| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘জনাব পলাশ হঠাৎ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

জনাব পলাশ হঠাৎ তার বুকে ব্যথা অনুভব করল। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে বললেন যে তার করোনারি ধমনির লুমেন প্রশস্ত করা জরুরি।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
দুবার লুপ সৃষ্টির মাধ্যমে সম্পন্ন হাইড্রার সাধারণ ও দ্রুত চলন প্রক্রিয়াই হলো সমারসল্টিং চলন।
কোনো কোনো অঙ্গে কৈশিক জালিকা থেকে উৎপন্ন শিরা হৃৎপিণ্ডের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে অন্য একটি মাধ্যমিক অঙ্গে প্রবেশ করে এবং সেখানে পুনরায় কৈশিক জালিকায় বিভক্ত হয় তাকে পোর্টাল শিরা বলে। পোর্টাল শিরার মাধ্যমে রক্তসংবহন ব্যবস্থাকে পোর্টাল সংবহন বলে। এই সংবহনে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে বিভিন্ন ধমনির মাধ্যমে পাকস্থলি, অগ্ন্যাশয়, প্লীহা এবং অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। মানবদেহে কেবল হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র বিদ্যমান।
কোনো কোনো অঙ্গে কৈশিক জালিকা থেকে উৎপন্ন শিরা হৃৎপিণ্ডের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে অন্য একটি মাধ্যমিক অঙ্গে প্রবেশ করে এবং সেখানে পুনরায় কৈশিক জালিকায় বিভক্ত হয় তাকে পোর্টাল শিরা বলে। পোর্টাল শিরার মাধ্যমে রক্তসংবহন ব্যবস্থাকে পোর্টাল সংবহন বলে। এই সংবহনে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে বিভিন্ন ধমনির মাধ্যমে পাকস্থলি, অগ্ন্যাশয়, প্লীহা এবং অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। মানবদেহে কেবল হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র বিদ্যমান।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চিকিৎসা পদ্ধতিটি হলো এনজিওপ্লাস্টি। এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসাটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু নিরাপদ তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসাটি মোটামুটি নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত, তবে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যেমন-
চিকিৎসা অবকাঠামো:
১. ঢাকায় বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে (যেমন-BMU, NICVD, Labaid, United, Square ইত্যাদি) আধুনিক 'ক্যাথল্যাব ও দক্ষ কার্ডিওলজিস্ট রয়েছে।
২. দক্ষতা ও প্রযুক্তি উন্নতির ফলে বর্তমানে বেশিরভাগ এনজিওপ্লাস্টি সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।
চিকিৎসকের দক্ষতা:
১. বাংলাদেশে অনেক অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কার্ডিওলজিস্ট রয়েছে যারা আন্তর্জাতিক মানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
২. সঠিক কেন্দ্রে সঠিক সময়ে গেলে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে ঝুঁকি অনেক কম থাকে।
ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি ও ওষুধ:
১. উন্নতমানের স্টেন্ট এবং অ্যান্টিকুয়াগুল্যাপ্ট ওষুধ বাংলাদেশে পাওয়া যায়। তবে ব্যয়ের করণে অনেক রোগী নিম্নমানের স্টেন্ট বেছে নেয়, যা ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
নিরাপত্তা ঝুঁকি : এনজিওপ্লাস্টির ঝুঁকি খুবই কম, তবে কিছু সম্ভাব্য ঝুঁকি থাকতে পারে।
১. রক্তক্ষরণ বা রক্ত জমাট বাঁধা।
২. রক্ত নালিতে পুনরায় ব্লক হওয়া।
৩. সংক্রমণ।
৪. কিডনি সমস্যা (ডাই ব্যবহারের কারণে)
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করণীয়:
১. অভিজ্ঞ হাসপাতাল ও চিকিৎসা নির্বাচন করা
২. উন্নত মানের স্টেন্ট বেছে নেওয়া।
৩. পরে নিয়মিত ফলোআপ ও ওষুধ চালিয়ে যাওয়া।
৪. ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচপ ও ধূমপান নিয়ন্ত্রণে রাখা।
উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, বাংলাদেশে এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসা মোটামুটি নিরাপদ, বিশেষ করে যদি তা ঢাকাসহ বড় শহরের অভিজ্ঞ কেন্দ্রগুলোতে করা হয়। সঠিকভাবে করলে এটি হৃদরোগীদের জন্য জীবনরক্ষাকারী হতে পারে।