| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘(i)′P′ শিল্পের কাঁচামালসমূহ:…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)

শিল্পের কাঁচামালসমূহ: ক্ষারকজাতীয় উপাদান , অম্লজাতীয় উপাদান এবং ।
বাঁশ, কাঠ
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৫
গ্রাহামের সূত্রটি হলো- "স্থির তাপমাত্রা ও চাপে যে কোনো গ্যাসের ব্যাপনের হার তার ঘনত্বের বর্গমূলের বিপরীত অনুপাতে পরিবর্তিত হয়”।
কাচের আকৃতি দানের পরবর্তী ধাপে অ্যানিলিং করা হয়। অ্যানিলিং ধাপে কাচ সামগ্রীকে গলন তাপের কাছাকাছি একটি বিশেষ তাপমাত্রায় রেখে দেওয়া হয়। একে কোমলায়ন তাপমাত্রা বলে। এরপর এদেরকে ধীরে ধীরে শীতল করে স্বচ্ছ, শক্তিশালী ও সুষম ঘনত্ব বিশিষ্ট কাচ সামগ্রী উৎপাদন করা হয়। কাচের ভঙ্গুরতা হ্রাসের জন্য এবং তাপসহতা বৃদ্ধির অ্যানিলিং প্রয়োজন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ‘P’ শিল্প উৎপাদটি হচ্ছে সিমেন্ট।
সিমেন্ট উৎপাদনের মূলনীতি: সূক্ষ্মভাবে চূর্ণকৃত চুনাপাথর , ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট এবং (বালি) সমৃদ্ধ কাদামাটি এর মিশ্রণ) এর মিশ্রণকে বিশেষ ধরনের ঘূর্ণায়মান চুল্লীতে উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে এক ধরনের চূর্ণাকার মিশ্রণ পাওয়া যায়, যাকে ক্লিংকার বলে।
ক্লিংকারকে পেষণ যন্ত্রে অতি সূক্ষ্মভাবে চূর্ণ করলে এক ধরনের ধূসর বর্ণের পাউডার পাওয়া যায়, যাকে সিমেন্ট বলে। কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন অক্সাইড (প্রধানত ) চুল্লীর অভ্যন্তরে ভস্মীকরণ তাপমাত্রায় দ্বিবিযোজন বিক্রিয়া দ্বারা ডাইক্যালসিয়াম সিলিকেট ( ); ট্রাইক্যালসিয়াম সিলিকেট ; ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট গঠন করে, এগুলোই সিমেন্টের প্রধান উপাদান। মুক্ত অবস্থায় থাকে। এবং এগুলো ইত্যাদির সঙ্গে বিক্রিয়া করে। এছাড়া সিমেন্ট যাতে ধীরে ধীরে জমাট বাঁধে সে উদ্দেশ্যে সিমেন্টে জিপসাম ব্যবহার করা হয়। কারণ সিমেন্ট দ্রুত জমাট বাঁধলে সিমেন্টের ভিতরে ফাঁকা স্থান তৈরি হয়। ফলে সিমেন্টের সেটিং দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়। অতএব সিমেন্টে জিপসাম ব্যবহৃত হলে, সিমেন্টের সেটিং মজবুত, শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
বিক্রিয়া:
(ডাইক্যালসিয়াম সিলিকেট)
(ট্রাইক্যালসিয়াম সিলিকেট)
(ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট)
এসব বিক্রিয়ার সঙ্গে কাদামাটির নির্জলীকরণ এবং চুনাপাথরের ভস্মীকরণও ঘটে।
উৎপাদনের ২নং প্রক্রিয়া হচ্ছে সাধারণ নিয়মে কাগজ উৎপাদন।
অপরদিকে, পুরাতন বা বর্জ্য কাগজকে নতুন কাগজের পাল্পের সঙ্গে মিশিয়ে কাগজ উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে কাগজ রিসাইক্লিং বলে।
উদ্দীপকের দ্রব্যটি হলো কাগজ। আর কাগজ উৎপাদনে বর্তমানে পুনঃউৎপাদন থেকে পুনঃচক্রায়নে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এর কারণ-
i. প্রথমত কাগজ তৈরি করতে হয় কাঠ হতে। এক টন খবরের কাগজ রিসাইক্লিং করলে প্রায় ১ টন কাঠ বেঁচে যায়, প্রিন্টেড কাগজ রিসাইক্লিং করলে দুই টন কাঠ সাশ্রয় হয়।
ii. কাগজ তৈরিতে পানিতে যে পরিমাণ দূষণ ঘটে কাগজ রিসাইক্লিং এ ততটা ঘটে না।
iii. কাঠ হতে কাগজ তৈরি করতে যে শক্তি/জ্বালানি খরচ হয় তার প্রায় ৪০-৬০% কম লাগে পুনঃচক্রায়ানে।
iv. জমি ভরাট করা হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
V. নতুন কাগজ উৎপাদনের তুলনায় কাগজ পুনঃচক্রায়ানে পানি দূষণ ৩৫% কম এবং বায়ু দূষণ ৭৪% কম ঘটে।
vi. ইউরোপে ব্যবহৃত কাগজের প্রায় ৬০% পুনঃচক্রায়িত কাগজ।
সুতরাং উপরোক্ত কারণেই বলা যায়, কাগজ পুনঃচক্রায়ান এর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য এবং এটি পরিবেশ বান্ধব ও অর্থ সাশ্রয়ী।