A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘জোহরা : আর…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ৪৭🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

জোহরা : আর একদিন কি দু’দিন। তার পরই ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো। আমার সঙ্গে ফিরে চলো।

 

কার্দি : যে ফিরে যাবে সে আমি হব না সে হবে বিশ্বাসঘাতক। আমাদের সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম মির্জা ইরিচ খান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

“ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব”- উক্তিটি সিরাজউদ্দৌলার।

নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে তার আত্মীয় পরিজন ও অমাত্যবর্গরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। কীভাবে নবাবকে সিংহাসনচ্যুত করা যায়। এবং নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করা যায় সেই ভাবনায় সবাই একাট্টা। তারা দেশরক্ষার শপথ করলেও সজ্ঞানে নবাবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। তাদের এই বিশ্বাসঘাতকতার সুযোগ গ্রহণ করে ইংরেজরা। তারা নবাবকে আক্রমণ করার সুযোগ খোঁজে। সার্বিক পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে নবাব সিরাজউদ্দৌলা স্ত্রী লুৎফুন্নেসাকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দিপতি সিরাজদৌলা নাটকের নির্ভীক দেশপ্রেম বিষয়টি তুলে ধরেছে।

 

 সিরাজউদ্দৌলা’’ নাটকে দেখা যায় জাতীয় চেতনা নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছে। ১৯৬৫ সালে সামরিকজান্তা আইয়ুব খানের দুঃশাসনে পূর্ববাংলার মানুষ যখন দিশেহারা তখন সিকানদার আবু জাফর ‘‘সিরাজউদ্দৌলা’’ নাটক রচনা করে বাঙালিকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি চেয়েছিলেন সিরাজউদ্দৌলার শক্তি, সাহস ও দেশপ্রেমকে পূর্ববাংলার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে যাতে তারা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে।

উদ্দীপকে দেখা যায় কারদি ও সিরাজউদ্দৌলার মত না ভয় পেয়ে। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে গেছে। সে নিজেকে বিশ্বাসঘাত নয় সাহসী বলে প্রমাণিত করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের কর্দির মত বিশ্বস্ত লোকের অভাবেই সিরাজউদ্দৌলার পতন ঘটেছে।

 

পলাশির যুদ্ধের সময় নবাব সিরাজউদ্দৌলার কাছ থেকে সেনা সংগ্রহের কথা বলে অনেকেই টাকা নিয়েছিল। তারা টাকা নিয়ে পালিয়েছিল। এমনকি সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুর ইরিচ খাঁও সেনাবাহিনী সংগঠনের কথা বলে নবাবের কাছ থেকে প্রচুর টাকা নিয়ে। পালিয়ে গিয়েছিলেন। তারা পালিয়েছিল প্রাণের ভয়ে, প্রতারণা করে। এই প্রসঙ্গটি বোঝাতেই নবাব বলেছিলেন, “

ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়। আর তাতে প্রকৃত বীরের মনোবল ক্ষুণ্ন হয় না।”

উদ্দীপকে কর্দি একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব। সে বিশ্বাসঘাতকতা না করে কাপুরুষের মতো না পালিয়ে লড়াই করে যায় শেষ পর্যন্ত। এবং যার জন্য সে এক সময় এত পেয়েছিল তার প্রতীকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং বিশ্বাস রক্ষা করে।

 

কিন্তু সিরাজউদ্দৌলা ঘটনা কালে তারই বিশ্বস্ত মানুষগুলোর খুব অভাব ছিল। বিশ্বস্ত না বরং তার আপন মানুষের তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে।

এবং এই ধরনের বিশিষ্ট লোকের অভাবের কারণে সিরাজউদ্দৌলার পতন ঘটে। কারণ তার নিজ আত্মীয়রা কার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘জোহরা : আর…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”