A. Nayan
A. Nayan
1 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ যশোর বোর্ড ২০২৩ – পদার্থের অবস্থা, রসায়ন (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: রসায়ন📖 ১ম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: যশোর বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় তাকে ঊর্ধ্বপাতন পকিয়া বলে।

উত্তর:

"উদ্ভিদের খাদ্য উৎপাদন রসায়নের সাথে সম্পর্কিত" উক্তিটি নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-

সাধারণত উদ্ভিদ মাটি থেকে মূল দ্বারা খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে এবং তা পাতার ক্লোরোফিলের দ্বারা সূর্যালোকের সাহায্যে নিজের খাদ্য তৈরি করে। অর্থাৎ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে। উদ্ভিদ বাতাস হতে CO2 ও মূল দিয়ে মাটি হতে H2O শোষণ করে। উদ্ভিদের সবুজ অংশের ক্লোরোফিল সূর্যালোকের উপস্থিতিতে CO2H2O পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে C6H12O6O2 উৎপন্ন করে।

যেহেতু সালোকসংশ্লেষণ মূলত একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া। সেহেতু উদ্ভিদের খাদ্য উৎপাদন রসায়নের সাথে সম্পর্কিত।

উত্তর:

উদ্দীপকের বক্ররেখাটি নিম্নরূপ-

উপরিউক্ত বক্ররেখাটি কঠিন পদার্থের তাপীয় বক্ররেখা। বক্ররেখার AB অংশ পদার্থটির কঠিন অবস্থা প্রকাশ করে। A থেকে B অবস্থায় যেতে পদার্থটি তাপ গ্রহণ করে এবং 50C তাপমাত্রায় B বিন্দুতে কঠিন পদার্থের গলন শুরু হয়েছে। অতঃপর পদার্থটি আরো তাপ গ্রহণ করে B বিন্দু হতে C বিন্দুতে সম্পূর্ণরূপে তরলে পরিণত হয়। সুতরাং B বিন্দু পদার্থের গলনাঙ্ক প্রকাশ করে এবং BC রেখা হলো গলন তাপ যা C বিন্দুতে শেষ হয়েছে। C হতে D বিন্দুতে যেতে তরল পদার্থটি পুণরায় তাপ গ্রহণ করে এবং D বিন্দুতে পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক প্রকাশ করে, DE বক্ররেখা হলো সস্ফুটন তাপ যা E বিন্দুতে শেষ হয়েছে। এখানে BC ও DE বক্ররেখা বরাবর পদার্থ তাপ গ্রহণ করলেও তাপমাত্রার কোন পরিবর্তন হয়নি। এ কারণে BC বক্ররেখাকে গলন সুপ্ত তাপ ও DE বক্ররেখাকে স্ফুটন সুপ্ততাপ রেখা বলে। EF বক্ররেখা দ্বারা পদার্থের জলীয় বাষ্পের অবস্থা নির্দেশ করে আর এ বক্ররেখার তাপমাত্রা 150C এর উপরে প্রকাশ করে।

উত্তর:

উদ্দীপকের বক্ররেখাটি নিম্নরূপ-

বক্ররেখার A বিন্দুতে পদার্থটি কঠিন অবস্থা এবং F বিন্দুতে পদার্থটি বাষ্পীয় অবস্থায় বিরাজ করে। A বিন্দুতে পদার্থের অনুসমূহের মধ্যে আন্তঃ আকর্ষণ শক্তি খুবই বেশি আকার অণুগুলো পরস্পরের খুবই কাছাকাছি অবস্থান করে। ফলে নিজ নিজ অবস্থান হতে নড়তে পারে না। অর্থাৎ অনুসমূহের আন্তঃ আনবিক শক্তি বেশি হয়। এরূপ অবস্থায় অণুসমূহের মধ্যে আন্তঃকণা গতিশক্তি থাকে না বললেই চলে।

কিন্তু F বিন্দুতে পদার্থটি বাষ্পীয় অবস্থায় থাকার ফলে এর অণুসমূহের মধ্যে গতিশক্তি এত পরিমাণ বেড়ে যায় যে অণুগুলো আন্তঃকণা আকর্ষণ বল হতে প্রায় মুক্ত হয়ে বিক্ষিপ্তভাবে এদিক-সেদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। এ অবস্থায় অণুসমূহের মধ্যে গতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি থাকে না বললেই চলে এবং আন্তঃকণা গতিশক্তি সর্বোচ্চ পরিমাণ বেশি হয়।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ যশোর বোর্ড ২০২৩ – পদার্থের অবস্থা, রসায়ন (এসএসসি)”