A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘’ক’ রাষ্ট্রে জনগণ…’ রংপুর সরকারি কলেজ – জনমত ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৮ম অধ্যায় — জনমত ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি🔢 সৃজনশীল নং ১🏢 প্রতিষ্ঠান রংপুর সরকারি কলেজ⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

‘ক’ রাষ্ট্রে জনগণ মনে করে যে, রাজনীতি নাগরিকের জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তারা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। রাজনীতিতে তাদের ব্যাপক অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে সুসংহত করছে। রাজনীতি সম্পর্কে ‘ক’ রাষ্ট্রের জনগণের ইতিবাচক ধারণাই তাদের সক্রিয় হতে উদ্বুদ্ধ করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৮

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Voice of people is the Voice of God- উক্তিটি করেছেন ফরাসি দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাক রুশো।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রাচীনকাল থেকেই রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে মানুষ যেসব চিন্তাভাবনা করেছে এবং যা কিছু উদ্ভাবন করেছে তার সমষ্টিকেই বলা হয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি। বস্তুত রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো বিভিন্ন রাজনৈতিক। কর্মকান্ডের ফসল। সর্বোপরি রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলতে জনসাধারণের মধ্যে প্রচলিত সেই মনোভাব, বিশ্বাস, অনুভূতি ও মূল্যবোধকে বোঝায়, যা মানুষের রাজনৈতিক আচরণ ও মূল্যবোধকে নিয়ন্ত্রণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রে অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিদ্যমান। যেখানে জনগণ রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সরকার, দাবিদাওয়া, সরকারি সিদ্ধান্ত ও নিয়মনীতি এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার সদস্য হিসেবে নিজের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি। উন্নত সমাজগুলোতে এ ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি লক্ষণীয়। এরূপ সমাজে জনগণ রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সক্রিয় সদস্য হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে। উদ্দীপকে লক্ষ করলে দেখা যায়, রাষ্ট্রের জনগণ মনে করে যে, রাজনীতি নাগরিকের জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তারা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। রাজনীতিতে তাদের অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে সুসংহত করছে। রাজনীতি সম্পর্কে 'ক' রাষ্ট্রের জনগণকে ইতিবাচক ধারণাই তাদের সক্রিয় হতে উদ্বুদ্ধ করেছে। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের এই সকল বৈশিষ্ট্য অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই বহিঃপ্রকাশ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'ক' রাষ্ট্রের বিদ্যমান অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গণতন্ত্র বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। গণতান্ত্রিক মনোভাব দ্বারা রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিকশিত হলে জাতীয় সংহতি দৃঢ় ও শক্তিশালী হয় এবং সার্বিক অর্থে রাষ্ট্রের উন্নয়ন সাধিত হয়। উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়। রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকে। উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর জনগণের আস্থা থাকে। আর জনগণের আস্থার ওপর শাসক কর্তৃপক্ষের স্থায়িত্ব নির্ভর করে। উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে রাষ্ট্রব্যবস্থা কোনো সাম্প্রদায়িক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয় না। কিন্তু অনুন্নত রাষ্ট্রগুলোতে রাজনৈতিক সংস্কৃতি যথাযথ ও সুষ্ঠুভাবে বিকাশ লাভ না করায় সেসব রাষ্ট্রে গণতন্ত্র বিতর্কিত হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটলে রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি হয়। জনগণের অধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়। ফলে সুশাসন বাধাপ্রাপ্ত হয়। এজন্য গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার জন্য এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রের সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘’ক’ রাষ্ট্রে জনগণ…’ রংপুর সরকারি কলেজ – জনমত ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”