A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘“যে যাবে না…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২২ – আঠারো বছর বয়স, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১৯তম অধ্যায় — আঠারো বছর বয়স🔢 সৃজনশীল নং ৭🏫 বোর্ড কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,

যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,

আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।

শ্লোগান কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।

প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,

বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলায় ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি ‘এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'— চরণটির মাধ্যমে এ বয়সে নতুন নতুন তত্ত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে বুঝিয়েছেন । 

আঠারো বছর বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো স্বনির্ভর জীবনযাপনের প্রয়াস চালায়। এ জন্য তাকে বাস্তব রুক্ষ মাটির পৃথিবীর ওপর দাঁড়াতে হয়। এ সময় তারা ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত তরুণদের সকল বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

আঠারো বছর বয়স কবিতায় কবি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বয়সন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। এ বয়সে তরুণেরা অসীম আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত।তাই তারা শত আঘাত সংঘাতের  মধ্যেও রক্তশপথ নিয়ে মানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।এরা স্থবিরতা, নিশ্চলতা, জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে। তাই আলোচ্য কবিতায় কবি প্রগতি ও অগ্রগতির পথে এ বয়সি তরুণদের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন।উদ্দীপকের কবি দুরন্ত-দুবার তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এ তরুণেরা আগুনে পুড়ে, রক্ত দিয়ে যে সত্য জেনেছে এবং মন্ত্র শিখেছে তা তাদের শক্তি। সামনের দিকে চলতে তারা প্রথমেই তাদের ভেতরের ভীরুতাকে পোড়াতে চেয়েছে। তারপর পোড়াতে চেয়েছে অন্ধ বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তার মেদকে। এখানে তারুণ্যকে অফুরন্ত প্রাণের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আর তারুণ্যের এসব বৈশিষ্ট্যই 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সদ্য যৌবনে উত্তীর্ণ তরুণদের মধ্যে কবি প্রত্যক্ষ করেছেন। এভাবেই ও উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে' - উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে উক্তিটি যথার্থ । 

‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সকে দুর্বার ও নির্ভীক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এ বয়সের তরুণেরা সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতকে রুখে দিতে পারে। তাই আলোচ্য কবিতায় কবি জাতীয় জীবনে এ বয়সি তরুণদের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন । 

উদ্দীপকে দুর্বার তরুণদের কথা বলা হয়েছে। কোনো সঙ্গ না পেলেও তাদের চলার পথ থেমে যায় না। আর এই শক্তি তারা লাভ করেছে আগুনে পুড়ে এবং রক্ত দিয়ে। সত্যের পথে চলতে তারা তাদের অন্তর্গত ভীরুতা, দ্বিধা ও জড়তাকে ধ্বংস করেছে। সেই শক্তি ও সাহসের বলেই তারা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় ঠিক একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ করা যায় । 

‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় বলা হয়েছে, এ বয়সের আছে সমস্ত দুর্যোগ আর দুর্বিপাক মোকাবিলা করার অদম্য শক্তি। কবি তাই সমস্যাপীড়িত এ 3 দেশে আঠারোর তারুণ্যকে প্রত্যাশা করেছেন। অর্থাৎ, আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপকের কবিতাংশ উভয় ক্ষেত্রেই সমাজজীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের য়। প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। পাঠ্য কবিতার কবি প্রত্যাশা করেছেন আঠারো বছর বয়সি তরুণেরা যেন দেশের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আর | উদ্দীপকের কবিতাংশের তরুণেরা সত্যের পথে এগিয়ে যেতে নিজেদের | জড়তা, ভীরুতা ও দ্বিধাকে ধ্বংস করেছে। সুতরাং, উভয় কবিতায় যে | তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য উঠে এসেছে, তাদের পক্ষেই সম্ভব একটি জাতিকে সমৃদ্ধ করতে । আর তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটিকে যথার্থ বলা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘“যে যাবে না…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২২ – আঠারো বছর বয়স, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”