| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘যশোর অঞ্চল থেকে…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২১ – কৃষি, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)

যশোর অঞ্চল থেকে রবিন উত্তর-পূর্ব দিকের পাহাড়িয়া অঞ্চলে বেড়াতে গিয়ে বিশেষ ধরনের ফসল দেখতে পেল যা অর্থকরী ফসল হিসাবে পরিচিত।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
BRRI-এর পূর্ণরূপ হলো- Bangladesh Rice Research Institute.
মৎস্য বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এটি কেবল খাদ্যই নয়; বরং রপ্তানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন হয়। মৎস্য আমাদের প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ পূরণ করে থাকে। দেশের সর্বত্রই প্রায় নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, হাওর-বাঁওড়, সমুদ্র উপকূলের জলরাশিতে মৎস্য পাওয়া যায় ও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে মৎস্য চাষ করা হয়ে থাকে। ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ৩৮.৭৭ লক্ষ মে. টন। বাংলাদেশ মাছ রপ্তানিতে বিশ্বে সপ্তম। তবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে চিংড়ির অবস্থান চতুর্থ।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ফসলটি হলো চা যা উৎপাদনে কিছু অনুরুদ নিয়ামক প্রয়োজন। নিচে চা উৎপাদনের জন্য অনুকূল নিয়ামক ব্যাখ্যা করা হলো-
চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন। চা গাছের বৃদ্ধিকালীন সময়ে তাপমাত্রা ২০° সে অপেক্ষা বেশি হওয়া আবশ্যক। চা গাছ স্বল্প তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে। যেসব এলাকায় বছরে ১২৫ থেকে ৬২৫ সেমি বৃষ্টিপাত হয় এবং শুষ্ক ঋতু ক্ষণস্থায়ী সেখানে চা গাছের পাতা ও কুঁড়ি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। সমুদ্রপৃষ্ঠের ৬০০ থেকে ১,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত পার্বত্য ঢালু অঞ্চলে চা বাগান গড়ে তোলা হয়। পার্বত্য ঢালু অঞ্চল অপেক্ষাকৃত শীতল। সেখানে প্রবল বৃষ্টিপাত হলেও চা গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকে না। চা বাগান তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ বিদ্যমান থাকা প্রয়োজন। নাইট্রোজেনযুক্ত কিছুটা অম্লধর্মী মৃত্তিকা চা গাছ জন্মানোর জন্য বিশেষ উপযোগী।এছাড়া সুলভ শ্রমিকের যোগান, উন্নত পরিবহন সার ও কীট নাশকের যোগান, সরকারি ঋণনীতি প্রভৃতি আর্থ-সামাজিক নিয়ামকও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে রবিনের দেখা ফসলটি হলো চা, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চায়ের ভূমিকা অপরিসীম।
চা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বাণিজ্যিক ফসল। বাংলাদেশে চায়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়া চায়ের বিশ্ববাণিজ্যেও বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিয়েছে।
বাংলাদেশ হতে চা প্রধানত যুক্তরাজ্য, রুশ ফেডারেশন, ভারত, পোল্যান্ড, পাকিস্তান, মিশর, যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি দেশে রপ্তানি করে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূলোর চা রপ্তানি করেছে। শুধু তাই নয় এই চা বাগানে চাকরি করে বিপুল সংখ্যক লোক তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে।তাই বলা যায়, স্থানীয় চাহিদা পুরণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, বেকারত্ব লাঘব ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চায়ের যথেষ্ট অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে।
বাংলাদেশ হতে চা প্রধানত যুক্তরাজ্য, রুশ ফেডারেশন, ভারত, পোল্যান্ড, পাকিস্তান, মিশর, যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি দেশে রপ্তানি করে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের চা রপ্তানি করেছে। শুধু তাই নয় এই চা বাগানে চাকরি করে বিপুল সংখ্যক লোক তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে।তাই বলা যায়, স্থানীয় চাহিদা পূরণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, বেকারত্ব লাঘব ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চায়ের যথেষ্ট, অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে।