কৈশিক জালিকার বাইরে আন্তঃকোষীয় ফাঁকা স্থানে অবস্থানকারী পরিবর্তিত কলারসকে লসিকা বলে।
উদ্ভিদের বিভিন্ন পরিবহন কাজের সাথে জড়িত টিস্যুসমূহকে পরিবহণ টিস্যু বলে। ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদ কাণ্ডে জাইলেমের সাথে অবস্থান করে। এরা উদ্ভিদের পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদের দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবহণ করে। এ কারণে ফ্লোয়েমকে পরিবহণ টিস্যু বলে।
উদ্দীপকে চিত্র 'C' দ্বারা সেন্ট্রোজোমকে দেখানো হয়েছে। নিচে সেন্ট্রোজোমের গঠন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-
গঠন বৈশিষ্ট্য : সেন্টোজোম প্রধানত প্রাণিকোষে পাওয়া যায়। তবে
কিছু কিছু নিম্ন শ্রেণির উদ্ভিদ কোষেও এদের কদাচিৎ দেখা যায়। প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি সেন্ট্রিওল অবস্থান করে। সেন্ট্রিওল ফাঁপা, নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু। সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত গাঢ় তরল পদার্থকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার বলে। সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্টিওলকে সেন্ট্রোজোম বলে।
সেন্ট্রোজোমে বিদ্যমান সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার-রে তৈরি করে। এছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোমের অবদান রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্লাজেলা সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোম অংশগ্রহণ করে।
উদ্দীপকের A চিহ্নিত অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়া এবং B অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে উভয় অঙ্গানুর মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্টের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
ক্লোরোপ্লাস্টের উপস্থিতিতে সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে যা উদ্ভিদের খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে। মূলত সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। পাতা, কচি কাণ্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। অপরদিকে মাইটোকন্ড্রিয়া কেবল শক্তি উৎপাদনের সাথে জড়িত কিন্তু খাদ্য তৈরির সঙ্গে জড়িত নয়।
তাই উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্ট খাদ্য তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
