A. Nayan
A. Nayan
29 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘যে মোরে দিয়েছে…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – মানুষ মুহম্মদ (স.), বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ১২তম অধ্যায় : মানুষ মুহম্মদ (স.) - মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২২⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

যে মোরে দিয়েছে বিষে ভরা বাণ

আমি দেই তারে বুক ভরা গান

কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম-ভর,-

আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

উত্তর:

মহানবি (স.) তায়েফে সত্য প্রচার করতে গিয়ে বিপদে পড়েছিলেন।

উত্তর:

'এদের জ্ঞান দাও প্রভু, এদের ক্ষমা কর'- কথাটি দ্বারা মূলত হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মহানুভবতা ও ক্ষমাশীলতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

মানবমুক্তির কান্ডারি মুহম্মদ (স) ছিলেন ক্ষমার মূর্তপ্রতীক। সত্যের পথে অবিচল থাকতে গিয়ে তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে নানা গঞ্জনা ও ও প্রহার। মক্কার পথে-প্রান্তরে নগরবাসীরা তাঁকে নানাভাবে উপহাস করত। পৌত্তলিকদের প্রস্তরাঘাতে তিনি জর্জরিত হয়েছেন বারবার। তারপরও তাঁর মনের মধ্য থেকে কখনো প্রতিশোধের রূপ বের হয়ে আসেনি। উলটো তিনি তাদের হয়ে প্রভুর কাছে ক্ষমা ও জ্ঞান প্রার্থনা করেছেন। মূলত প্রশ্নোক্ত কথাটির মধ্য দিয়ে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মহানুভবতা ও ক্ষমাশীলতার পরিচয় প্রতীয়মান হয়েছে। 

উত্তর:

উদ্দীপকে 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের হযরত মুহম্মদ (স.)-এর প্রেমময়তা ও ক্ষমাশীলতার দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

পৃথিবীতে প্রেমই একমাত্র শক্তি, যার মাধ্যমে চিরশত্রুও মিত্রে পরিণত হয়। মানুষে মানুষে প্রেমের বন্ধনেই নির্মিত হয় সুন্দর সমাজ। যুগে যুগে মহামানবেরা এই প্রেমের বাণীই মানবসমাজে পৌঁছে দিয়েছেন।

'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মানবীয় গুণাবলির একটি হলো ক্ষমাশীলতা। তিনি মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন, মানুষের মঙ্গলাকাঙ্ক্ষায় বিনিদ্র রজনী যাপন করেছেন। যারা তাঁকে বারবার আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে, তাদেরকে তিনি কখনো অভিশাপ দেননি। মৃত্যুর পূর্বমুহূর্তেও তিনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশেও সেই ক্ষমা ও প্রেমবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কবি সারা জীবন শত্রুর কাছ থেকে বিষে ভরা বাণ পেয়েও তাকে বুক ভরা গান দিয়েছেন। তাকে আপন করতে ব্যাকুল হয়েছেন, যে তাঁকে পর করে দিয়েছে। তিনি ক্ষমা করে প্রেম দিয়ে শত্রুতা জয় করতে চেয়েছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের এই প্রেমময়তা 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের হযরত মুহম্মদ (স.)-এর প্রেমময়তা ও ক্ষমাশীলতার দিকটির প্রতিফলন।

উত্তর:

উক্ত গুণ তথা ক্ষমাশীলতার গুণ হযরত মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রকে আংশিক আলোকিত করে—'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ।

হযরত মুহম্মদ (স.) ছিলেন ইসলামের সর্বশেষ, সর্বশ্রেষ্ঠ নবি। তাঁর চরিত্রে প্রেম, ক্ষমা, মহত্ত্ব, মহানুভবতার মতো অজস্র গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। তিনি শত্রুকেও বুকে টেনে নিয়ে মানবপ্রেমের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।

উদ্দীপকে মহানবি হযরত মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রের অন্যতম একটি দিকের পরিচয় ফুটে উঠেছে। এখানে কবি প্রেমের বাঁধনে চরম শত্রুকেও জড়িয়ে রাখেন। কবির বুকে যে আঘাত করে, তাকে কবি নিজের বুকে আগলে আপন করে নেন। 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের মহানবি হযরত মুহম্মদ (স.)-ও এভাবে শত্রুকে আপন করে নিয়েছিলেন। যারা তাঁর পথে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, তিনি তাদের পরম মমতায় বুকে টেনে নিয়েছিলেন। তাদের ভালোবেসে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন।

হযরত মুহম্মদ (স.) ছিলেন সর্বগুণের আধার। ক্ষমা, দয়া, পরোপকারিতা, প্রেম প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যে তাঁর চরিত্র ছিল মহিমান্বিত। উদ্দীপকের কবিতাংশে শুধু কবির প্রেমময় হৃদয়ের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে, যা মুহম্মদ (স.)-এর অজস্র গুণাবলির মধ্যে একটি, আর তা হলো ক্ষমাশীলতা। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ। 

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘যে মোরে দিয়েছে…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – মানুষ মুহম্মদ (স.), বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”