A. Nayan
A. Nayan
29 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘যে মোরে দিয়েছে…’ যশোর বোর্ড ২০২৫ – মানুষ মুহম্মদ (স.), বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ১২তম অধ্যায় : মানুষ মুহম্মদ (স.) - মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী🔢 সৃজনশীল নং: ১৩🏫 বোর্ড: যশোর বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

যে মোরে দিয়েছে বিষে ভরা বান,

আমি দেই তারে বুক ভরা গান

কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনমভর,-

আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

উত্তর:

হজরত ওমরের শিথিল অঙ্গ মাটিতে লুটাইল।

উত্তর:

◉ নিজেকে অত্যন্ত সাধারণ মানুষ হিসেবে তুলে ধরতে গিয়ে মহানবি (স.) এ কথা বলেছেন।
◉ মক্কা বিজয়ের পর সাফা পর্বতের পাশে বসে মানুষকে দীক্ষা দেওয়ার সময় এক ব্যক্তি এসে ভয়ে কাঁপতে থাকে। তার ভয় পাওয়া দেখে মহানবি (স.) তাকে শান্ত করার জন্য নিজের সাধারণত্ব তুলে ধরেন। তিনি লোকটিকে আশ্বস্ত করার জন্য নিজের অত্যন্ত সাধারণ পরিচয় তুলে ধরেন। তিনি নিজেকে অত্যন্ত সাধারণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন- তিনি অত্যন্ত সাধারণ খাবার গ্রহণ করেন, তাই তাঁকে ভয়। পাওয়ার কিছুই নেই। মহানবি (স.) নিজের সাধারণত্ব তুলে ধরতেই আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।

উত্তর:

◉ উদ্দীপকের সঙ্গে 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো- হজরত মুহম্মদ (স.)-এর প্রেমময়তা ও ক্ষমাশীলতা।
◉ 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে হজরত মুহম্মদ (স.)-এর গুণাবলি তুলে ধরা হয়েছে। হজরত মুহম্মদ (স.) ছিলেন ক্ষমার মূর্ত প্রতীক। তিনি তাঁর প্রতি আঘাত হানা শত্রুকেও ক্ষমা করে দিয়েছে নির্দ্বিধায়। এমনকি তাঁর প্রতি আঘাত হানা শত্রুদের জন্য স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করেছেন।
◉ 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে হজরত মুহম্মদ (স.)-এর মানবীয় গুণাবলির একটি হলো ক্ষমাশীলতা। তিনি মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন, মানুষের মঙ্গলাকাঙ্ক্ষায় বিনিদ্র রজনি যাপন করেছেন। যারা তাঁকে বারবার আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে তাদেরকে তিনি কখনো অভিশাপ দেননি। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও তিনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশেও সেই ক্ষমা ও প্রেমবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কবি সারা জীবন শত্রুর কাছ থেকে বিষে-ভরা বাণ পেয়েও বিনিময়ে বুকভরা গান দিয়েছেন। তাকে আপন করতে ব্যাকুল হয়েছেন, যে তাঁকে পর করে দিয়েছে। তিনি ক্ষমা করে প্রেম দিয়ে শত্রুতা জয় করতে চেয়েছেন। এভাবেই উদ্দীপকের প্রেমময়তা 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের হজরত মুহম্মদ (স.)-এর প্রেমময়তা ও ক্ষমাশীলতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর:

◉ উদ্দীপকের ক্ষমাশীলতা ও প্রেমময়তা ছাড়া অন্য কোনো গুণের ইঙ্গিত না থাকায় “উদ্দীপকে 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র" মন্তব্যটি যথার্থ।
◉ 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে হজরত মুহম্মদ (স.)-এর গুণাবলির বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তিনি বিপুল ঐশ্বর্য ও ক্ষমতার মধ্যে থেকেও একজন সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করে গেছেন। হজরত মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রে অজস্র মানবিক গুণাবলির সমন্বয় ঘটেছিল। ক্ষমা ও মহত্ত্ব, প্রেম ও দয়া তাঁর অজস্র চারিত্রিক গুণের মধ্যে প্রধান।
◉ উদ্দীপকে মহানবি হজরত মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রের অন্যতম একটি দিকের পরিচয় ফুটে উঠেছে। এখানে কবি প্রেমের বাঁধনে চরম শত্রুকেও জড়িয়ে ধরে কাছে টেনে নেন। কবির বুকে যে আঘাত করে, তাকে কবি নিজের বুকে আগলে আপন করে নেন। 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের মহানবি হজরত মুহম্মদ (স.) ও এভাবে শত্রুকে আপন করে নিয়েছিলেন। যারা তাঁর পথে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল, তিনি তাদের পরম মমতায় বুকে টেনে নিয়েছিলেন। তাদের ভালোবেসে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। উদ্দীপকের কবিতাংশে কেবল মহানবি (স.)-এর প্রেমময়তা ও দয়াশীলতার প্রকাশ ঘটেছে। তিনি এই গুণ ছাড়াও আরও নানা গুণের অধিকারী ছিলেন।

◉ হজরত মুহম্মদ (স.) ছিলেন সর্বগুণের আধার। ক্ষমা, দয়া, পরোপকারিতা, প্রেম প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যে তাঁর চরিত্র ছিল মহিমান্বিত। উদ্দীপকের কবিতাংশে শুধু কবির প্রেমময় হৃদয়ের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে, যা হজরত মুহম্মদ (স.)-এর অজস্র গুণের মধ্যে একটি। এই প্রেমময় ক্ষমাশীলতা ছাড়াও তিনি আরও যেসব গুণের অধিকারী ছিলেন সেগুলোর প্রকাশ উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘যে মোরে দিয়েছে…’ যশোর বোর্ড ২০২৫ – মানুষ মুহম্মদ (স.), বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”