(i) ইথানয়িক এসিড → সোডিয়াম ইথানয়েট → মিথেন → মিথাইল ব্রোমাইড → মিথানল → মিথান্যাল → মিথানয়িক এসিড।
(ii)
লা-শাতেলিয়ার নীতিটি হচ্ছে- "কোনো বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় থাকাকালীন যদি তাপ, চাপ, ঘনমাত্রা ইত্যাদি পরিবর্তন করা হয় তবে সাম্যের অবস্থান এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যেন তাপ, চাপ, ঘনমাত্রা ইত্যাদির পরিবর্তনের ফলাফল প্রশমিত হয়।
3f অরবিটাল সম্ভব নয়। কারণ 3f অরবিটালের ক্ষেত্রে, n = 3, 1 = 0, 1, 2 । এর মান 0, 1, 2 এর জন্য s, p, d অরবিটাল সম্ভব। এজন্য 3f অরবিটাল অসম্ভব।
এখানে,
ঘনমাত্রা, S = 0.2 M
আয়তন, V = 200 mL
আণবিক ভর = 63
ভর, w = ?
আমরা জানি,
বা,
সুতরাং, (ii) নং এর দ্রবণে আছে ।
তাহলে, এ পরমাণু সংখ্যা টি
এ পরমাণু সংখ্যা টি
টি
সুতরাং (ii) নং এ মোট পরমাণু সংখ্যা টি
উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২ এর ইথানোয়িক এসিড কে মিথানোয়িক এসিড (HCOOH) রূপান্তর সম্ভব। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
ইথানোয়িক এসিড জলীয় NaOH এর সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ইথানোয়েট উৎপন্ন করে।
উৎপন্ন সোডিয়াম ইথানোয়েট কে সোডালাইমসহ উত্তপ্ত করলে মিথেন তৈরি হয়।
উৎপন্ন মিথেন () মৃদু সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ব্রোমিনের/ ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে মিথাইল ব্রোমাইড/ মিথাইল ক্লোরাইড উৎপন্ন করে।
উৎপন্ন মিথাইল ব্রোমাইড সোডিয়াম হাইড্রক্সাইডের জলীয় দ্রবণের সাথে বিক্রিয়া করে মিথানল উৎপন্ন করে।
উৎপন্ন মিথানলকে গাঢ় এর উপস্থিতিতে শক্তিশালী জারক ও দ্বারা জারিত করলে মিথান্যাল পাওয়া যায়।
এভাবে থেকে HCOOH উৎপাদন সম্ভব।
