A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘’ক’ দেশের ৭০…’ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ ২০২৬ – ই, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন🔢 সৃজনশীল নং ২৫🏢 প্রতিষ্ঠান বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

‘ক’ দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। প্রতিটি ইউনিয়নে তথ্য সেবাকেন্দ্র চালু আছে। রাষ্ট্রের যাবতীয় কাজ অনলাইনে সম্পন্ন হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত জনমত প্রতিফলিত হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কাজ কম্পিউটারে বা মোবাইলের মাধ্যয়ে ঘরে বসেই করতে পারে। এমনকি শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ও ইন্টারনেটে পড়তে পারে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ই-গভর্ন্যান্স-এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক গভর্ন্যান্স। এর অর্থ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (ICT) ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সেবা ও তথ্য জনগণের কাছে দ্রুত, স্বচ্ছ এবং সহজ উপায়ে পৌঁছে দেওয়ার একটি আধুনিক শাসনব্যবস্থা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ই-গভর্ন্যান্সের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য হলো-
১. সরকারি সকল কাজ অনলাইনে হওয়ার ফলে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হয়, যা দুর্নীতি কমাতে এবং প্রশাসনের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
২. কম সময়ে, কম খরচে এবং কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই নাগরিক সেবা সরাসরি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত ইন্টারনেট সেবা বা ডিজিটাল প্রযুক্তি রাষ্ট্রের উন্নতিতে ব্যাপক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
ই-গভর্ন্যান্সের মূল চালিকাশক্তি হলো ইন্টারনেট। উদ্দীপকে 'ক' দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সেবা কেন্দ্র থাকা নির্দেশ করে যে দেশটি ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি রাষ্ট্রের উন্নতিতে যেভাবে ভূমিকা রাখে-
১. প্রশাসনিক গতিশীলতা: রাষ্ট্রের যাবতীয় কাজ অনলাইনে সম্পন্ন হওয়ায় লালফিতার দৌরাত্ম্য বা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস পায়, যা প্রশাসনিক কাজে গতি আনে।
২. শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন: ছাত্র-ছাত্রীরা ঘরে বসে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারা এবং ইন্টারনেটে পাঠ্যপুস্তক পড়ার সুযোগ পাওয়ায় শিক্ষার হার ও গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। একটি শিক্ষিত জাতিই রাষ্ট্রের মূল সম্পদ।
৩. জনমত ও গণতন্ত্র: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত জনমত প্রতিফলিত হওয়া নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে, যা সুশাসন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।
সুতরাং, প্রযুক্তির এই ব্যবহার একটি রাষ্ট্রকে স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত এবং উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরাসরি সহায়তা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'ই-গভর্ন্যান্স চালু হলে ঘরে বসেই সেবা পাওয়া যায়'- উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্তিটি যথার্থ।
ঐতিহ্যগত শাসনব্যবস্থায় যে কোনো সরকারি সেবার জন্য মানুষকে নির্দিষ্ট অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হতো, যা ছিল সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। কিন্তু ই-গভর্ন্যান্স এই চিত্রটি সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে-
১. শিক্ষা সেবা: উদ্দীপকে যেমন বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে কম্পিউটারে বা মোবাইলে শিক্ষাবিষয়ক কাজ করতে পারছে। বর্তমানে ভর্তির আবেদন, পরীক্ষার ফলাফল এবং ই-বুক ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা সেবা এখন হাতের মুঠোয়।
২. তথ্যপ্রাপ্তি: প্রতিটি ইউনিয়নে তথ্য সেবাকেন্দ্র এবং অনলাইনের মাধ্যমে নাগরিকরা বিভিন্ন সরকারি ফরম, গেজেট বা প্রয়োজনীয় তথ্য ঘরে বসেই সংগ্রহ করতে পারছে।
৩. আর্থিক লেনদেন ও বিল প্রদান: বিদ্যুৎ, পানি বা গ্যাসের বিল এবং বিভিন্ন সরকারি ফি এখন অনলাইনে বা মোবাইলে পরিশোধ করা যায়, যার জন্য ব্যাংকে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হয় না।
৪. ই-হেলথ বা টেলিমেডিসিন: ইন্টারনেটের মাধ্যমে নাগরিকরা ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ বা স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারছে।
সুতরাং বলা যায়, ই-গভর্ন্যান্স রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে দিয়েছে। উদ্দীপকের 'ক' দেশের মতো যখন সব কাজ অনলাইনে সম্পন্ন হয়, তখন সময় ও অর্থের সাশ্রয় ঘটে এবং নাগরিকরা কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর হয়রানি ছাড়াই দ্রুত সেবা পায়। তাই ই-গভর্ন্যান্স আধুনিক নাগরিক জীবনের সেবাপ্রাপ্তিকে সহজ ও গতিময় করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘’ক’ দেশের ৭০…’ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ ২০২৬ – ই, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”