A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘জন্ম থেকেই চোখে…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৩য় অধ্যায় : সুভা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর🔢 সৃজনশীল নং:🏢 প্রতিষ্ঠান: ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

জন্ম থেকেই চোখে না দেখায় আরিফাকে নিয়ে মা-বাবার দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। এবার মেয়েটি পনেরোয় পা রেখেছে। বিয়ের সম্বন্ধ আসছে। তাই সব সময় আতঙ্কিত তাঁরা। ভাগ্য সুপ্রসন্ন। অবশেষে পাত্র পাওয়া গেল। দারুণ উদার ছেলে! এমন মেয়ে বিয়ে করতে আপত্তি নেই তার। বলে, ‘বিয়ের পর আমিও তো অন্ধ হয়ে যেতে পারি। তখন আমার স্ত্রী কি আমাকে ফেলে দিতে পারবে? আসলে মানুষটাই বড়ো কথা। 

উত্তর:

গাভি দুটির নাম সর্বশী ও পাঙ্গুলি।

উত্তর:

'আমাকে সবাই ভুলিলে বাঁচি'- আক্ষেপ থেকে সুভা এ কথাটি মনে করত।

'সুভা' গল্পে সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী এক কিশোরী। কথা বলতে পারে না বলে প্রতিবেশীরা সুভার উপস্থিতিতে তার এই অপারগতার জন্য তাকে নিয়ে তাচ্ছিল্য করে। তার সঙ্গে দেখা হলেই তার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করে। এতে সুভার সীমাবদ্ধতা তার বারবার মনে পড়ে। সে নিজেকে সবার কাছ থেকে দূরে রাখতে চায়। এ জন্য সুভা উক্ত কথাটি মনে করত। 

উত্তর:

উদ্দীপকের আরিফার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার সঙ্গে 'সুভা' গল্পের সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার সাদৃশ্য রয়েছে।

সুভা গল্পের সুভা বাকপ্রতিবন্ধী এক কিশোরী। মা তাকে গর্ভের কলঙ্ক মনে করে। বাবা তাকে অন্য মেয়েদের চেয়ে বেশি ভালোবাসলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়তে থাকে। প্রতিবেশীরা সুভার সামনেই তার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করত।

উদ্দীপকের আরিফাও 'সুভা' গল্পের সুভার মতো শারীরিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরী। জন্ম থেকেই চাখে না দেখায় বাবা-মায়ের তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। বিয়ের প্রস্তাব আসায় আরিফাকে নিয়ে তারা আতঙ্কিত। বিষয়টি 'সুভা' গল্পের সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর:

'সুভা' গল্পের লেখক শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের প্রতি মমত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গির যে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন তা উদ্দীপকের বরের মানসেও প্রকাশিত হয়েছে।

'সুভা' গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাষ্প্রতিবন্ধী কিশোরী সুভার প্রতি হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ও মমত্ববোধ প্রকাশ করেছেন। এ গল্পে তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর মন ও চিন্তা, আবেগ ও অনুভূতির সূক্ষ্মতর দিকগুলো উপস্থাপন করেছেন।

উদ্দীপকের আরিফাও 'সুভা' গল্পের সুভার মতো শারীরিক প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার কারণ সে। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ায় তার বর তাকে বিনা প্রশ্নে বিয়ে করতে-রাজি হয়। সে মনে করে শারীরিক প্রতিবন্ধিতার চেয়ে বড়ো কথা সে একজন মানুষ, যা 'সুভা' গল্পের লেখকের উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

'সুভা' গল্পের লেখক বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরীর প্রতি 'পরিবার ও প্রতিবেশীদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কন্যাভারগ্রস্ত পিতা বাণীকণ্ঠকে একঘরে করে দেওয়ার জনবরকে তীব্র ভাষায় শ্লেষ করেছেন। তিনি মনে-প্রাণে চেয়েছেন এমন মানুষে সমাজ পরিপূর্ণ হোক যারা শারীরিক প্রতিবন্ধীদেরও মানুষ বলে গণ্য করবে। উদ্দীপকের আরিফার বরও তার স্ত্রীর শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বড়ো করে দেখেনি। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের বরের মানসে 'সুভা' গল্পের লেখকের আসল উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হয়েছে।

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘জন্ম থেকেই চোখে…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”