i. A একটি যৌগকে বিশ্লেষণ করে নাইট্রোজেন 36.8%, অক্সিজেন 63.2% পাওয়া গেল। যৌগটির আণবিক ভর 76।
ii.
iii.
কোনো রাসায়নিক পদার্থের যে পরিমাণে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে তাকে ঐ পদার্থের মোল বলে।
নাইট্রোজেন এর যোজনী ও যোজ্যতা ইলেকট্রন ভিন্ন- নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
নাইট্রোজেনের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ :
কোনো মৌলের সর্বশেষ প্রধান শক্তিস্তরের মোট ইলেকট্রন সংখ্যাকেই ঐ মৌলের যোজ্যতা ইলেকট্রন বলে। এখানে নাইট্রোজেনের সর্বশেষ শক্তিস্তরে মোট ১টি ইলেকট্রন আছে। সুতরাং যোজ্যতা ইলেকট্রন নাইট্রোজেনের ১টি।
আবার, কোনো একটি মৌল, অপর একটি মৌলের সাথে যুক্ত হওয়ায় সামর্থ্যকে বা যত সংখ্যক বিজোড় ইলেকট্রন থাকে তাকে যোজনী বলে। সুতরাং নাইট্রোজেনের সর্বশেষ শক্তিস্তরে 3টি বিজোড় ইলেকট্রন আছে। একারণে নাইট্রোজেনের যোজনী 3।
অতএব নাইট্রোজেনের যোজনী ও যোজ্যতা ইলেকট্রন ভিন্ন।
উদ্দীপকের যৌগে বিদ্যমান মৌলগুলোর শতকরা সংযুতি হলো-
নাইট্রোজেন,
অক্সিজেন,
মৌলগুলোর শতকরা সংযুতিকে নিজ নিজ পারমাণবিক ভর দ্বারা ভাগ করে পাই,
প্রাপ্ত ভাগফলগুলোকে ক্ষুদ্রতম ভাগফল দ্বারা ভাগ করে পাই,
পুণরায় প্রাপ্ত ভাগফলগুলোকে 2 দ্বারা গুণ করে পাই,
যৌগটির স্থূল সংকেত
ধরি, যৌগটির আণবিক সংকেত
এবং যৌগটির আণবিক ভর
আমরা জানি,
যৌগটির আণবিক ভর স্থূল সংকেত
বা,
বা,
বা,
সুতরাং A যৌগটির আণবিক সংকেত ।
উদ্দীপকের (ii) নং ও (iii) নং বিক্রিয়ায় সালফারের যৌগসমূহ হলো- (a) (b) (c)
নিম্নে ও -এ সালফারের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করা হলো-
(a) -এ S এর জারণ সংখ্যা নির্ণয় :
ধরি, যৌগে S এর জারণ সংখ্যা
অতএব,
বা,
সুতরাং যৌগে S এর জারণ সংখ্যা
আবার, ধরি, এ S এর জারণ সংখ্যা
অতএব,
বা,
সুতরাং যৌগে S এর জারণ সংখ্যা
ধরি, এ S এর জারণ সংখ্যা
অতএব,
বা,
সুতরাং এ S এর জারণ সংখ্যা
