Admin
Admin
27 May 2026 (4 months ago)

সৃজনশীলঃ ‘জন্ম থেকেই রাইমা…’ যশোর বোর্ড ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ২য় অধ্যায় : ফুলের বিবাহ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ৩৩🏫 বোর্ড: যশোর বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

জন্ম থেকেই রাইমা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তবে বাবা-মায়ের পরম যত্ন, সহযোগিতা এবং নিজের চেষ্টায় আজ সে সমাজে সম্মানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত। স্বাবলম্বী হয়ে রাইমা প্রমাণ করেছে যে, প্রতিবন্ধীরা সমাজ ও পরিবারের বোঝা নয়। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে তারাও দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে।

উত্তর:

সুভার পিতার নাম বাণীকণ্ঠ।

উত্তর:

প্রতাপ নিতান্ত অকর্মণ্য ছিল বলে বাবা-মা তার প্রতি নিরাশ হয়েছিলেন।

'সুভা' গল্পে বাবা-মায়ের নিতান্ত অকর্মণ্য ছেলে প্রতাপ। অনেক চেষ্টা করেও তাকে দিয়ে সংসারের উন্নতি হয় এমন কোনো কাজ করানো যায় না। এ কারণে মা-বাবা তাকে নিয়ে তাদের প্রত্যাশা বাদ দিয়েছিলেন। ফলে সে অবহেলায় সময় কাটানোর জন্য অপরাহ্ণে নদীতীরে ছিপ ফেলে মাছ ধরত। এভাবে মাছ ধরার বাহানায় অনেকটা সময় কাটানো যায়। প্রকৃতপক্ষে প্রতাপ ছিল প্রচন্ড অলস। সে কোনো কাজ করতে চাইত না। এজন্যই প্রতাপের প্রতি তার বাবা-মা নিরাশ হয়েছিলেন।

উত্তর:

উদ্দীপকের রাইমার সঙ্গে 'সুভা' গল্পের সুভার বৈসাদৃশ্য হলো বাবা-মা ও স্বজনের অবহেলা ও অসহযোগতিায়।

'সুভা' গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরী সুভার মন ও চিন্তা, আবেগ ও অনুভূতির সূক্ষ্মতর দিকগুলো মমত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। এমন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু বা মানুষের প্রতি সহানুভূতি বা সহমর্মিতা দেখানো জরুরি। তাহলে তারা সফল ও সুখী হতে পারে।
উদ্দীপকে বর্ণিত রাইমা জন্ম থেকেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তবে বাবা-মায়ের পরম যত্ন, সহযোগিতা এবং নিজের চেষ্টায় সে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে এখন দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখছে। রাইমার জীবনের এই ঘটনা 'সুভা' গল্পের সুভার সঙ্গে মেলে না। সুভা জন্ম থেকেই কথা বলতে পারে না। তাই সে সবার কাছে উপেক্ষিত হয়েছে। তার চারপাশের কেউ তার সঙ্গে মেশেনি। তার অনুভূতি কেউই বোঝার চেষ্টা করেনি। তার জীবনটাকে সুন্দরভাবে পরিচালিত করার কোনো পথ তাকে কেউ বাতলে দেয়নি। তার মা-বাবাও নয়। বরং সবার কাছ থেকে অবহেলা পেয়েছে। আর এখানেই উদ্দীপকের রাইমার সঙ্গে সুভার বৈসাদৃশ্য।

উত্তর:

প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহমর্মিতা ও মমত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গি সৃজনের আশাবাদে লেখক 'সুভা' গল্পটি রচনা করেছেন যেন তাদের জীবন সহজ হয়। নেই বিবেচনায় "উদ্দীপকের রাইমার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দিকটিই 'সুভা' গল্পের লেখকের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ" মন্তব্যটি যথার্থ।

'সুভা' গল্পের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর মন ও চিন্তা, আবেগ ও অনুভূতির সূক্ষ্মতর দিকগুলো উপস্থাপন করেছেন। বাষ্প্রতিবন্ধী কিশোরী সুভার প্রতি লেখকের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ও মমত্ববোধে গল্পটি অমর হয়ে আছে। এ গল্প পাঠে প্রতিবন্ধী শিশু বা মানুষের প্রতি সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়। যার ফলে সুভাদের মতো প্রতিবন্ধী মানুষের জীবন সহজ ও সফল হয়ে উঠতে পারে।
উদ্দীপকের রাইমা উৎসাহ-উদ্দীপনা, পেলেও আলোচ্য গল্পের সুভা তা পায়নি। সাহস নিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে উৎসাহ ও সহযোগিতা প্রদান করলে সুভাও নিজেকে স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হতো এবং তার পরিবারও কন্যাদায়গ্রস্ততা থেকে মুক্তি পেত। কিন্তু 'সুভা' গল্পে তা হয়ে ওঠেনি। তবে লেখকের প্রত্যাশা- প্রতিবন্ধীদের দূরে না ঠেলে দিয়ে তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হলে তারাও আমাদের উন্নয়নে সহযোগিতা করবে।
প্রতিবন্ধীরাও সমাজের সম্পদ। তাদেরকে সহযোগিতা ও সাহায্যের মাধ্যমে কর্মক্ষম করে তোলা যায়। 'সুভা' গল্পে লেখক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের আবেগ-অনুভূতি তুলে ধরে তাদের প্রতি মমত্বশীল হওয়ার প্রয়াস পেয়েছেন। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হলে তারাও যে সম্পদ হয়ে উঠতে পারে সেই প্রত্যাশাই লেখক ব্যক্ত করেছেন। এই বিষয়টির প্রতিফলন উদ্দীপকের রাইমার মধ্যে পাওয়া যায়। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘জন্ম থেকেই রাইমা…’ যশোর বোর্ড ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”