(i)
(ii)
যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
ক্যালসিয়াম (Ca)-কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়; এর কারণ হলো এটি গ্রুপ-2 এর মৌল এবং এদের অক্সাইডসমূহ পানিতে ক্ষারীয় দ্রবণ তৈরি করে। এছাড়া মৌলটি বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে।
বিক্রিয়া:
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি-
উক্ত বিক্রিয়াটি একটি অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
জানা আছে, একটি নির্দিষ্ট দ্রাবকে দ্রবণীয় দুটি যৌগকে মিশ্রিত করার পর ঐ দ্রাবকে অদ্রবণীয় বা স্বল্প দ্রবণীয় নতুন যৌগ উৎপন্ন হলে যৌগটি বিক্রিয়াপাত্রের তলদেশে কঠিন পদার্থ বা অধঃক্ষেপ হিসেবে জমা হয়। অর্থাৎ, যে বিক্রিয়ায় উৎপন্ন যৌগ অধঃক্ষেপ হিসেবে পাত্রের তলদেশে জমা হয়, তাকে বলা হয় অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া। অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী বিক্রিয়ক দুটি সাধারণত আয়নিক যৌগ হয়। এখানে, সাধারণত পানি দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়ায় দুটি ভিন্ন তরল বিক্রিয়ক ও পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে কঠিন পদার্থ তৈরি করে। এক্ষেত্রে বিক্রিয়া পাত্রের তলদেশে অধঃক্ষেপ হিসেবে থাকে।
আবার বিক্রিয়াটিতে ও আয়ন পরস্পরকে প্রতিস্থাপন করে ও NaCl উৎপন্ন করে। এজন্য একে দ্বি-প্রতিস্থাপন বিক্রিয়াও বলা হয়।
সুতরাং বলা যায়, (i) নং বিক্রিয়াটি একটি অধঃক্ষেপণ ও দ্বি-প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।
উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি-
"জারক বিজারিত হয় এবং বিজারক জারিত হয়" নিচে উক্ত বিক্রিয়ার সাপেক্ষে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো-
দর্শক আয়ন বাদে বিক্রিয়া-
প্রদত্ত বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক যৌগে S এর জারণ মান - 2 থেকে বৃদ্ধি পেয়ে উৎপাদ পরমাণুতে শূন্য ( 0 ) হয়েছে। অর্থাৎ এর জারণ মান বৃদ্ধি পাওয়ায় হলো বিজারক। অপরদিকে বিক্রিয়ক অণুতে Cl এর জারণ মান শূন্য ( 0 ) থেকে হ্রাস পাওয়ায় উৎপাদ HCl যৌগে Cl এর জারণ মান - 1 হয়। এক্ষেত্রে ক্লোরিনের জারণ মান হ্রাস পাওয়ায় এ বিক্রিয়ায় জারক পদার্থ।
জারণ বিক্রিয়া :
বিজারণ বিক্রিয়া :
________________________________________________________
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
দেখা যাচ্ছে, বিজারক এর জারিত হয়ে উৎপাদ S তৈরি করেছে এবং জারক বিজারিত হয়ে উৎপাদ যৌগ এ হয়েছে। অর্থাৎ জারক বিজারিত এবং বিজারক জারিত হয়েছে।
