A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Jun 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘জাকির সাহেব এলার্জি…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – সমন্বয়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

জাকির সাহেব এলার্জি জাতীয় খাবার খাওয়ার সাথে সাথে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়, বুকের ভেতর সাঁই সাঁই আওয়াজ হয়। ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে জানালেন শ্বাসজনিত রোগ ছাড়াও তাঁর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাও বেশি।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উপজিহ্বা: স্বরযন্ত্রের উপরে যে জিহ্বা আকৃতির ঢাকনা থাকে তাকে উপজিহ্বা বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রক্ত কৈশিকনালিতে পৌঁছার পর অক্সিজেন পৃথক হয়ে প্রথমে লোহিত রক্তকণিকার আবরণ ও পরে কৈশিকনালির প্রাণীর ভেদ করে লসিকাতে প্রবেশ করে। অবশেষে লসিকা থেকে কোষ আবরণ ভেদ করে কোষে পৌঁছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জাকির সাহেবের প্রথম সমস্যাটি হলো অ্যাজমা বা হ্যাঁপানি। অ্যাজমা সাধারণত রোগ প্রতিরোধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে। এই রোগের কারণ ও প্রতিকার নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

কারণ: যেসব খাবার খেলে এলার্জি হয় (চিংড়ি, গরুর মাংস, ইলিশ মাছ ইত্যাদি), বায়ুর সাথে ধোঁয়া, ধূলাবালি, ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করলে হাঁপানি হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্দি কাশি থেকে হাঁপানি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বছরের বিশেষ ঋতুতে বা ঋতু পরিবর্তনের সময় এ রোগ বেড়ে যেতে পারে।

প্রতিকার:

i. চিকিৎসায় এ রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হয় না। তবে ঔষধ সেবনে রোগী কিছুটা আরাম বোধ করে।

ii. যেসব খাদ্য খেলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়, সেগুলো না খাওয়া।

iii. আলো-বাতাসপূর্ণ গৃহে বসবাস করা।

iv. যেসব জিনিসের সংস্পর্শে হাঁপানি বাড়ায় তা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা। যেমন- পশুর লোম, কৃত্রিম আঁশ ইত্যাদি।

v. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া ও সাবধানতা অবলম্বন করা।

vi. ধূমপান, গুল, সাদা পাতা, জর্দা ইত্যাদির ব্যবহার পরিহার করা।

vii. শ্বাসকষ্টের সময় রোগীকে তরল খাদ্য খাওয়ানো।

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের জাকির সাহেব অ্যাজমা বা হ্যাঁপানি ছাড়াও ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করণীয় সম্পর্কে আমার মতামত নিম্নে বর্ণনা করা হলো:
ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে তিনটি 'D' যথা- Discipline (শৃঙ্খলা), Diet (খাদ্য নিয়ন্ত্রণ), Dose (ঔষধ সেবন) মেনে চলা অত্যাবশ্যক।
শৃঙ্খলা (Discipline): একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য তার সুশঙ্খল জীবন ব্যবস্থা মহৌষধস্বরূপ। এছাড়া-

i. নিয়মিত ও ডাক্তারের পরামর্শমতো পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করা।

ii. নিয়মিত ব্যায়াম করা।

iii. রোগীর দেহের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও বিশেষভাবে পায়ের যত্ন নেওয়া।

iv. নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করা।

V. দৈহিক কোনো জটিলতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া একান্ত কর্তব্য।

খাদ্য নিয়ন্ত্রণ (Diet): ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা। মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিহার করা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ও সময়মতো খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের মেনু অনুসরণ করলে সুফল পাওয়া যায়।

ঔষধ সেবন (Dose): ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করা উচিত নয়। ডাক্তার রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে ঔষধ খাওয়া বা ইনসুলিন নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হবে। ঠিকমতো চিকিৎসা না করা হলে রোগীর শ্বসনের হার কমে যায়, ফলে পানি স্বল্পতার কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে রোগী বেহুশ হয়ে পড়ে। অনেক সময় রোগীর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘জাকির সাহেব এলার্জি…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – সমন্বয়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”