(i)
(ii)
"পারমাণবিক ভর অনুসারে তিনটি করে মৌলকে সাজালে দ্বিতীয় মৌলের পারমাণবিক ভর, প্রথম ও তৃতীয় মৌলের পারমাণবিক ভরের যোগফলের অর্ধেক বা তার কাছাকাছি", যাকে ডোবেরাইনারের ত্রয়ীসূত্র বলা হয়।
সাধারণভাবে দেখা যায় যে, সমশক্তিসম্পন্ন অরবিটালসমূহ অর্ধপূর্ণ বা সম্পূর্ণ পূর্ণ হলে সে ইলেকট্রন বিন্যাস অধিকতর সুস্থিতি অর্জন করে। এক্ষেত্রে এবং ইলেকট্রন বিন্যাসবিশিষ্ট মৌল অধিকতর স্থায়ী হয়। কপার (Cu) এর ইলেকট্রন বিন্যাসে ( সুস্থিতির জন্য এর পরিবর্তে হয়। এজন্য কপারের ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ, নিয়ম মানে না। অর্থাৎ ব্যতিক্রম হয় ।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, ও মৌলদ্বয় যথাক্রমে ও এবং এদের দ্বারা গঠিত যৌগ KF। নিচে KF যৌগের বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া চিত্রসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
ও F পরমাণুর ইলেকট্রেন বিন্যাস নিম্নরূপ-
K পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের 1 টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাস আর্গনের স্থিতিশীল অষ্টক কাঠামো লাভ করে এবং আয়নে পরিণত হয়। অপরদিকে F পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ ২য় শক্তিস্তরে 1 টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাস নিয়নের স্থিতিশীল অষ্টক কাঠামো লাভ করে এবং আয়নে পরিণত হয়। এভাবে সৃষ্ট ও আয়নদ্বয় বিপরীত আধানযুক্ত হওয়ায়, তারা পরস্পর স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ শক্তির দ্বারা যুক্ত হয়ে KF আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। যেমন,
উদ্দীপকের A পাত্রের দ্রব এর ভর 15.9 g (গ থেকে)
B পাত্রের দ্রবের ভর নির্ণয় :
এখানে,
ঘনমাত্রা,
এর আণবিক ভর,
আয়তন, V
ভর, ?
A ও B পাত্রের মিশ্রিত দ্রবণে নিচের বিক্রিয়াটি ঘটে-
বিক্রিয়া অনুসারে,
বিক্রিয়া করে এর সাথে
বিক্রিয়া করে এর সাথে এর সাথে
কিন্তু দ্রবণে অনেক বেশি ( 15.9 g ) আছে। তাই এ বিক্রিয়ায় বিক্রিয়া করে সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যাবে। তাই হচ্ছে লিমিটিং বিক্রিয়ক এবং এর উপর উৎপন্ন লবণের পরিমাণ নির্ভর করবে।
বিক্রিয়া অনুসারে-
থেকে প্রাপ্ত লবণ
থেকে প্রাপ্ত লবণ
সুতরাং উদ্দীপকের A ও B পাত্রের দ্রবণদ্বয়ের মিশ্রণে 6.375 g লবণ উৎপন্ন হবে।
