i.
ii.
যেসব যৌগের কার্যকরীমূলক একই এবং এদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের গভীর মিল থাকে তাদেরকে সমগোত্রীয় শ্রেণি বলে।
স্থূল সংকেত যৌগের অণুতে বিদ্যমান মৌলসমূহের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত প্রকাশ করে। যেমন- বেনজিনের আণবিক সংকেত , ও অ্যাসিটিলিন এর আণবিক সংকেত । এ দুটি যৌগ ভিন্ন হলেও এদের মৌলসমূহের পরমাণু সংখ্যার অনুপাত অর্থাৎ স্থূল সংকেত । সুতরাং দুটি ভিন্ন যৌগের স্থূল সংকেত একই হতে পারে।
অতএব, একই স্থল সংকেত একাধিক যৌগের হতে পারে।
উদ্দীপকের বিক্রিয়া দুটিকে সম্পূর্ণ করে পাই,
(i)
(ii)
উপরিউক্ত বিক্রিয়া দুটি হতে প্রাপ্ত M ও T গ্যাস হলো যথাক্রমে ও । এ গ্যাস দুটির ব্যাপন হারের তুলনামূলক বর্ণনা নিম্নে উপস্থাপন করা হলো-
যেকোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়াকে ব্যাপক বলে। ব্যাপন সাধারণত বস্তুর ভর ও ঘনত্বের উপর নির্ভরশীল। যেকোনো গ্যাসের ব্যাপন হার ঐ গ্যাসের ঘনত্ব ও আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। সুতরাং যে গ্যাসের ভর ও ঘনত্ব যত কম তার ব্যাপন হার তত বেশি।
ও গ্যাস দুটির আণবিক ভর নির্ণয় করে পাই,
এর আণবিক ভর
এর আণবিক ভর
গ্যাস দুটির আণবিক ভর লক্ষ করলে দেখা যায়, এরতুলনায়NH_3গ্যাসেরআণবিকভরকম।সুতরাংSO_2অপেক্ষাNH_3$ এর ব্যাপন হার বেশি।
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,
উপরিউক্ত বিক্রিয়ার M অর্থাৎ হতে অলিয়াম প্রস্তুত করা সম্ভব। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
স্পর্শ চেম্বারে কে তাপমাত্রায় চূর্ণ বা প্রভাবকের উপস্থিতিতে অক্সিজেন দ্বারা জারিত করলে উৎপন্ন হয়।
এর সাথে যোগ করা হলে উৎপন্ন হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সমস্যা হলো বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে যুক্ত হয়ে এর ঘন কুয়াশা সৃষ্টি করে, যা ঘনীভূত করা অত্যন্ত কঠিন।
(ঘন কুয়াশা)
তাই কে এ শোষণ করে ধূমায়মান সালফিউরিক এসিড উৎপন্ন করা হয়। একে অলিয়াম বলে।
অতএব, হতে অলিয়াম প্রস্তুত করা সম্ভব।
