(i)
(ii)
সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
ভিনেগার হলো ইথানয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ যা জলীয় দ্রবণে আংশিক বিয়োজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে। ফলে ইথানয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হয়।
বিভিন্ন প্রকার খাবার পচনের মূল কারণ হলো ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব। ভিনেগারের বিয়োজনে উৎপন্ন আয়ন ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন ও ফ্যাটকে আর্দ্রবিশ্লেষিত করে, ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়। এভাবে ভিনেগার খাবারকে পচনের হাত থেকে রক্ষা করে।
উদ্দীপকের বিক্রিয়া দুইটি সম্পূর্ণ করে পাই,
(i)
(ii)
উপরিউক্ত বিক্রিয়া দুটি লক্ষ করলে দেখা যায়, D মৌলটি হলো । এর বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো :
ও মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস :
ক্যালসিয়াম পরমাণু যোজ্যতা স্তরের ২টি ইলেকট্রন বর্জন করে নিষ্ক্রিয় গ্যাস আর্গনের যোজ্যতা স্তরের স্থায়ী অষ্টক বিন্যাস লাভ করে এবং ক্লোরিন পরমাণু যোজ্যতা স্তরের একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে আর্গনের যোজ্যতা স্তরের স্থায়ী অষ্টক বিন্যাস লাভ করে।
2টি পরমাণু যখন কাছাকাছি আসে তখন তাদের মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে ও আয়ন গঠিত হয়। এই দুটি আয়ন যুক্ত হয়ে mathrm{CaCl}_2 যৌগ গঠন করে।
এভাবে Ca ও CI মৌলদ্বয়ের মধ্যে আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে।
উদ্দীপকের A ও B অর্থাৎ ও যৌগের মিশ্রণ হতে রাসায়নিক সার ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব। তা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো-
ও হতে ইউরিয়া উৎপাদন :
ইউরিয়া মূল্যবান পদার্থ। কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং অ্যামোনিয়া গ্যাসের মিশ্রণকে উচ্চ চাপে এবং তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট উৎপন্ন হয় । পরবর্তীতে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট ভেঙে ইউরিয়া প্রস্তুত হয় ।
অতএব, ও ব্যবহার করে ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব।
