A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘যারা ভালোবাসে তারা…’ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ২০২৬ – তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

যারা ভালোবাসে তারা যুদ্ধে যায়,

যারা যুদ্ধে যায় সকলে ফিরে আসে না।

এবং যারা মায়ের কাছে ফিরে আসে-

তাদের ঝুলিতে বর্ণমালার নূপুর,

ঢেঁকিতে কিশোরী পা, ডুরে শাড়ি ঘাসের ফড়িং। 

উত্তর:

হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে বসে আছে।

উত্তর:

শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো নিরীহ মানুষকে কামানের গোলায় নিশ্চিহ্ন করে দিতে।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় বর্বর পাকিস্তানি যুদ্ধবাজদের নির্মম অত্যাচারের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। রূপকথার দানবের মতো চিৎকার করতে করতে কামানের গোলার তীব্র শব্দ নিয়ে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক প্রথম ঢাকা শহরে প্রবেশ করেছিল। সেই ট্যাঙ্কের গোলায় প্রাণ যায় অগণিত নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালির এবং উজাড় হয় বাসস্থান, বস্তি।

উত্তর:

উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। তারা নিরস্ত্র নিরীহ বাঙালির ওপর নির্মম অত্যাচার চালায়। এ দেশের সকল শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ, নারী, শিশু, বৃদ্ধ সবাইকে নির্বিাচারে হত্যা করে। এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নয় মাস ধরে যুদ্ধ করে অনেক রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করে।

উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণে স্বদেশকে ভালোবেসে, স্বদেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য যুদ্ধে যাওয়া এবং সকলের ফিরে না আসার কথা বলা হয়েছে। এখানে স্বদেশকে ভালোবেসে জীবন উৎসর্গ করার যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার স্বাধীনতার জন্য মহান আত্মত্যাগের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের নিরীহ মানুষের ওপর নির্মম অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। তারা এ দেশের মানুষের মন থেকে স্বাধীনতার স্বপ্নকে চিরতরে মুছে দিতে চেয়েছিল। তারা শেষ পর্যন্ত তা পারেনি। এভাবে উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

উত্তর:

মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসর কারণে "উদ্দীপকে মায়ের কাছে ফিরে আসা সন্তানরাই 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় তেজি তরুণের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল"- মন্তব্যটি যথার্থ।

"তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য বাঙালি যে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে তা তুলে ধরা হয়েছে। কবি এখানে এ দেশের সর্বস্তরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা এবং তাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করার দিকটি তুলে ধরেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালির আত্মত্যাগের এই চেতনা ১৯৫২ সালের ভাষার অধিকার অর্জনের জন্য রক্তমূল্য দানের চেতনারই প্রতিফলন।

উদ্দীপকে মায়ের কাছে ফিরে আসা ছেলেরাই বাংলামাকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধে এগিয়ে যায়। এখানে বাঙালির ধারাবাহিক সংগ্রামী চেতনায় সামনে এগিয়ে চলাকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় আত্মদানের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি ১৭৫৭সালের ২৩ জুন পলাশির প্রান্তরে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর থেকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্যন্ত বাঙালির বারবার ফুঁসে ওঠার প্রসঙ্গ এনেছেন। প্রতিবারই এ দেশের তেজি তরুণরা এগিয়ে এসেছেন। সর্বশেষ এ দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তেজি তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের মরণপণ যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনারা পর্যুদস্ত হয়েছে। উদ্দীপকেও এই তেজি তরুণদের কথা বলা হয়েছে। মূলত তারুণ্যের চেতনাই শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করেছে। এ দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘যারা ভালোবাসে তারা…’ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ২০২৬ – তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”