A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ঝুপড়ি ঘরে বাতাস…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৬ – জীবন বিনিময়, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ঝুপড়ি ঘরে বাতাস ঢোকে ছেঁড়া পর্দা পেরিয়ে। টিনের চাল চুইয়ে জল পড়ে বালতিতে, তবু সেই ঘরেই শুয়ে আছে অসুস্থ সজীব। বাবার একমাত্র সন্তান। ডাক্তার বলেছিল, ওষুধ না পেলে বাঁচানো যাবে না। দরিদ্র বাবা রাশেদ নিজের শরীরের রক্ত বিক্রি করে কিনেছিল ওষুধ। সজীব বেঁচে উঠল, চোখ খুলে বাবাকে ডাকল- “আব্বা!” কিন্তু ততক্ষণে রাশেদ নিঃশব্দে ঘুমিয়ে গেছে। ঠোঁটে এক টুকরো হাসি, যেন বলছে- “আমার ছেলেটা বেঁচেছে, আমি জিতেছি।”

উত্তর:

'ভিষকবৃন্দ' অর্থ চিকিৎসকবৃন্দ।

উত্তর:

কবি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন হুমায়ুনের রোগ মুক্তির উপায় নেই এমন ভাব প্রকাশ পাওয়ায়।

'জীবন বিনিময়' কবিতায় বারপুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের চিকিৎসকরা হুমায়ুনের চিকিৎসায় নিয়োজিত। অথচ তার - রোগমুক্তির কোনো উপায় হয় না। এক সময় বাবর যখন রাগান্বিত হয়ে চিকিৎসকদের কাছে জানতে চান, রোগ থেকে বাদশাজাদার মুক্তি মিলবে কি না, তখন রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব নয় ভেবে চিকিৎসক-রা নীরব থাকেন। এ কারণেই সেই নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলা হয়েছে।

উত্তর:

উদ্দীপকের সজীবের পারিবারিক অবস্থার সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশাজাদার পরিবারের সচ্ছলতার দিকটির। বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

'জীবন' বিনিময়' কবিতায় সম্রাট বাঁবরের অসুস্থ পুত্রের প্রতি অসামান্য ভালোবাসা ও ত্যাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ধন-সম্পদে তিনি পরিপূর্ণ, তবুও তিনি সুখী নন। কারণ তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়ো হলো পুত্রের জীবন রক্ষা করা।

উদ্দীপকের বাবার একমাত্র সন্তান সজীব। তার পরিবার অভাব-অনটনে জর্জরিত। দরিদ্র বাবাকে নিজের রক্ত বিক্রি করে ছেলের জন্য ওষুধ কিনতে হয়েছিল। এতে তার পারিবারিক অসচ্ছলতার দিকটি খুব সহজেই অনুমান করা যায়। অন্যদিকে 'জীবন বিনিময়' কবিতার। বাদশাজাদা হুমায়ুনের বাবা প্রচুর অর্থবিত্তের অধিকারী। তাঁর কোনো। কিছুর অভাব নেই। পুত্রের সুস্থতা কামনাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। এভাবে উদ্দীপকের সজীবের পারিবারিক অবস্থার সঙ্গে 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশাজাদার সচ্ছলতার দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর:

পিতার স্নেহ-বাৎসল্যের কাছে মৃত্যুর পরাজয়ের দিক বিবেচনায় "উদ্দীপকের রাশেদ এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের সন্তান বাৎসল্য যেন একসূত্রে গাঁথা” মন্তব্যটি যথার্থ।

'জীবন বিনিময়' কবিতার পিতার স্নেহ-বাৎসল্যের অসাধারণ প্রকাশ ঘটেছে। পুত্র হুমায়ুনের অসুস্থতায় বাদশা শঙ্কিত। নিজের জীবন উৎসর্গ করে পুত্রকে বাঁচিয়ে তুলেছেন তিনি। তিনি পিতৃস্নেহের কাছে মরণের পরাজয়ের অসামান্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

উদ্দীপকের দরিদ্র বাবা রাশেদও পুত্রের জীবন বাঁচাতে অসামান্য আত্মত্যাগের পরিচয় দেয়। শরীরের রক্ত বিক্রি করে ছেলেকে বাঁচালেও সে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে। এতে পুত্রের জীবন রক্ষার তাগিদে পিতৃস্নেহের অসামান্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। 'জীবন বিনিময়' কবিতায়ও একইভাবে সন্তানের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে।

'জীবন বিনিময়' কবিতায় পিতৃস্নেহের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। সম্রাট বাবর নিজ জীবনের বিনিময়ে পুত্রের প্রাণ রক্ষা করেন। পিতৃস্নেহের কাছে মৃত্যুও হার মেনেছে। সন্তানের প্রতি অগাধ ভালোবাসার প্রকাশ পেয়েছে কবিতাটিতে। অন্যদিকে উদ্দীপকের রাশেদও সন্তানের প্রতি অসীম ভালোবাসা দেখিয়েছেন। উভয়েই সন্তান বাৎসল্যের অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রাশেদ এবং 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের সন্তান বাৎসল্য যেন একই সূত্রে গাঁথা। মন্তব্যটি যথার্থ।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ঝুপড়ি ঘরে বাতাস…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৬ – জীবন বিনিময়, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”