A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ যশোর বোর্ড ২০২২ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ১৬🏫 বোর্ড যশোর বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কলেরা রোগের জীবানুর নাম vibrio cholerae.

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সাইজন্ট দশার প্রতিটি নিউক্লিয়াস প্রায় ৪৫ ঘন্টা পর সাইটোপ্লাজম ও প্লাজমামেমব্রেনসহ বিভক্ত হয়ে গোলাকার কোষে পরিণত হয়। এদের মেরোজয়েট বলে। এই গোলাকার কোষগুলো ১২-১৮ টি হয়ে থাকে।মেরোজয়েটগুলো গোলাপের পাপড়ির ন্যায় দুইপাশে সজ্জিত হয়ে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে চিত্র A হলো টোবাকো মোজাইক ভাইরাস এবং চিত্র B হলো T2 ব্যাকটেরিওফায ভাইরাস।

ভাইরাস হলো রোগ সৃষ্টিকারী অকোষীয়, অতি আণুবীক্ষণিক বাধ্যতামূলক পরজীবি। এটি নিউক্লিক অ্যাসিড ও প্রোটিন দিয়ে গঠিত।

জীব ও জড় উভয় পরিবেশই ভাইরাসের আবাস্থল।ভাইরাস জীবদেহের সংস্পর্শে না আসলে জড় বস্তুর ন্যায় আচরন করে। তখন বংশবিস্তার করে না, জৈবিক কার্যাবলি সম্পাদন করতে পারে না, খাদ্যগ্রহন করে না, নিস্ক্রিয় থাকে ইত্যাদি কিন্তু জীবদেহের সংস্পর্শে আসলে জীবের মত আচরন করে অর্থাৎ বংশবিস্তার করে, জৈবনিক কার্যাবলি সম্পাদন করতে পারে, পরজীবী, নিস্ক্রিয় থাকে না ইত্যাদি। তাই একে জীব বা জড় কোনটাতেই বলা যায় না।ভাইরাসের অবস্থানের উপর নির্ভর করে এটা জড় হবে নাকি জীব হবে। উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করতে পারে। আবার নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বাতাস, মাটি, জল ইত্যাদি প্রায় সব জড় মাধ্যমে ভাইরাস অবস্থান করে। তাই বলা যায়, ভাইরাস কখনো জীব, কখনো জড়ের ন্যায় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে চিত্র B হলো ভাইরাস এবং চিত্র C হলো ব্যাকটেরিয়া। ভাইরাস দ্বারা ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত হলে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হতে পারে আবার নাও পারে। উক্তিটি নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:

বিশেষ উপায়ে ভাইরাসের সংখ্যাবৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং প্রতিটি নতুন ভাইরাস দেখতে হুবহু একই রকম হয়। একটি পরিপূর্ণ ভাইরাস কখনো পূর্বস্থিত (Pre existing) কোনো ভাইরাস থেকে সরাসরি উদ্ভূত হয় না। এছাড়া ভাইরাস অকোষীয় তাই নতুন ভাইরাস সৃষ্টি প্রক্রিয়াকে জীবন চক্র বলা হয় না, বলা হয় সংখ্যাবৃদ্ধি প্রক্রিয়া। ব্যাকটেরিওফায-এর সংখ্যাবৃদ্ধি দু'ভাবে ঘটে থাকে; যথা- (ক) লাইটিক চক্র বা ভাইরুলেন্ট চক্র এবং (খ) লাইসোজেনিক চক্র বা টেমপারেট দশা।

লাইটিক চক্রে পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রচুর সংখ্যক ব্যাকটেরিওফায তৈরি হওয়ার পর ফায একটি সুনির্দিষ্ট এনজাইম তৈরি করে যার কার্যকারিতায় পোষক কোষের প্রাচীর বিদীর্ণ হয়ে যায়, ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায় এবং নতুন সৃষ্ট ব্যাকটেরিওফাযসমূহ মুক্তভাবে বেরিয়ে আসে। মুক্ত হওয়া প্রতিটি ফায একটি নতুন E. coli ব্যাকটেরিয়ামকে আক্রমণ করতে সক্ষম। পোষক কোষে বংশগতীয় বস্তু প্রবেশের পর ভাইরাসের সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটতে পারে এবং পোষক কোষ ভেঙ্গে অনেকগুলো ভিরিয়ন মুক্ত হয়। ভাইরাসের এ ধরনের সংখ্যাবৃদ্ধি প্রক্রিয়াকে লাইটিক চক্র বলে। কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ হওয়াকে লাইসিস বা বিগলন বলে। লাইটিক চক্রের মাধ্যমে মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ৩০০টি নতুন ফায সৃষ্টি হয়ে থাকে। নির্গত নতুন ফায নতুন পোষক কোষে সংক্রমণ সৃষ্টি করে।

যেখানে, লাইসোজেনিক চক্রে  ফায ভাইরাস পোষক কোষপ্রাচীরকে ছিদ্র করে DNA অণুকে পোষক কোষে প্রবিষ্ট করায় এবং শূন্য প্রোটিন আবরণটি পোষক কোষের বাইরে থেকে যায়। নিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যাকটেরিয়ার DNA-কে একটি জায়গায় কেটে ফেলে এবং এই কাটা স্থানে ইন্টিগ্রেজ এনজাইম এর প্রভাবে ফায DNA-টি গিয়ে সংযুক্ত হয়ে প্রোফায DNA গঠন করে। এটি ব্যাকটেরিয়ায় সুপ্তাবস্থায় থাকে। ফায DNA সহ E. coli ব্যাকটেরিয়া দ্বি-বিভাজন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি বা বংশবৃদ্ধি করতে থাকে। এভাবে প্রতিটি অপত্য ব্যাকটেরিয়ায় ভাইরাস DNA-র একটি কপি সংযুক্ত হতে থাকে।

সুতরাং বলা যায় লাইটিক চক্র চলাকালীন ব্যাকেটেরিয়ার মৃত্যু হয় যেখানে লাইসোজেনিক চক্র ব্যাকটেরিয়া কে জীবীত রেখেই ফায ভাইরাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ যশোর বোর্ড ২০২২ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”