A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘(i) সাইক্লয়েড আশযুক্ত…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৪ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ৭২🏢 প্রতিষ্ঠান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

(i) সাইক্লয়েড আশযুক্ত জলজ মেরুদন্ডী প্রাণী।

(ii) তৃণভোজী পতঙ্গ যাদের দর্শন কৌশল বৈচিত্র্যময়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নিম্ফ হলো অসম্পূর্ণ রূপান্তর এর শিশু অবস্থায় প্রাণী। অন্যভাবে বলা যায় ডিম ফুটে যে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নিউরোজেনিক হার্ট হলো একটি হৃৎপিন্ড যাতে হৃৎবিভব হৃৎপ্রাচীরে তৈরি না হয়ে হৃৎযন্ত্রের কাছাকাছি অবস্থিত কোনো গ্যাংগ্লিওন বা স্নায়ুগ্রন্থি দ্বারা তৈরি হয়। এটি নিম্ন অমেরুদন্ডী প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য। সকল পতঙ্গের নিউরোজেনিক হার্ট থাকে।  

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের (i) নং অংশে সাইক্লয়েড আইশে আবৃত জলজ মেরুদন্ডী প্রাণী দ্বারা মূলত রুই মাছকে বুঝানো হয়েছে। রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র প্রধান তিনটি উপাদান নিয়ে গঠিত, যথা- রক্ত, হৃৎপিন্ড এবং রক্তনালি। নিচে উপাদানগুলো চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো:

রক্ত: রুই মাছের রক্ত লাল বর্ণের। রক্তরস ও রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত। রক্তরসে ২ ধরণের রক্তকণিকা ভাসমান থাকে, যথা- রক্তকণিকা ও শ্বেতকণিকা। লোহিত কণিকা ডিম্বাকার, নিউক্লিয়াসযুক্ত, হিমোগ্লোবিনযুক্ত, হিমোগ্লোবিনসমৃদ্ধ ও লাল বর্ণের। শ্বেত রক্তকণিকা অ্যামিবয়েড, বর্ণহীন, নিউক্লিয়াসযুক্ত।

হৃৎপিন্ড: রুইমাছের ফুলকাদুটির পেছনে লম্বাটে, মোচাকৃতির হৃৎপিন্ডটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরে অবস্থান করে। পেরিকার্ডিয়াল নামক আবরণে এটি আবৃত থাকে। হৃৎপিন্ড দুই প্রকোষ্ঠোবিশিষ্ট- একটি অলিন্দ অন্যটি নিলয়। এছাড়া এতে সাইনাস ভেনেসাস নামক একটি উপপ্রকোষ্ঠ থাকে।

রক্তনালি: রুইমাছের রক্তনালি ৩ প্রকার, যথা- ধমনি, শিরা ও কৈশিকজালিকা। ধমনিসমূহের সম্বনয়ে ধমনিতন্ত্র এবং শিরাসমূহের সম্বনয়ে শিরাতন্ত্র গঠিত হয়। ধমনি ও শিরার মধ্যে সংযোগস্থাপন করে কৈশিকজালিকা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের (ii) নং অংশে বর্ণিত পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং। ঘাসফড়িং-এর দর্শন কৌশল বৈচিত্র্যময় কেননা এটি আলোর তীব্রতা অনুসারে পুঞ্জাক্ষিতে প্রতিবিম্ব সৃষির মাধ্যমে দেখতে পায়। ঘাসফড়িং-এর পুঞ্জাক্ষিতে ২ ধরণের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়, যথা- মোজাইক প্রতিবিম্ব এবং সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব। নিচে এগুলো বর্ণনা করা হলো:

১. সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘনীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোণের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উলম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র‍্যাবডোমে পৌঁছালেও তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোণের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র‍্যাবডোমে পৌঁছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোক রশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত রশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়।

২. মোজাইক প্রতিবিম্ব : উজ্জ্বল আলোয় প্রতিটি ওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের কোষের রঞ্জক পদার্থ ক্রিস্টালাইন কোণের নিচের দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিসের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি ওমাটিডিয়াম দিয়ে গঠিত প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয় বলে একে মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয় ।

সুতরাং আলোর তারতম্যের ভিত্তিতে ঘাসফড়িং ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘(i) সাইক্লয়েড আশযুক্ত…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৪ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”