A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘জীবের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ…’ বরিশাল বোর্ড ২০২১ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — কোষ বিভাজন🔢 সৃজনশীল নং ১৯🏫 বোর্ড বরিশাল বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

জীবের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, এক ধরনের কোষ বিভাজনে মাতৃকোষ ও অপত্য কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা সমান থাকে এবং অপর এক ধরনের ক্ষেত্রে কোমোসোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোন টিস্যুর মোট সংখ্যা এবং মাইটোসিসরত কোষ সংখ্যার অনুপাত হলো মাইটোটিক ইনডেক্স

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আমরা জানি, ইন্টারফেজ দশা ও মাইটোটিক কোষ বিভাজন পর্যায়ক্রমিকভাবে কোষ চক্র সম্পন্ন করে। এই কোষ চক্র জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

১. কোষ চক্র না হলে এককোষী বা বহুকোষী কোনো জীবেরই বংশবৃদ্ধি হবে না। 

২. কোষচক্রের ইন্টারফেজ-এর প্রস্তুতির কারণেই মাইটোসিস হয়। আর মাইটোসিস বহুকোষী জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটায়। প্রজনন অঙ্গ তৈরি করে এবং ক্ষয়পূরণ করে। 

৩. প্রতিটি জীবে স্বাভাবিক কোষ চক্র ও জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি সম্পন্ন করে। অস্বাভাবিক অর্থাৎ অনিয়ন্ত্রিত কোষচক জীবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত করে। এমনকি ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি করে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম ধরনের কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজন। মাইটোসিস কোষ বিভাজন ছাড়া যেমন দেহের বৃদ্ধি সম্ভব নয়, আবার এই বিভাজন অনিয়ন্ত্রিত হলেও সমস্যা দেখা দেয়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- আমরা জানি, মাইটোসিস কোষ বিভাজনে একটি মাতৃ কোষ থেকে দুটি সমগুণসম্পন্ন কোষ উৎপন্ন হয়। নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোসোম একবার বিভক্ত হওয়ার কারণে উৎপন্ন অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে। এ বিভাজন সাধারণত জীবের সকল বিভাজন ক্ষমতাসম্পন্ন সকল দেহকোষ এবং জননকোষে ঘটে থাকে। ফলে জীবের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে। কিন্তু মাইটোসিস কোষ বিভাজনটি যখন অনিয়ন্ত্রিত হয় তখন দেহে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। কোন কারণে এই নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে গেলে অস্বাভাবিকভাবে কোষ বিভাজন চলতে থাকে। এর ফলে টিউমার ও ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রকার প্যাপিলোমা ভাইরাস ক্যান্সার কোষ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এই ভাইরাসের E এবং B নামের দুটি জিন এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ সৃষ্টি করে যা কোষ বিভাজন নিয়ন্ত্রক দুটি প্রোটিন অণুকে (যেমন- সাইক্লিন- alks pl) স্থানচ্যুত করে। এর ফলে কোষ বিভাজনের নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায়, সৃষ্টি হয় টিউমার। আবার এই দুটি জিন পোষক কোষের জিনের সাথে একীভূত হয়ে কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণকারী প্রোটিন অণুসমূহের কাজ বন্ধ করে দেয়। এর ফলে সৃষ্টি হয় ক্যান্সার। ক্যান্সার একটি মারাত্মক রোগ, এর ফলে মৃত্যু প্রায় অবধারিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় ধরনের কোষ বিভাজনটি হলো মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যা জীবনের ধারাবাহিকতা ও বৈচিত্র্যতা আনতে সক্ষম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- মিয়োসিস কোষ বিভাজন জীবের প্রজনন, বিবর্তন এবং নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। জীবের যৌন প্রজননের জন্য প্রথমেই। পুং ও স্ত্রী গ্যামেট সৃষ্টির প্রয়োজন হয়। পুং ও স্ত্রী জনন মাতৃকোষ মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে যথাক্রমে হ্যাপ্লয়েড পুংগ্যামেট এবং স্ত্রী গ্যামেট বা ডিম্বাণু তৈরি করে রে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের যৌন মিলন এর মাধ্যমে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেট তৈরি না হলে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করতে পারত না। আবার এ দু'ধরনের জনন কোষ মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমেই তৈরি হয়ে থাকে। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়ের মাধ্যমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্যের পুনর্বিন্যাস ঘটে। ফলে নতন বংশধরে আসে বৈচিত্র্য এবং সৃষ্টি হয় নতন প্রকরণ। যেহেতু মিয়োসিসের ক্রসিং ওভার জীবে বৈচিত্র্য আনে সেহেতু এই জীববৈচিত্র্য ধারাবাহিকভাবে জীবের বিবর্তন ঘটায়। সুতরাং জীবের জীবনের ধারাবাহিকতা ও বৈচিত্র্যতা বজায় রাখতে মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘জীবের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ…’ বরিশাল বোর্ড ২০২১ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”