| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘জাহিন তার পড়ার…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২১ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

জাহিন তার পড়ার টেবিলে সন্ধ্যাবেলা একটি পতঙ্গ দেখতে পায় যা সন্ধিযুক্ত পায়ের সাহায্যে লাফ দিতে পারে এবং ডানার সাহায্যে উড়তেও পারে ।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ২
পুঞ্জাক্ষির গঠন ও কার্যের এককই হলো ওমাটিডিয়াম।
বর্ণহীন প্লাজমা এবং এর মধ্যে ভাসমান অসংখ্য বর্ণহীন রক্তকণিকা নিয়ে ঘাসফড়িং এর হিমোলিম্ফ গঠিত। হিমোগ্লোবিন বা অন্য কোনো ধরনের শ্বাসরঞ্জক না থাকায় এর হিমোলিম্ফ বর্ণহীন, শ্বসনে তেমন কোনো ভূমিকা রাখে না। খাদ্যসার, রেচনদ্রব্য, হরমোন ইত্যাদি পরিবহনে, অ্যামিনো এসিড, কার্বোহাইড্রেট প্রভৃতি সঞ্চিত রাখা, জীবাণু ধ্বংস করা, তঞ্চনে সাহায্য করা এবং ডানায় সঞ্চালন ও খোলস মোচনে সহায়তা করা হিমোলিম্ফের কাজ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং। প্রাণীটির দর্শন একক ওমাটিডিয়াম। নিম্নে ওমাটিডিয়ামের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করা হলো-
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং যা Arthropoda পর্বের প্রাণী। এর রক্তসংবহন মুক্ত সংবহন অপরদিকে আমাদের রক্তসংবহন প্রক্রিয়া বদ্ধ ধরনের। নিচে ঘাসফড়িং-এর রক্তসংবহন তন্ত্রের সাথে মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রের পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে রক্ত হৃদযন্ত্র ও রক্তবাহিকার অভ্যন্তরে অবস্থান করে। অপরদিকে ঘাসফড়িং-এর রক্ত সংবহন উন্মুক্ত যা হৃদযন্ত্র, রক্তবাহিকা ও বিভিন্ন সাইনাসের মাধ্যমে রক্ত সংবহন হয়। মানুষের রক্ত দেহগহ্বরে প্রবেশ করে না। দেহগহ্বর প্রকৃত সিলোম যুক্ত। অপরদিকে ঘাসফড়িং-এর রক্ত দেহগহ্বরে প্রবেশ করে এজন্য একে হিমোসিল বলে। মানুষের রক্ত কোষকলায় সরাসরি সংস্পর্শে আসে না। কলারসের মাধ্যমে পুষ্টি পদার্থ ও গ্যাসের বিনিময় ঘটে, অপরদিকে ঘাসফড়িং-এর রক্ত সরাসরি কোষকলার সংস্পর্শে এসে পুষ্টিপদার্থ ও গ্যাসের বিনিময় ঘটায়। মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র হৃদযন্ত্র, শিরা, ধমনি ও কৈশিক জালিকা সমন্বয়ে গঠিত, অপরদিকে ঘাসফড়িং-এর রক্ত সংবহনতন্ত্র হৃদযন্ত্র, সংক্ষিপ্ত রক্তনালি ও সাইনাস নিয়ে গঠিত।