| ㅤ | A. Nayan19 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘জনাবআবুলকাশেমএকটিমসজিদেরইমাম।তিনিএকখুতবায়বলেন, সন্তানদেরকেইমান-আকিদা, হালাল-হারাম,…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১ – ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি, ইসলাম শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা ১ম পত্র (এইচএসসি)

জনাবআবুলকাশেমএকটিমসজিদেরইমাম।তিনিএকখুতবায়বলেন, সন্তানদেরকেইমান–আকিদা, হালাল–হারাম, ন্যায়–অন্যায়, শিষ্টাচার, নম্রতা, ভদ্রতাসম্পর্কেজ্ঞানদানকরাপ্রত্যেকবাবা–মারকর্তব্য।উক্তশিক্ষারঅভাবেউচ্চশিক্ষায়শিক্ষিতহয়েওঅনেকেনানাবিধঅপকর্মেলিপ্তহচ্ছে।মহানবি (স.) বলেছেন, “তোমরাজ্ঞান–বিজ্ঞানশিক্ষাকরএবংতামানুষকেশিক্ষাদাও।“
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
ইলমশব্দেরঅর্থহলোজ্ঞানবা Knowledge।
• আল্লাহতায়ালাপৃথিবীতেযেকয়জননবিওরাসুলপাঠিয়েছেনতাঁরাসবাইদাওয়াত-এরকাজকরেছেন।প্রথমনবিহযরতআদম (আ.) থেকেশেষনবিহযরতমুহাম্মদ (স.) পর্যন্তআবির্ভূতসবনবি- রাসুলদাওয়াতেরদায়িত্বনিয়েপৃথিবীতেএসেছেন।রাসুলুল্লাহ (স)- এরইন্তেকালেরপরেখোলাফায়েরাশেদিনএদায়িত্বপালনকরেছেন।সাহাবি (রা.), তাবিঈওমুসলিমমনীষীগণনিষ্ঠারসাথেএদায়িত্বআঞ্জামদিয়েছেন।পরবর্তীতেদ্বীনেরএমহানদায়িত্বআলেমগণপালনকরেথাকেনএবংকিয়ামতপর্যন্তনবীরাসুলদেরএদায়িত্বআলেমদেরওপরবর্তায়।সেজন্যরাসুল (সা.) আলেমদেরকেনবিদেরওয়ারিসবাউত্তরসূরীবলেছেন।
জনাবআবুলকাশেমেরবক্তব্যইসলামিসংস্কৃতিরসাথেসাদৃশ্যপূর্ণ।
ইসলামিসংস্কৃতিরউৎসহলোকুরআনওহাদিস।যামুসলিমদেরজীবনাচরণেবহিঃপ্রকাশঘটে।তাইবলাযায়, মুসলিমজাতিরজীবন- আচারইইসলামিসংস্কৃতি।
ইসলামএমনএকটিজীবনদর্শনযাপ্রগতিশীলওশাশ্বতজীবনপদ্ধতি।তাইস্বভাবতইইসলামিঅনুশাসনেরপ্রভাবেএরস্বতন্ত্রসংস্কৃতিরয়েছে।জীবনেরবিভিন্নক্ষেত্রেইসলামেরমূলবিশ্বাসেরআলোকেযতনিয়মনীতি, বিধিনিষেধপালনকরতেহয়, তারসবইইসলামিসংস্কৃতি।আরযাকিছুঅসুন্দর, অশ্লীল, অমার্জিত, রুচিহীন, কুসংস্কারওশরিয়তবিরোধীতাঅপসংস্কৃতি।ইসলামতাপ্রত্যাখ্যানকরেছে।মহানআল্লাহতায়ালানবিরাসুলদেরকেপ্রেরণকরেমানুষকেইসলামিসংস্কৃতিহাতে-কলমেশিক্ষাদিয়েছেন।আমাদেরপ্রিয়নবি (সা.)ও সাহাবায়ে আজমাইনদেরকে ইসলামি সংস্কৃতি সরাসরি শিক্ষা দিয়েছেন। তারা এ সংস্কৃতি প্রাপ্ত হয়েছেন ওহি বা ঐশী বাণীর ভিত্তিতে।
কাজেই ইসলামি সংস্কৃতি মুসলিম হৃদয়ের মণিকোঠায় লালিত ইমান তথা কুরআন ও হাদিস থেকেই উৎসারিত।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে জনাব আবুল কাশেমের বক্তব্য ইসলামি সংস্কৃতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব আবুল কাশেম ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষার কথা বলেছেন। সমাজে এর প্রভাব ব্যাপক। ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠের গুরম্নত্ব অপরিসীম। মানুষের অসৎ চরিত্র ও কুপ্রবৃত্তিকে দমন করে সচ্চরিত্র ও সুপ্রবৃত্তির বিকাশে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। আদিকাল হতে পৃথিবীতে যত অন্যায়, জুলুম, নির্যাতন ও অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার কারণ হলো অনৈতিকতা ও ইসলামের বিধান পালন না করা। আধুনিক সভ্য যুগেও এর ভয়াবহ বিস্তার লক্ষ করা যায়। এ থেকে মুক্তি পেতে দরকার সচ্চরিত্র।
সৎচরিত্র নামের এ মহামূল্যবান সম্পদটি অর্জন করা সম্ভব ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে। রাসুল (সা.) দেড় হাজার বছর আগে এসে বর্বর আরবদেরকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলাম শিক্ষার মাধ্যমে চারিত্রিকভাবে নীতিবান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। তিনি তাদের মাঝে এসে ঘোষণা করলেন- بَعِثْتُلِأَتَهِمَمَكَارِمَالْأخلاق অর্থাৎ, "আমি উত্তম চরিত্রের পূর্ণতা সাধনের জন্যই প্রেরিত হয়েছি।" )বুখারি) অন্যত্র তিনি ঘোষণা করলেন- إِنَّمَابَعِثْتمعلمًا
অর্থ: "নিশ্চয়ই আমি শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি।” (ইবনে মাজাহ) এভাবে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা লাভের মাধ্যমে সুন্দর একটি সমাজ গড়ে উঠে এবং সমাজে ভালো কাজের ব্যাপক প্রভাব পড়ে থাকে। উদ্দীপকে জনাব আবুল কাশেম এই বিষয়টিই ইঙ্গিত করেছেন।