ্দীপক ও প্রবন্ধ উভয় জায়গায়ই ফুটে উঠেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের আলোকে বাঙালি মুসলিম নারীর পারিবারিক বঞ্চনার যে চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে তা আমার দৃষ্টিতে বড় বৈষম্যপূর্ণ, মর্মন্তুদ ও করুণ।

➤ বাঙালি মুসলিম পরিবারের ধারণা, অবলা বলে রন্ধন কাজ ও সন্তান জন্মদান ছাড়া নারীর আর কিছুই করার নেই। আর পুরুষ সবল বলে সবকিছু করার অধিকারী। এই মিথ্যাকে পুঁজি করেই পুরুষ শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার এবং নারীরাও অন্ধভাবে পুরুষের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে নেয়।

➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে বলা হয়েছে, 'মহম্মদীয় আইনে' দেখা যায় যে, পৈতৃক সম্পত্তিতে কন্যা পুত্রের অর্ধেক পাবে। কিন্তু এ নিয়মটি পুস্তকেই সীমাবন্ধ। কার্যত কন্যার ভাগে কিছুই থাকে না। উদ্দীপকের মুসলিম পরিারে নারীর এমনই বঞ্চনার নানা চিত্র 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে দেখা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায়, হুমায়ূন কবির সাহেবের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র পিতার দোতলা বাড়ি এবং সহায়-সম্পদ সমান দুই ভাগে ভাগ করে নেন। তাদের একমাত্র বোনকে পৈতৃক সম্পদের কিছুই দেওয়া হয় না। কেবল দুই ভাই তাকে স্বামী-সন্তানসহ দাওয়াত করে খাওয়ায় এবং কিছু উপহার দেয়।

➤ মুসলিম সমাজের পারিবারিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বিধিব্যবস্থা নারীদের পুরুষের অবস্থা থেকে অনেক ক্ষেত্রে পৃথক ও বঞ্চিত করে রেখেছে। কেননা পুরুষকে যেখানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে নারীকে সেখানে শুধু মক্তবে আরবি শিক্ষা, ঘরে বসেই শিশুশিক্ষা, রান্নাবান্না ও সংসার চালানোর শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পুরুষের বিদ্যার গতির সীমা নেই, স্ত্রীদের বিদ্যার দৌড় সচরাচর 'বোধোদয়' পর্যন্ত। এছাড়াও সন্তানের প্রতি পিতার স্নেহ, যত্ন ইত্যাদি অপার্থিব সম্পত্তির ক্ষেত্রেও মুসলিম পারিবারিক জীবনে কন্যা অপেক্ষা পুত্রের প্রতি পক্ষপাতিত্বের মাত্রা বেশি দেখা যায়। • 

সারকথা: বাঙালি মুসলিম নারীর পারিবারিক বঞ্চনার চিত্র বড় বৈষম্যপূর্ণ, মর্মন্ত্রণ ও করণ, যা উদ্দীপক ও প্রবন্ধ উত্তর জায়গায়ই ফুটে উঠেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘হুমায়ূন কবির সাহেব…’ নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ – অর্ধাঙ্গী, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”