(i)
(ii)
সরু ছিদ্রপথে কোনো গ্যাসের অণুসমূহ উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে।
মোমের প্রধান উপাদান বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। মোমকে দহন করলে তার কিছু অংশ ভৌত পরিবর্তনের মাধ্যমে গলে কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হয় এবং ঠান্ডা হয়ে পুনরায় কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। একই সাথে মোমের কিছু অংশ বায়ুর অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে নতুন পদার্থ সৃষ্টি হওয়ায় এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন। কাজেই মোম দহনের সময় ভৌত ও রাসায়নিক উভয় পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি সম্পন্ন করে পাই,
এখন,
উৎপাদ পেতে প্রয়োজন
উৎপাদ পেতে প্রয়োজন
উৎপাদ পেতে প্রয়োজন
অতএব, ব্যবহার করে উৎপাদ পাওয়া যাবে।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ:
উপরিউক্ত বিক্রিয়াটিকে সম্পন্ন করে পাই,
এখন B অর্থাৎ যৌগটি হলো ডিটারজেন্ট। ডিটারজেন্ট এর একটি প্রান্ত তেল বা ধুলাবালি অপসারণ করে; যা নিম্নে যথাযথ ক্রিয়াকৌশলের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হলো:
ডিটারজেন্ট লম্বা কার্বন শিকলযুক্ত অণু। দ্রবীভূত অবস্থায় এরা ঋণাত্মক আধানযুক্ত ডিটারজেন্ট আয়ন ও ধনাত্মক আধানযুক্ত সোডিয়াম আয়নে বিশ্লিষ্ট হয়। ডিটারজেন্ট আয়নের একপ্রান্ত ঋণাত্মক আধানে যুক্ত থাকে। আয়নের এ প্রান্তকে হাইড্রোফিলিক বা পানি আকর্ষী বলা হয়। আয়নের অপরপ্রান্ত পানি বিকর্ষী (হাইড্রোফোবিক) অংশ যা তেল বা গ্রিজে দ্রবীভূত হয়।
ময়লা কাপড়কে যখন ডিটারজেন্টসহ পানিতে ভেজানো হয় তখন হাইড্রোফোবিক অংশ কাপড়ের তেল ও গ্রিজ জাতীয় ময়লার প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং এতে দ্রবীভূত হয়। পক্ষান্তরে হাইড্রোফিলিক অংশের চতুষ্পার্শ্বে পানির স্তরে প্রসারিত হয়। এ অবস্থায় কাপড়কে ঘষা দিলে বা মোচড়ানো হলে তেল বা গ্রিজ সম্পূর্ণরূপে হাইড্রোফিলিক অংশ দ্বারা আবৃত হয়ে পড়ে তেল বা গ্রিজ অণুগুলোর চতুষ্পার্শ্বে ঋণাত্মক আধানের বলয় সৃষ্টি হয়। ফলে এগুলো সম্ভাব্য সর্বোচ্চ দূরত্বে অবস্থান করতে চায়। এতে করে পানিতে তেল ও গ্রিজের অপদ্রব (ইমালসন) সৃষ্টি হয় এবং পানিতে ধৌত হয়ে যায়। ফলে কাপড় পরিষ্কার হয়।
