| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৫ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো অল্প দ্রবণীয় লবণের সম্পৃক্ত দ্রবণে তার উপাদান আয়নের মোলার ঘনমাত্রার গুণফলকে দ্রাব্যতা গুণফল বলে।
কোনো উভমুখী বিক্রিয়ার সম্মুখ বিক্রিয়ার হার ও পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়ার হার সমান হলেই বিক্রিয়াটি সাম্যাবস্থায় উপনীত হয়। আপাত দৃষ্টিতে সাম্যাবস্থায় বিক্রিয়াটিকে স্থির মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে বিক্রিয়াটি গতিশীল। এ অবস্থায় একক সময়ে যে পরিমাণ বিক্রিয়ক উৎপাদে পরিণত হয় ঐ একই সময় উৎপাদেরও একই পরিমাণ বিক্রিয়কে পরিবর্তিত হয়। অর্থাৎ এ অবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে যতগুলো বিক্রিয়ক অণু বিক্রিয়া করে উৎপাদ তৈরি করে ঐ সময়ে উৎপাদ বিক্রিয়া করে ঠিক ততগুলো বিক্রিয়ক অণু উৎপন্ন করে। তাই সাম্যাবস্থা একটি গতিশীল অবস্থা স্থির অবস্থা নয়।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, যৌগটি । এর পানিযোজন বলতে পানিতে দ্রবীভূত হওয়াকে বুঝায়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
পোলার দ্রাবকের যেমন পানি অণুর দুই প্রান্তে দুটি মেরু থাকে। আয়নিক যৌগের যেমন, এর কেলাস দ্রবীভূত করার সময় পানির ঋণাত্মক মেরু এর ধনাত্মক আয়নের দিকে এবং পানির ধনাত্মক মেরু এর ঋণাত্মক আয়নের দিকে আবর্তিত হয়। ফলে এর ও আয়নসমূহ পানি অণু দ্বারা আকর্ষিত এবং কেলাস ল্যাটিস থেকে ক্রমশ দ্রবণে চলে আসে। ও আয়নসমূহ দ্রবণে পুরোপুরি মুক্ত থাকে না। দ্রাবক পানি অণুর সাথে সংযোজিত থাকে । জলীয় দ্রবণে আয়নিক যৌগের আয়নসমূহের এরূপে অণু সংযোজিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে পানি-যোজন বা হাইড্রেশন বলা হয়। পানি-যোজন হলো তাপোৎপাদী প্রক্রিয়া। ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের সাথে পানি অণুর সংযোগের সময় নির্গত শক্তিকে হাইড্রেশন শক্তি বলে। এ নির্গত তাপ শক্তির প্রভাবে পোলার দ্রাবক পানিতে আয়নিক যৌগ যেমন কীভাবে দ্রবীভূত হয় তা নিচের চিত্রে দেখানো হয়েছে। এর কেলাস-ল্যাটিস থেকে আয়নগুলো পৃথক হয়ে পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকে। পোলার দ্রাবক পানিতে আয়নিক যৌগ যেমন কীভাবে দ্রবীভূত হয় তা নিচের চিত্রে দেখানো হয়েছে।
(পানি অণু সংযোজিত আয়ন ও পানি অণু সংযোজিত আয়ন)
চিত্র: পোলার দ্রাবক পানিতে কেলাসের দ্রবণ তৈরির প্রক্রিয়া
উদ্দীপকের তথ্যমতে, যৌগটি যৌগ এবং হলো নিচে এর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের মান অণুসমূহের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- অণু একটি পোলার সমযোজী অণু। এতে ও এর মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য অনেক বেশি। এজন্য অণুতে আংশিক ধনাত্মক ও আংশিক ঋণাত্মক চার্জপ্রাপ্ত হয় বলে এটি পোলার সমযোজী অণু। এই এক প্রান্তের ধনাত্মক হাইড্রোজেনের সাথে অপর আরেকটি অণুর ঋণাত্মক এর মধ্যে একটি দুর্বল বন্ধনের সৃষ্টি হয় যাকে হাইড্রোজেন বন্ধন বলে।
চিত্র: অণুতে বন্ধন
বন্ধনের কারণে অণুগুলো পরস্পরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। এদের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তির মান অনেক বেড়ে যায় এবং অণুগুলো তরলে পরিণত হয়। অপরদিকে অণুটি একটি অপোলার সমযোজী অণু। এর তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য শূন্য হওয়ায় এটি বিশুদ্ধ সমযেজজী অণু। এতে সমযোজী ছাড়া দুর্বল ভ্যানডার ওয়ালস আকর্ষণ বল বিদ্যমান। অণুতে আকর্ষণ খুব কম হওয়ায় অণুগুলো বিচ্ছিন্নভাবে গ্যাসীয় অবস্থায় বিরাজ করে। অর্থাৎ অণুতে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই নগন্য। সুতরাং, দেখা যাচ্ছে, ও অণুর মধ্যে অণুর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বেশি।