A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘জগতের কেউ-ই আপনার…’ a – অর্ধাঙ্গী, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ৮ম অধ্যায় — অর্ধাঙ্গী🔢 সৃজনশীল নং ৩🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৮

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঈশ্বর মা অপেক্ষা অধিক করুণাময়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করার কারণ হলো- কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

➤ জীবন বা চাহিদা কখনই এককেন্দ্রিক হয় না। বিভিন্ন ধারার চাহিদা থাকার কারণে মানুষের প্রাপ্তির প্রত্যাশাও বিভিন্ন হয়ে থাকে। ফলে সাহায্য প্রার্থনা করতে হয় সবার কাছে। যদিও এর মধ্যে এক ধরনের বিনিময় ক্রিয়া রয়েছে, কিন্তু বিনিময় মুখ্য নয়। প্রাপ্তি বা চাহিদার পূর্ণতাই মুখ্য। জীবনকে পরিপূর্ণ করতেই একজন অন্যজনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। 

সারকথা: জগতের কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। । চাহিদার পূর্ণতা প্রাপ্তির লক্ষ্যেই একে অন্যের নিকট সাহায্য কামনা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে পারস্পরিক সহযোগিতাকে মুখ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং উদ্দীপকেও একই বিষয় আলোচিত হয়েছে, যা পরস্পরের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

➤ শক্তি আর প্রয়োজন- দুটি আলাদা বিষয়, যদিও প্রয়োজন মেটাতে শক্তি অপরিহার্য। কিন্তু কিছু প্রয়োজন আছে যা শক্তির দ্বারা লাভ করা যায় না। এ ক্ষেত্রে শক্তিমান মানুষও অন্যের মুখাপেক্ষী। বস্তুত জগতে কেউই আপনার দ্বারা পরিপূর্ণ নয়। কারণ সময় চাহিদাকে হাজির করে, আর চাহিদা অন্যের নিকট ব্যক্তির মুখাপেক্ষিতাকে প্রকট করে তোলে।

➤ উদ্দীপকে নারীর প্রয়োজনীয়তা আলোচিত হয়েছে। বস্তুত আমাদের সমাজে নারীকে পুরুষের তুলনায় কম প্রাধান্য দেওয়া হয়, যদিও নারীরা মেধা ও যোগ্যতা বহন করে। বিশেষ করে পুরুষরা শারীরিক গঠনের কারণে শক্তিশালী হওয়ায় এ মনোভাব পোষণ করে। কিন্তু নারী ছাড়া বা নারীর সহযোগিতা ছাড়া পুরুষের জীবন নির্বাহ করা প্রায় অসম্ভব। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তাকে উপমার দ্বারা প্রকাশ করেছেন। তরুলতা বৃষ্টির পানি ছাড়া যেমন বাঁচতে পারে না, আবার তরুলতার সাহায্য ছাড়া আকাশে মেঘও জমতে পারে না। তরুলতা ও মেঘ পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং দুই-ই সমান গুরুত্ব বহন করে। এর দ্বারা লেখিকা মূলত নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তাকে বুঝিয়েছেন। এখানেই উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। 

সারকথা: 'অর্যালী' প্রবন্ধে লেখিকা তরুলতা ও মেঘের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা দ্বারা নারী-পুরুষের প্রয়োজনীয়তাকে বুঝিয়েছেন। উদ্দীপকেও একই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, যা পরস্পরের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

➤ মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে বাস করে। মানুষের এই একতাবদ্ধ হয়ে বাস করার অন্যতম কারণ হলো নিজ নিজ চাহিদার পূরণ ঘটিয়ে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা। পেশাগত দিক থেকে এক পেশার মানুষ অন্য পেশার মানুষের কাছে সাহায্যপ্রার্থী। একইভাবে পুরুষ ও নারী একে অপরের কাছে সাহায্যপ্রার্থী। বস্তুত পৃথিবীই রচিত হয়েছে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসে।

➤ উদ্দীপকে নারীকে পুরুষের সমকক্ষ হিসেবে দেখানো হয়েছে। মূলত নারী বা পুরুষ হিসেবে লিঙ্গগত পার্থক্য থাকলেও সবাই কিন্তু মানুষ। মানুষ হলো পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী। পুরুষের যেরূপ মেধা, যোগ্যতা, শক্তি রয়েছে, নারীরও তেমনই মেধা, যোগ্যতা আর শক্তি রয়েছে। নারী শারীরিক কাঠামোর কারণে পুরুষের চেয়ে কম শক্তি বহন করে। কিন্তু পৃথিবীতে নারী-পুরুষের প্রয়োজনীয়তা সমান, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও অনুরূপ দৃষ্টিভঙ্গি নানা যুক্তি ও দৃষ্টান্তসহ তুলে ধরেছেন। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন আলোচা প্রবন্ধে নারীর সামাজিক অবস্থান এবং এই দুর্ভোগময় অবস্থা থেকে নারীকে উত্তরণের প্রয়াস চালিয়েছেন। কারণ সমাজ, সংসার বা রাষ্ট্রের উন্নতিতে নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য। উদ্দীপকেও একই মনোভাব প্রকাশের মাধ্যমে লেখক বলেছেন যে- নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই। সুতরাং মন্ত্রব্যটি যথার্থ। 

সারকথা: নারীকে পুরুষের সমকক্ষ হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখক যে মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন, উদ্দীপকের লেখকও নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন বলে একই মনোভাবের পরিচয় প্রদান করেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘জগতের কেউ-ই আপনার…’ a – অর্ধাঙ্গী, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”